বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদ, কুমিল্লা জেলা।

  • Home
  • Bangladesh
  • Cumilla
  • বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদ, কুমিল্লা জেলা।

বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদ, কুমিল্লা জেলা। This page has been created for the purpose of developing knowledge regarding in legal matters and developing better understanding among students.

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাওয়াটার সামিট ২০১৬ এ যোগদান করতে হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেষ্টের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন --------------...
27/11/2016

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ওয়াটার সামিট ২০১৬ এ যোগদান করতে
হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেষ্টের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন
----------------------------------
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাঙ্গেরী প্রেসিডেন্ট ড. জানোস এডার’র আমন্ত্রণে বুদাপেস্ট পানি সম্মেলন ২০১৬’এ অংশ নিতে চারদিনের সফরে আজ সকালে বুদাপেস্টের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।

এছাড়া হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে দুই দেশের সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চারটি সমঝোতা স্মারকে সই হওয়ার কথা রয়েছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী আগেই সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

রোববার সকাল ৯টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টের উদ্দেশ‌্যে ঢাকা ত‌্যাগ করেন।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, তিন বাহিনীর প্রধান, আইজিপি এবং সংশ্লিষ্ট বেসামরিক-সামরিক কর্মকর্তারা ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।

জাতিসংঘ ও বিশ্ব ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে গঠিত পানি বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের প্যানেলের সদস‌্য শেখ হাসিনা। এ প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন হাঙ্গেরি, মরিশাস, মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা, তাজিকিস্তান, পেরু ও সেনেগালের রাষ্ট্রপতি এবং অস্ট্রেলিয়া, জর্ডান ও নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী।

বুদাপেস্ট সম্মেলনের মূল লক্ষ‌্য জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ‌্যমাত্রার পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সংক্রান্ত লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নে করণীয় নির্ধারণ এবং প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত পানি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং একটি বাণিজ্য প্রতিনিধি দল এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন।

বাংলাদেশ ও হাঙ্গেরির মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, কৃষি ক্ষেত্রে সহযোগিতার প্রসার এই সফরের অন‌্যতম লক্ষ‌্য।

রোববার হাঙ্গেরির স্থানীয় সময় দুপুরে বুদাপেস্ট পৌঁছাবেন শেখ হাসিনা। পরদিন সকালে পানি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

সেদিনই বুদাপেস্টে দেশটির প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার বাসবভবনে শেখ হাসিনার বৈঠক হবে। রাতে হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্টের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

সফরের তৃতীয় দিন মঙ্গলবার সকালে হাঙ্গেরির শহীদদের স্মৃতির প্রতি হিরোজ স্কয়ারে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন শেখ হাসিনা। এরপর হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শেখ হাসিনার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে।

বিকালে শেখ হাসিনা এবং হাঙ্গেরীর প্রধানমন্ত্রী ‘বাংলাদেশ-হাঙ্গেরি বিজনেস ইকোনমিক ফোরামের’ এর উদ্বোধন করবেন।

সফর শেষে বুধবার সকালে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন ।
27- Nov - 2016 :

আজ শহীদ নূর হোসেন দিবস। ১৯৮৭ সালের এদিনে মিছিলে অংশগ্রহণকালে যুবলীগ নেতা নূর হোসেন পুলিশের গুলিতে নিহত হন। নূর হোসেনের এ...
10/11/2016

আজ শহীদ নূর হোসেন দিবস। ১৯৮৭ সালের এদিনে মিছিলে অংশগ্রহণকালে যুবলীগ নেতা নূর হোসেন পুলিশের গুলিতে নিহত হন। নূর হোসেনের এই আত্মত্যাগ তৎকালীন গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনকে বেগবান করে।

১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর ১৫ দল, ৭ দল ও ৫ দলের সচিবালয়ের সামনে অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি ছিলো। সেই কর্মসূচির সাথে স¤পৃক্ত ছাত্র সংগঠনগুলোর সমর্থনে অবস্থান ধর্মঘট ঘেরাও কর্মসূচিতে রূপ লাভ করে। ১০ নভেম্বর সকাল থেকেই সচিবালয়ের চারদিকে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার মিছিল সমবেত হয়। তখন তোপখানা রোডের মুখে পুলিশ বক্স পেরিয়ে শুরু হয় নূর হোসেনদের সাহসী মিছিল, সাহসী যুবক উদাম গায়ে লিখেছিল ‘গণতন্ত্র মুক্তিপাক- স্বৈরাচার নিপাত যাক’।

