অ্যাডভোকেট জহুরা খাতুন জুঁই

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • অ্যাডভোকেট জহুরা খাতুন জুঁই

অ্যাডভোকেট জহুরা খাতুন জুঁই দেশের প্রচলিত আইন সর্ম্পকে জনসচেতনতা সৃষ্টি অসহায় মানুষের আইনী তথ্য প্রদান ও সহযোগীতা প্রদান আমাদের উদ্দেশ্য

দৃষ্টি আকর্ষনের নাটক কম করো পিও (প্রিয়)!----------এড. জহুরা খাতুন জুঁই -----------যে ব্যক্তি জানেনা কার কাছে কি চাইতে হয়...
24/02/2026

দৃষ্টি আকর্ষনের নাটক কম করো পিও (প্রিয়)!
----------এড. জহুরা খাতুন জুঁই -----------
যে ব্যক্তি জানেনা কার কাছে কি চাইতে হয়। তিনি আসছে দৃষ্টি আকর্ষণের নাটক করতে!

অর্ধ উলঙ্গ হয়ে যারা হঠাৎ করে নারীর অধিকার আদায়ের কথা বলছেন, নারীর সম্মান রক্ষার নাটক করছেন , তারা এবার নয় পরের বার দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করেন। কারণ সতের বছর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আন্দোলন করে, লড়াই সংগ্রাম করে, জীবন বাজি রেখে অনেকেই নয়নের মনিকোঠায় আছেন।

এতো বছর ফ্যাসিষ্টদের তাবেদারী করে অচেতন থেকে এখন সচেতন হয়েছেন! তাই তওবা করে লাইনে থাকুন, কাজে দিতে পারে।

বি:দ্র:- সব জায়গায় নাক গলাতে নাই। এদেশের মানুষ এখন অনেক সচেতন।

কিছু দায়িত্ববোধের কথা বলি।-------এড. জহুরা খাতুন জুঁই ------কোন সম্পর্ক টিকে থাকে পেট ভরা ভাত আর দামী জামা কাপড়ে নয়। সম্...
15/08/2025

কিছু দায়িত্ববোধের কথা বলি।
-------এড. জহুরা খাতুন জুঁই ------
কোন সম্পর্ক টিকে থাকে পেট ভরা ভাত আর দামী জামা কাপড়ে নয়। সম্পর্কের বন্ধন মজবুত হয় গুরুত্ব আর দায়িত্ব পালনের মাপকাঠিতে।

কেউ একজন দায়িত্ব পালন করেই যাবে আপনাকে খুশি করতে। আপনাকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে। আপনাকে রাজা/রানী বানাতে।
আপনার বোঝা মাথায় নিয়ে নাচানাচি করবে আপনাকে ভার মুক্ত রাখতে। আপনার শান্তির ঘুমের জন্য অশান্তির কষ্ট নিয়ে রাত কাটাবে নি:শব্দে।
আর আপনি ডুবকি মেরে আনন্দ করবেন পরের ঘরে, প্যারা দিবেন নিজের ঘরে। সমাজের সামনে বীর পুরুষ/ সতীসাধ্বী হিসেবে জাহির করবেন বীরের বেশে! বাহ! কি চমৎকার! তাই না!

#দায়িত্ব আর কর্তব্য পালনের মানসিকতা না থাকলে বৈবাহিক সম্পর্কে জড়ানো উচিত নয়।
#বিশ্বস্ত আর নি:স্বার্থবান হতে না পারলে বন্ধুত্বের সম্পর্কের দোহাই দেয়া উচিত নয়।
#স্বার্থপর আর লোভী ব্যক্তিদের কোন সম্পর্কের পরিচয় নিয়ে টানাটানি করা উচিত নয়।

এতে প্যারা বাড়ে। মানসিক শান্তি বিনষ্ট হয়। তিলে তিলে মৃত্যু হয় অনেক স্বপ্নের।

বেঁচে থাকার জন্য সঙ্গী/প্রিয়জন/ আপনজনের দরকার আছে। কিন্তু সেই সঙ্গী/প্রিয়জন/ আপনজন যদি হয় স্বার্থপর/ সুবিধাবাদী/লোভী/ দায়িত্বজ্ঞানহীন, তাহলে সেই প্যারাদায়ক সম্পর্কের বেড়াজালে বেশিদিন আটকে থাকা উচিত নয়।
সমাজ সংসারের সুশীল বজ্জাতেরা এ নিয়ে অনেক কথা শুনাবে, নীতিজ্ঞান বিতরণ করবে, লুচ্চা,বদমাইশগুলো সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করবে।