সমাবেশ শুরুর সাথে সাথে পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। পল্টন তখন রণক্ষেত্র। এরই মধ্যে খবর আসে পুলিশের গুলির্বষণে শহীদ হয়েছেন নূর হোসেন। আহত হয়েছেন অসংখ্য। নূর হোসেন আত্মদানের মাধ্যমে সেদিন গণতন্ত্রের নতুন সংগ্রাম শুরু হয়। সেই সংগ্রামের ধারায় ১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর তৎকালীন শাসক পদত্যাগের ঘোষণা দেয়।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী প্রদান করেছেন।রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার বাণীতে বলেন, ‘১০ নভেম্বর বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। এ দিনে রাজপথ রঞ্জিত হয় শহিদ নূর হোসেনের রক্তে। আমি আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি গণতন্ত্রের জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহিদ নূর হোসেনকে। ’

বাণীতে রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, এ দেশের মানুষ জন্মগতভাবে গণতন্ত্রপ্রিয়। কিন্তু আমাদের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পথ কখনো মসৃণ ছিল না। স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের আপনজনদের নৃশংসভাবে হত্যার মধ্যদিয়ে এ দেশে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা রুদ্ধ হয়। উত্থান ঘটে স্বৈরশাসনের। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য বাংলার জনগণ আন্দোলন করে। এরই ধারাবাহিকতায় ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তিপাক এই স্লোগান শরীরে ধারণ করে সাহসী নূর হোসেন ১৯৮৭ সালের এই দিনে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন। মিছিলের পুরোভাগে থাকা এই অকুতোভয় যোদ্ধা অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে গেছেন। শহিদ নূর হোসেনের আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি। তাঁর আত্মাহুতির ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা পেয়েছিল। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বাংলাদেশের মাটিতে নূর হোসেনের মতো সাহসী মানুষ যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন এ দেশের গণতন্ত্র বিপন্ন হবে না।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, ‘গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশে ১০ নভেম্বর আন্দোলন-সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। ১৯৮৭ সালের এই দিন যুবলীগ নেতা নূর হোসেনের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ। নূর হোসেন তাঁর বুকে-পিঠে ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’ স্লোগান লিখে ১৯৮৭ সালের এই দিনে স্বৈরাচারবিরোধী গণ-আন্দোলনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৫ দলীয় জোটের বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন।

বানীতে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, মিছিলটি যখন জিরো পয়েন্টে পৌঁছে, তখন স্বৈরাচার সরকারের নির্দেশে মিছিল লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ করা হয়। গুলিতে নূর হোসেনের বুক ঝাঁঝরা হয়ে যায়। এছাড়াও যুবলীগের আরেক নেতা নূরুল হুদা ও কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটো শহিদ হন। তাঁদের এ আত্মত্যাগ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে। আন্দোলন আরও বেগবান হয়। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে বাবুল, ফাত্তাহসহ আরো নাম না-জানা অনেকে আত্মাহুতি দিয়েছেন। অবশেষে স্বৈরশাসকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়। ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরে পেয়েছে জনগণ।

দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী মটর চালক লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আজ সকাল ৭টায় গুলিস্তানস্থ নূর হোসেন স্কয়ারে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন এবং তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে আজ শহীদ নূর হোসেন দিবস যথাযথ মর্যাদার সাথে পালনের জন্য আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহের নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) জেল হত্যা দিবস। বাঙালি জাতির জীবনে কলঙ্কময় দিনগুলোর একটি। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় ক...
03/11/2016

আজ বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) জেল হত্যা দিবস। বাঙালি জাতির জীবনে কলঙ্কময় দিনগুলোর একটি। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামরুজ্জামানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। কারাগারের মতো কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত জায়গায় এ ধরনের নারকীয় হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালো রাত্রিতে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার ধারাবাহিকতায় আড়াই মাসের এই জাতীয় চার নেতাকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ও বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বাদানকারী এই চার জাতীয় নেতাকে যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বর্বরোচিত এই কালো অধ্যায়টিকে স্মরণ করবে। দিনটি উপলক্ষে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ শোককে শক্তিতে পরিণত করে ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা’ বাস্তবায়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতীয় চার নেতাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তার অবর্তমানে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জাতীয় চার নেতা মুজিবনগর সরকার গঠন, রণনীতি ও রণকৌশল প্রণয়ন, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড ও মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা, কূটনৈতিক তৎপরতা, শরণার্থীদের তদারকিসহ মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধে পরিণত করতে অসামান্য অবদান রাখেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণীতে বলেন, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্ত ও উন্নয়ন বিঘ্নিত করতে প্রতিক্রিয়াশীল চক্র সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।’ তিনি এই সংঘবদ্ধ অপশক্তির দেশবিরোধী চক্রান্ত নস্যাৎ করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

শেখ হাসিনা দেশবাসীকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘চক্রান্তকারী এবং গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি হাত-পা গুটিয়ে বসে নেই। তারা দেশের গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতার পক্ষ শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে বারবার হামলা চালিয়েছে।’

জাতির পিতা ও জাতীয় চার নেতাকে হতার পর ইনডেমনিটি দিয়ে তার বিচারর পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৯৬ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনা হয়। ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় কার্যকর করা হয়েছে। জেলহত্যা মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারকাজ শুরু হয়েছে। বেশ কয়েকটি মামলার রায় বাস্তবায়ন করা হয়েছে।’

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কর্মসূচি: জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। এছাড়া, সকাল ৮ টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদ ও জাতীয় নেতাদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে । একইভাবে রাজশাহীতে জাতীয় নেতা শহীদ কামরুজ্জামানের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে বিকাল ৩ টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে জেলহত্যা দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালনের জন্য দলের সকল শাখা এবং সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সব নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।বঙ্গব্ন্ধু অাইন ছাত্র পরিষদ,কুমিল্লা জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সিনিয়র সহ-সভাপতি রাসেল অাহাম্মদ ভূইয়া বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

তৃতীয়বারের মত, কুমিল্লার গনমানুষের নেতা, বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়ার নন্দিত জননেতা,চারবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য,সাবেক অাইন মন্...
25/10/2016

তৃতীয়বারের মত, কুমিল্লার গনমানুষের নেতা, বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়ার নন্দিত জননেতা,চারবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য,সাবেক অাইন মন্তী, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়্যারম্যান,সারা বাংলার অাইনজীবিদের অহংকার,বীরমুক্তিযুদ্ধা আব্দুল মতিন খসরু এমপি ভাই কে আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে পুনরায় আওয়ামীলীগ এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদে নির্বাচিত করায় বঙ্গকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জননেতা ওবায়দুল কাদের এমপি(বাংলার ফাটাকেষ্ট) কে বঙ্গব্ন্ধু অাইন ছাত্র পরিষদ,কুমিল্লা জেলা শাখার পক্ষথেকে জানাই অান্তরিক অভিন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা। অাগামীতে স্যার কে মন্তী হিসাবে দেখতে চাই।"জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্দু"

অস্টম বারের  মতো আওয়ামী লীগেরসভাপতি নির্বাচিত হলেন শেখ হাসিনা।একই সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক পদেনির্বাচিত হয়েছেন আগের কমিটিরস...
23/10/2016