সবার মুখে ঝামা ঘষে দেয়া সম্ভব, যদি নিজের মধ্যে দৃঢ়তা নিয়ে এগিয়ে চলার সাহস আর যদিচ্ছা থাকে।

বি:দ্র:- নিজে দায়িত্বশীল না হলে অন্যকে দায়িত্ববান হওয়ার উপদেশ দেয়া বা দায়িত্বপালনে বাধ্য করা থেকে বিরত থাকা সমীচীন। কারণ ছোট্ট মাংস পিন্ডের হৃদয়, আঘাতের যন্রণায় পাথর হয়ে যায়। আর তার প্রতিঘাত হয় ভয়ংকর।

এ্যাওয়ার্ড বেচা কোম্পানির প্রোডাক্ট!----------------------------------প্যান্ট ঢিলা এই হাফ লেডিস নাকি বাংলাদেশের সবচেয়ে স...
28/07/2025

এ্যাওয়ার্ড বেচা কোম্পানির প্রোডাক্ট!
----------------------------------
প্যান্ট ঢিলা এই হাফ লেডিস নাকি বাংলাদেশের সবচেয়ে সুদর্শন পুরুষ!
কথাটা শোনার পর এই সমাজের পুরুষগুলোর প্রতি এতো বেশি রাগ হচ্ছে যে কেন তারা এখনো এর প্রতিবাদ করেনি? কারণ মহান আল্লাহর তৈরি পুরুষের অবয়ব কি এতোটা হাস্যকর? পুরুষ জাতি কি এতোটা বিশ্রী আকৃতির?
ফ্যাশনের নামে মানুষের রুচি এতোটা খারাপ হয়ে গেছে যে, মেয়েরা আজকাল অর্ধ উলঙ্গ হয়ে নিজেকে উপস্থাপন করে গর্ববোধ করে। আর পুরুষেরা রুপ ধারণ করার চেষ্টা করে নারীর।

এ্যাওয়ার্ড বেচা কোম্পানির মালিকগুলোকে পেলে
কুচি কুচি করে কচু কেটে খাইয়ে দিতাম মাগো!
বিচারকগুলা কোথাকার কোন ছাগল জানিনা মাগো!
কারণ ফ্যাশনের নামে এই বেয়াদবগুলো মেয়েদেরকে ছেলে আর ছেলেদেরকে হাফ লেডিস বানাতে উৎসাহ দিচ্ছে। সমাজের মানুষগুলোকে চিড়িয়া বানিয়ে দিচ্ছে।
অপসংস্কৃতির বিষ ছড়িয়ে দিচ্ছে মানুষের রন্দ্রে রন্দ্রে।
আমি বুঝিনা এদের ঘরে কি বাপ- মা, ভাই-বোন নাই! তাদের রুচি কি উন্মাদের চেয়েও খারাপ। এই কুলাঙ্গার শ্রেণীর জন্য বাঙ্গালী জাতি তাদের আসল রুপ হারাচ্ছে। তাই এদের বয়কট করা উচিত।
বি:দ্র:- নিজের ঘরে রাজা আর রাজপুত্র থাকার পর ও বলতে পারিনা আমারটাই সেরা।
সান্ডা আর পান্ডার দল নাকি সেরার দাবীদার! How funny!

11/06/2025

যেখানেই হারানোর ইচ্ছে থাক না কেন, মায়ার টানে ফিরতে হয় নিজের আঙ্গীনায়।

17/05/2025

এদের প্রতিহত করা সাধারণ জনগণের নৈতিক দায়িত্ব।
--------------------------------------------------------
এই উলঙ্গ বেডি, তোগোরে বেশ্যা হইতে কইছে কে! উদম গায়ে, আধা পেট আর চামড়া বাইর কইরে গলা চিল্লোইলে কি আর দাবী আদায় করা যায়? তোর দাবী লইয়া যাবিনে কে? তোর দাবীর দিকে মাথা না যাইয়া বেবাগ বেটাগো দুরবিনতো তোর মশা খাওয়া শরীলটার দিকে। ছ্যা,ছ্যা,ছ্যা, ছ্যা! তুই কি দাবী আদায় করতে আয়েছিস না বেডাগো মাথা খাইতে আয়েছিস?
বেশ্যারাও মানুষ। হেরাতো পেটের দায়ে রাইতের অন্ধকারে দুই চার পয়সা কামাই করে। তোগোরে কে কইছে বিনা পয়সায় রাস্তায় চিল্লোইতে? যা বাড়িত যা,কাপড় পাল্টাইয়া তওবা করি আয়।