অস্টম বারের মতো আওয়ামী লীগের
সভাপতি নির্বাচিত হলেন শেখ হাসিনা।
একই সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক পদে
নির্বাচিত হয়েছেন আগের কমিটির
সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ওবায়দুল কাদের।
আজ রোববার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স
ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দলের কাউন্সিল
অধিবেশনে আওয়ামী লীগের দুই গুরুত্বপূর্ণ
পদে শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদের
নির্বাচিত হলেন।
বিকেলে সভাপতি পদে শেখ হাসিনার নাম
নাম প্রস্তাব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য
সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। সমর্থন করেন
সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য মোশাররফ
হোসেন। পরে কাউন্সিলরেরা তা গ্রহণ
করেন। এরপর সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল
কাদেরের নাম প্রস্তাব করেন বিগত
কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল
ইসলাম। সমর্থন করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
জাহাঙ্গীর কবির নানক।
দুই পদে দ্বিতীয় কোনো প্রার্থী না
থাকায় আওয়ামী লীগের নির্বাচন
পরিচালনা কমিটির প্রধান ইউসূফ হোসেন
হুমায়ুন তাদের নির্বাচিত ঘোষণা করেন।
এই কমিটি আগামী তিন বছরের জন্য
নির্বাচিত হলেন।
এরপর সভাপতিমণ্ডলী, যুগ্ম সাধারণ
সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ পদে নাম ঘোষণা
করা হয়।
আজকের কাউন্সিলে আওয়ামী লীগের ৮৩
সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির মধ্যে ২৩ জনের
নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
বিগত কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ
আশরাফুল ইসলামকে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য
করা হয়েছে। এর আগের কমিটিতে
পদাধিকার বলে তিনি সভাপতিমণ্ডলীর
সদস্য ছিলেন।
কমিটির ১৯ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলীর
সদস্যের মধ্যে ১৬ জনের নাম ঘোষণা করা
হয়েছে। এর মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ
সম্পাদক পদাধিকার বলে সভাপতিমণ্ডলীর
সদস্য। ওবায়দুল কাদের আগের কমিটির
সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।
সভাপতিমণ্ডলীর বাকি ১৪ জনের মধ্যে
আটজন পুরোনো সদস্য। এঁরা হলেন সৈয়দা
সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, শেখ
ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম,
কাজী জাফরউল্লাহ, সৈয়দ আশরাফুল
ইসলাম, সাহারা খাতুন, মোশাররফ
হোসেন। নতুন ছয় সদস্য হলেন নুরুল ইসলাম
নাহিদ, আবদুর রাজ্জাক, ফারুক খান, আবদুল
মান্নান খান, রমেশ চন্দ্র সেন ও পীযুষ
ভট্টাচার্য। বাকি ৩টি পদ ফাঁকা রাখা
হয়েছে।
নতুন করে সভাপতিমণ্ডলীর পদে যুক্ত
হয়েছেন ছয়জন। বিগত কমিটির
সভাপতিমণ্ডলী থেকে বাদ পড়েছেন নূহ
আলম লেনিন।
চারটি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদের
তিনটিতে পুরোনোরাই বহাল আছেন। এঁরা
হলেন মাহবুব উল আলম হানিফ, দীপু মনি ও
জাহাঙ্গীর কবির নানক। এর সঙ্গে নতুন করে
যুক্ত হয়েছে আবদুর রহমান।
কোষাধ্যক্ষ পদে আগের এইচ এন আশিকুর
রহমানই বহাল আছেন।
আজকের সম্মেলন থেকে জানানো হয়েছে,
বাকি ৬০ পদ সভাপতি শেখ হাসিনা
সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতিমণ্ডলীর
সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক
করবেন।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী জননেতা তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ম...
22/10/2016