বি:দ্র:- আন্দোলনের যুদ্ধ আর বিজয়ের আনন্দে আমরাও ছিলাম মাঠে কিন্তু উলঙ্গ হয়ে নয়। সেখানে সম্মান ছিলো, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে, হাতে হাত মিলিয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনার প্রতিজ্ঞা ছিলো বলেই সফলতা আলোর মুখ দেখেছে। কিন্তু এখনকার আন্দোলনে সবাই ভাইরাল হওয়ার নেশায় রাস্তায় নেতা সাজে আত্মসম্মান কেজি দরে বিক্রির জন্য। কথায় কথায় আন্দোলনের দূর্ভোগ সফলতার চেস্টা নয়, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেস্টা।

#মনে_প্রশ্ন_জাগে_আদৌ_কি_এরা_বাংলাদেশী_বাঙ্গালী_নাকি_২_লক্ষ_অনুপ্রবেশকারীর_তাবেদারী_গুপ্তচর_!

তাই সাধারণ জনগনের পক্ষ থেকে এইসব হাতে গোনা ১০০ উলঙ্গ বেয়াদবকে প্রতিহত করা সকলের নৈতিক দায়িত্ব।

ঘুনে ধরা ঝুনা পক্কতা যেমন গ্রহন যোগ্যতা পায়না, তেমনি ইঁচড়েপাকা স্বভাবটাও কারোই ভালো লাগে না। অভিজ্ঞতাকে সম্মান দিলে নিজে...
15/05/2025

ঘুনে ধরা ঝুনা পক্কতা যেমন গ্রহন যোগ্যতা পায়না, তেমনি ইঁচড়েপাকা স্বভাবটাও কারোই ভালো লাগে না। অভিজ্ঞতাকে সম্মান দিলে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় হয় এটা নাবালকেরা বুঝেনা।
মানুষ মরণশীল আর অবস্থা পরিবর্তনশীল।
তাই শূণ্যস্থান দখল করে নয়, গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টি করে পূর্ন করতে হবে।
ভুলে গেলে চলবেনা সমকক্ষতার সবাই কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী ঠিক কাকড়ার মতো আর দলবদ্ধ শৃঙ্খলায় অর্জন সম্ভব পিপড়ার মতো।

দলমত নির্বিশেষে সকলকে উচ্ছৃঙ্খল নয় সুশৃঙ্খল হওয়া বাঞ্চনীয়।

বি:দ্র:- সুযোগ বুঝে দৌড়ানি খেলে কেউ পরবে খাঁদে, কেউ উঠবে ছাদে। দুইটাই বিপজ্জনক। তাই ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিওনা। বেয়াদব আর গাদ্দার দের সঙ্গ সব সময়ই পরিত্যাজ্য।

জীবন চলার পথে মনের মতো সঙ্গী বা সাথী না থাকলে কোন খাওয়ায় তৃপ্তি আসেনা, ঘুরাফেরায় আনন্দ উপলব্ধি করা যায়না, জীবনটা মনে হয় ...
20/04/2025

জীবন চলার পথে মনের মতো সঙ্গী বা সাথী না থাকলে কোন খাওয়ায় তৃপ্তি আসেনা, ঘুরাফেরায় আনন্দ উপলব্ধি করা যায়না, জীবনটা মনে হয় দুর্বিসহ।

শিক্ষিত মেয়েরা বিয়ে করে ভাত কাপড়ের জন্য নয়। সামাজিক প্যারার মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তির জন্য। নিজের খেয়ে পরের ঘরের খবরদারি করা লোকের মুখে তালা-চাবি মারার জন্য।
অসভ্য চরিত্রের কিছু লোকের বদনজর থেকে বাঁচার জন্য। একজন অচেনা, অজনা লোককে নিজের সাথী হিসেবে অনিচ্ছা স্বত্তেও কবুল করে নেয়।
আর সুবিধাবাদী পুরুষগুলো কবুলের শব্দ শুনে নাচের পুতুল কেনার আনন্দে বলে আলহামদুলিল্লাহ।

এই সুবিধাবাদের দুনিয়ায় যদি একা মেয়েদেরকেই সব সামাল দিতে হয়, তাহলে নিছক সাইনবোর্ড নামক স্বামীর সাথে সংসার করা কতটা নির্যাতনের সামিল তা কেবল ভুক্তভোগী নারীরাই জানে।

আমরা সুখী মানুষরা শুধু তাদের কষ্টের কথা শুনে সমবেদনা জানাই আর জ্ঞান দেই এই বলে - "মেয়েদের সব মানিয়ে চলতে হয়।"

কেউ হয়তো লজ্জায় মুখ ফুটে বলতে চায়না আমি কষ্টে আছি।
কেউ হয়তো ভালোবাসার নামে ধোকা খেয়েছে বলতে চায়না নিজের নির্বুদ্ধিতার প্রমানিত হওয়ার ভয়ে।
কেউ হয়তো অসহায়ত্বের কড়াঘাত থেকে বাঁচতে সয়ে যায় মুখ বুজে।
কেউ হয়তো সন্তানের কাছে চরিত্রহীন পিতার মুখোশটা খুলতে ভয় পায়।
এমন সখের পুরুষ নয়, বিষের পুরুষের সাথে সংসার ভাঙ্গা কোন দোষের কিছু নয়।

অন্য দিকে একই চরিত্রের, স্বভাবের নারীও কিন্তু কম যায়না।
দূর্বার চাহিদা সম্পন্ন নারী আগুনের কাঠ কয়লার মতো জীবন পুরিয়ে ছাই করে।
সন্দেহবাতিক নারী চোখের ঘুম বিনষ্ট করে।
অলস, অকর্মা নারী পরিবারের অশান্তির কারিগর।
দুশ্চরিত্রা নারী পরিবারের অভিশাপ।
আর মূর্খ্য, বিবেকহীন নারী গোটা সমাজের অনিষ্টকারী।
এমন বুনো বেড়ালের সাথে সংসার ভাঙ্গা কোন দোষের কিছু নয়।

সংসার নামক মায়ার জেলখানায় একে অপরের প্রতি যত্নশীল, দায়িত্বশীল, সহনশীল মনোভাবাপন্ন মানসিকতায় বসবাস করার স্বদিচ্ছা থাকলেই কেবল এই মায়ার জগতে বিচরণ করা সমীচীন। অন্যথায় কেউ একা থাকলে প্রশ্ন করবেননা কেন এই একাকীত্বের সাথে বাস। কারণ ব্যাক্তি জীবনের সুখের হিসাব সবার এক নয়।

বি:দ্র:- দুষ্ট গরুর চাইতে শূন্য গোয়াল যেমন অনেক ভালো। তেমনি শারিরীক ও মানসিক যন্ত্রণা দেয়া ব্যক্তি থেকে দূরে থাকা বেঁচে থাকার নিরলস প্রয়াশ।

আনন্দ ক্ষণিকের হলেও তাকে উপলব্ধি করতে পারলে সুখের অনুভূতিতে হয় চিরস্থায়ী।  সবাইকে ঈদ মোবারক।
31/03/2025

আনন্দ ক্ষণিকের হলেও তাকে উপলব্ধি করতে পারলে সুখের অনুভূতিতে হয় চিরস্থায়ী। সবাইকে ঈদ মোবারক।

ঐক্যমতের ভিত্তিতে রাষ্ট্র সংস্কার আর বিনির্মানের ক্ষেত্রে আমাদেরও রয়েছে ক্ষুদ্র অবদান। স্থান: জাতীয় সংসদ ভবনতাং: ২২/০৩/২...
22/03/2025

ঐক্যমতের ভিত্তিতে রাষ্ট্র সংস্কার আর বিনির্মানের ক্ষেত্রে আমাদেরও রয়েছে ক্ষুদ্র অবদান।
স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন
তাং: ২২/০৩/২৫

ছোট্ট উপদেশএড. জহুরা খাতুন জুঁই ---------------------------------দীর্ঘদিন পর সুদিনে আপনারা যারা মিছিল, মিটিংয়ে সবার আগে ...
22/02/2025

ছোট্ট উপদেশ
এড. জহুরা খাতুন জুঁই
---------------------------------
দীর্ঘদিন পর সুদিনে আপনারা যারা মিছিল, মিটিংয়ে সবার আগে থাকেন, তাদের ধন্যবাদ জানাই এই কারণে যে আপনারা আমাদেরই লোক, একই মতাদর্শের অধিকারী।

আপনাদের ঠেলাঠেলিতে যখন, এখন আর দাঁড়ানোর জায়গা পাওয়া যায়না তাদের দেখে কাদের কাক্কুর ডায়ালগ মনে পরে-
" আরে, এরা কারা! কোত্থেকে এলো" ?