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী জননেতা তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মৌলভী আজহার আলী ও মাতা ফাতেমা বেগম ছিলেন এলাকার সম্মানিত ব্যক্তি। ১৯৬৪ সালে ধনিয়ার আলহাজ মফিজুল হক তালুকদারের জ্যেষ্ঠ কন্যা আনোয়ারা বেগমের সঙ্গে তিনি পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। তারা এক কন্যা সন্তানের জনক-জননী।
জননেতা তোফায়েল আহমেদ ভোলা সরকারি হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে আইএসসি এবং বিএসসি পাহ করেন যথাক্রমে ১৯৬২ এবং ১৯৬৪ সালে। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকা বিজ্ঞানে এমএসসি পাস করেন। কলেজ জীবন থেকেই তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। ব্রজমোহন কলেজ ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক পদে এবং কলেজের হোস্টেল অশ্বিনী কুমার হলের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন ১৯৬২ সনে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ১৯৬৪ সালে ইকবাল (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) হল ছাত্র-সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক, ১৯৬৫ সালে মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সহ-সভাপতি এবং ১৯৬৬-৬৭ সালে ইকবাল হল ছাত্র-সংসদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।
১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ডাকসু’র ভিপির দায়িত্ব পালনকালে চারটি ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে বঙ্গবন্ধু মুজিব প্রদত্ত ৬ দফাকে হুবহু ১১ দফায় অন্তর্ভুক্ত করে ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন। উল্লেখ্য যে, ১৯৬৬-এর ৮ মে থেকে ১৯৬৯-এর ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ৩৩ মাস কারাগারে আটক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’র সব রাজবন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তিদানে তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সারা বাংলায় তৃণমূল পর্যন্ত তুমুল গণআন্দোলন গড়ে তোলে এবং ’৬৯-এর ২২ ফেব্রুয়ারি শেখ বঙ্গবন্ধু মুজিবসহ সব রাজবন্দিকে মুক্তিদানে স্বৈরশাসককে বাধ্য করেন। আর ’৬৯-এর ২৫ মার্চের মধ্যে তথাকথিত প্রবল পরাক্রমশালী লৌহমানব আইয়ুব খানকে পদত্যাগে বাধ্য করে গৌরবের যে ইতিহাস সৃষ্টি করেন তা ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের ড্রেস রিহার্সেল। ১৯৬৯-এ তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭০-এর ৭ জুন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নির্দেশে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। বস্তুত এরপর সংগ্রামী জননেতা তোফায়েল আহমেদ জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের একজন বলিষ্ঠ সংগঠকে পরিণত হন।
স্বাধীনতা যুদ্ধ পূর্ব ছাত্র ও গণআন্দোলনে সফল নেতৃত্ব প্রদান করায় তোফায়েল আহমেদ দেশবাসীর অকুণ্ঠ ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করেন। আবাসিক হল ও ডাকসুর ভিপি থাকাকালেই তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একান্ত সাহচর্যে আসেন। ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে ভোলার দৌলত খাঁ-তজুমদ্দিন-মনপুরা আসন থেকে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ছিলেন ১৯৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং ‘মুজিব বাহিনী’র অঞ্চল ভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার অধিনায়কের অন্যতম। বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া ও পাবনা সমন্বয়ে গঠিত মুজিব বাহিনীর পশ্চিমাঞ্চলের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার সংগ্রামে তোফায়েল আহমেদের ভূমিকা অতুলনীয়। ১৯৭১-এ মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১০ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগরে ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ’ প্রতিষ্ঠায় তিনি ছিলেন অন্যতম সংগঠক এবং ১৯৭২-এ বাংলাদেশ গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত ও বলবৎকৃত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ‘সংবিধান প্রণয়ন প্রক্রিয়া’য় তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
১৯৭২-এর ১৪ জানুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় তাকে রাজনৈতিক সচিব নিয়োগ করেন। ১৯৭৫-এর ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এ পদে বহাল ছিলেন। ১৯৭৩-এ নিজ জেলা ভোলা থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৫-এ দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ঘোষণার পর প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতির বিশেষ সহকারী নিযুক্ত হন। তোফায়েল আহমেদ বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সফরে তার সফর সঙ্গী হন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন, অটোয়াতে কমনওয়েলথ সম্মেলন, লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি সম্মেলন, আলজেরিয়ায় অনুষ্ঠিত জোটনিরপেক্ষ সম্মেলন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন এবং জ্যামাইকায় অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগদান। এছাড়াও যুগোশ্লাভিয়া এবং ইরাক সফর করেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনকের নির্মম হত্যাকা-ের পর একই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর তোফায়েল আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘ ৩৩ মাস তিনি কারান্তরালে ছিলেন। ১৯৭৮-এ কুষ্টিয়া কারাগারে অন্তরীণ থাকা অবস্থায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন তিনি সাফল্যের সঙ্গে এই পদ অলঙ্কৃত করে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করে সামরিক শাসনবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলেন। ১৯৮৬, ’৯১ এবং ’৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে পরপর তিনবার এমপি নির্বাচিত হন। ’৯১ এবং ’৯৬-এর নির্বাচনে ভোলা-১ ও ভোলা-২ আসন থেকে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬-এ অনুষ্ঠিত নির্বাচনের গণরায়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর মহান জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের নেতৃত্ব প্রদানকারী দল আওয়ামী লীগ ক্ষমতাসীন হলে জননেত্রী শেখ হাসিনার জাতীয় ঐকমত্যের সরকারে তিনি শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। অর্পিত দায়িত্ব সাফল্যের সঙ্গে যথাযথভাবে পালন করে দেশে-বিদেশে সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেন। মন্ত্রী হিসেবে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় সম্মেলনে যোগদান করে বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত দেশগুলোর পণ্য উন্নত দেশগুলোতে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকারের অঙ্গীকার আদায়ে সফল নেতৃত্ব প্রদান করেন।
বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রত্যাবর্তনের আন্দোলনে তোফায়েল আহমেদের অবদান উল্লেখ করার মতো। যে কারণে তিনি এরশাদ আমলে চারবার এবং ১৯৯৫ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে যে আন্দোলন সংগঠিত হয় তাতে খালেদা জিয়ার আমলেও দীর্ঘদিন কারাবন্দি ছিলেন। এছাড়াও ২০০২-এ খালেদা-নিজামী জোট সরকারের শাসনামলেও তিনি কারাবন্দি হন এবং তাকে তার রাজনৈতিক জীবনে সর্বমোট সাতবার কারাগারে অন্তরীণ হতে হয়।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সাবেক সদস্য এবং সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদকে রাজনৈতিক জীবনে ব্যাপক সংগ্রাম ও বিস্তর বন্ধুর পথ অতিক্রম করতে হয়েছে। আজও তিনি তার অব্যাহত সংগ্রামী জীবনে সততা, মেধা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও বাগ্মিতা দিয়ে সকল প্রতিকূলতা অতিক্রম করে জনকলাণমূলক রাজনীতির অভিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছেন। ১৯৭৫ উত্তরকালে বাংলাদেশের রাজনীতির ক্ষেত্রে দল ও মতাদর্শ পরিবর্তনের চরিত্র অনেকের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হলেও তোফায়েল আহমেদ কখনোই প্রলোভন ও হুমকির সামনে কোনদিন মাথা নত করেননি। এমনকি ১/১১-এর পরে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও স্ত্রী-কন্যাসহ মিথ্যা মামলার আসামি হয়েছেন। কিন্তু কোনো প্রকার প্রলোভন বা হুমকির কাছে নতি স্বীকার করেননি। জেল-জুলুম-হুলিয়া তার রাজনৈতিক জীবনের প্রধান অলঙ্কার। ছাত্রাবস্থা থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনায় তিনি সততই অবিচল থেকেছেন। প্রায় পঞ্চাশ বছরের রাজনৈতিক জীবনে একই আদর্শে ও দলে ধারাবাহিকভাবে থেকে ‘রাজনৈতিক ইন্টিগ্রিটি’ বজায় রাখার নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। এলাকার রাস্তা-ঘাট, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা, মসজিদ-মন্দির ইত্যাদি শিক্ষা, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে পূর্বেকার সকল রেকর্ড অতিক্রম করেছেন এবং অনাগত দিনে গোটা ভোলা জেলাসহ স্বাধীন বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করার মহতী স্বপ্ন দেখেন তিনি।
বিগত ১ অক্টোবর ২০০১-এর নির্বাচনে চারদলীয় জোটের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকা-ের ফলে তার অনুকূলে প্রাপ্ত নির্বাচনী রায় ছিনতাই হয়। এ নির্বাচনের পর দেশব্যাপী খালেদা-নিজামীর সরকার সংখ্যালঘু জনসাধারণসহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর প্রচ- অত্যাচার-নির্যাতন করে। এর বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার হন এবং চারদলীয় জোট ও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিরোধী আন্দোলনে গুরুদায়িত্ব পালন করেন। তিনি ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুগোশ্লাভিয়া, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, সুইজারল্যান্ড, দক্ষিণ ইয়েমেন, ইরাক, মিসর, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, জাপান, ফিলিপাইন, পশ্চিম জার্মানিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সফর করেন। ২০০৮-এর ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে ভোলা-২ আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করে ২০১৪’র ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনীতি ছাড়াও ব্যক্তিগত চরিত্র ও আচরণে অমায়িক এই সংগ্রামী রাজনীতিকের পরোপকার, বদান্যতা, সাহিত্য-সঙ্গীত ও সুকুমার শিল্পের প্রতি বিশেষ আগ্রহ তার মনন ও চেতনাকে মহিমান্বিত করেছে।