হাসু দিদির মতো মনেরে শান্তনা দেই- এরা টুস করে পয়দা নিয়েছে আর ফুস করে একদিন পল্টি মারবে। তাই এদের থেকে দূরে থাকাই ভালো। এদের সাথে নিজেকে তুলনা না করাই শ্রেয়।

কিন্তু নীতিনির্ধারকদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই-
চোখ থাকতেও যারা অন্ধের আচরণ করেন।
বিবেক থাকতেও যারা অবিবেচকের মতো কাজ করেন।
তৈল মর্দন আর চাটুকারিতায় যারা তুষ্ট, প্রতিযোগিতার দৌড়ে তারা জিতে গেলেও প্রকৃতির চপেটাঘাত কিন্তু ফ্যাসিষ্টদের মতোই পরবে নিজ গালে।
চার্লি চ্যাপলিনের মতো অটো দৌড়ে পিছন ফিরে দেখবেন - আপনার আপন কেউইতো নাই।

ত্যাগীরা টিকে থাকে তাদের নিজ যোগ্যাতায় আর সুবিধাবাদীরা টিকে থাকার চেষ্টা করে চাটুকারিতায়।
বিবেকহীন মানুষ যদি সিদ্ধান্তে ভুল করে, তাদেরকে পরিত্যাগ নয়, সময় মতো উচিত শিক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করাই অর্জন।

বি:দ্র:- আমরা কিন্তু নতুন যুগের সম্বন্বয়ক নই। আমরণ রাজপথের যোদ্ধা।

প্রস্তুতি এড. জহুরা খাতুন জুঁই ----------------------------------মন চাইতাছে উড়াধুড়া থাপরাই দুই গালে,গেঞ্জাম কইরা মজা লইছ...
10/02/2025

প্রস্তুতি
এড. জহুরা খাতুন জুঁই
----------------------------------
মন চাইতাছে উড়াধুড়া থাপরাই দুই গালে,
গেঞ্জাম কইরা মজা লইছে, ঘাটের পোলাপানে।

দুই একটা চুল পাকনা হালার পুতের ঝোলা নিজেগো আজ মনে করে চ্যাংড়া মুদির পোলা।

আম জনতা যেদিন দিবো প্যাদানি আর ডলা,
ঐদিন তারা বুঝবার পারবো, কারে কয় ঠেলা!

শালারা সব পল্টি মাইরা,
মাইনষের চোখে ধুলা দিয়া,
বড় বড় কথা কয়!
ক্ষমতায় বইবার লাইগা তলে তলে সব বদলায়।

এতো বছর কষ্ট কইরা,
জেল, জুলুম সহ্য কইরা
রাস্তা করছে বাপে,
জোলার পোলায় এখন দেখি বুক ফুলায়া হাঁটে।

কথায় কথায় এখন দেখি
বাঘের হুংকার মারে!
উইড়া আইসা, জুইরা বইসা
চেংরা পোলাপানে এখন দাদাগিড়ি করে।

ওই কুদ্দুস দাদার বাড়ির গজাড়িটায় তেল মাখ,
চিকন বাঁশের কঞ্চিগুলা সাইজ কইরা রাখ।
আবার বুঝি নামতে হইবো দেশ রক্ষার কামে,
সংস্কারের লাইগা ঐটা কামে লাগবার পারে।

গুলি কইলাম জমা দিছি ট্রেনিং জমা দেইন নাই।
শহীদের রক্তের হিসাব বাকি রইছে, লই নাই।
ক্ষমতার লাইগা যারা করবো তেড়িবেড়ি,
বুঝবো তারা আমরা কেমন দৌড়ান দিতে পারি!

বি:দ্র:- ক্ষমতার মসনদ আসলে কেউই ছাড়তে চায়না। যে যায় লংকায়, সেই হয় রাবন। তাই আমাদের সবার মানসিকতার সংস্কার খুবই দরকার।

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের ৪৬ তম জাতীয় দিবসে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মিলন মেলায় । স্থান: হোটেল ওয়েস্টিন,  গুলশান।তাং-০৭/০২/...
07/02/2025

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের ৪৬ তম জাতীয় দিবসে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মিলন মেলায় ।
স্থান: হোটেল ওয়েস্টিন, গুলশান।
তাং-০৭/০২/২৫

Address

6-7, Court House Street
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অ্যাডভোকেট জহুরা খাতুন জুঁই posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to অ্যাডভোকেট জহুরা খাতুন জুঁই:

Share