শেখ রাসেলের ৫২তম জন্মদিনজাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শহীদ শেখ রাসেলের ৫২তম জন্মদিন আগামীকাল।১৯৬৪ সা...
18/10/2016

শেখ রাসেলের ৫২তম জন্মদিন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শহীদ শেখ রাসেলের ৫২তম জন্মদিন আগামীকাল।

১৯৬৪ সালের এই দিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল ধানমন্ডির ঐতিহাসিক স্মৃতি-বিজড়িত বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মানবতার শত্রু ঘৃণ্য ঘাতকদের নির্মম বুলেট থেকে রক্ষা পাননি শিশু শেখ রাসেল।

বঙ্গবন্ধুর সাথে নরপিশাচরা নিষ্ঠুরভাবে তাকেও হত্যা করেছিল। মৃত্যুকালে তিনি ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন।

শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আগামীকাল সকাল ৮টায় বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত শহীদ শেখ রাসেলসহ ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে।

পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহ ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সকাল সাড়ে ১০টা ধানমন্ডিস্থ প্রিয়াংকা কমিউনিটি সেন্টারে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। সভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

দলের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এক বিবৃতিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচি যথাযোগ্যভাবে পালন করার জন্য দলীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। একইসাথে তিনি দেশের সকল শাখা সংগঠনসমূহকেও অনুরূপ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা আগামীকাল সকাল সাড়ে ১০ টায় মিরপুরস্থ জাতীয় প্রতিবন্ধি উন্নয়ন ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরজ্জামান আহমেদ।

Photo: Yeasin Kabir Joy

"শুভ শুভ শুভদিন, সামন্ত দেব শাওন এর জন্মদিন" বঙ্গব্ন্ধু অাইন ছাত্র পরিষদ, কুমিল্লা জেলা শাখার সংগ্রামী সহ-সভাপতি সামন্ত ...
11/10/2016

"শুভ শুভ শুভদিন, সামন্ত দেব শাওন এর জন্মদিন" বঙ্গব্ন্ধু অাইন ছাত্র পরিষদ, কুমিল্লা জেলা শাখার সংগ্রামী সহ-সভাপতি সামন্ত দেব শাওন এর জন্মদিনে জানায় অান্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিন্দন। অাগামী দিনগুলী হউক অানন্দ ও শুভময়।

বঙ্গব্ন্ধু অাইন ছাত্র পরিষদ, কুমিল্লা জেলা শাখার সংগ্রামী সিনিয়র সহ-সভাপতি রাসেল অাহাম্মদ ভূইয়ার জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও অভ...
09/10/2016

বঙ্গব্ন্ধু অাইন ছাত্র পরিষদ, কুমিল্লা জেলা শাখার সংগ্রামী সিনিয়র সহ-সভাপতি রাসেল অাহাম্মদ ভূইয়ার জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও অভিন্দন।অাগামী দিনগুলি হউক অারো সুন্দরও অানন্দময়।

বুড়িচং উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জনাব সাজ্জাদ হোসেন স্বপন কুমিল্লা(দ:)জেলা অাওয়ামীলিগের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক নিবাচ...
28/07/2016

বুড়িচং উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জনাব সাজ্জাদ হোসেন স্বপন কুমিল্লা(দ:)জেলা অাওয়ামীলিগের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক নিবাচিত হওয়ায়, অাজকে বঙ্গব্ন্ধু অাইন ছাত্র পরিষদ, কুমিল্লা জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা ও সংগ্রামী সিনিয়র সহ-সভাপতি রাসেল অাহাম্মদ ভূইয়া এর নেতৃতে ফুলের শুভেচ্ছা জানান।উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম কমান্ড, চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক অাশিকুর রহমান সবুজ(সাবেক ছাত্র নেতা),দ:জেলার মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা শিল্পী অাক্তার, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান,গোলাম হাওদার চৌধুরী,সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শহিদুল্লা মামুন,সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক তানবির মুজাহিদ মিশু,সদস্য সচিব শওকত খান প্রমুখ। (চবি সংগ্রহ কুমিল্লার কাগজ)।২৮।৭।২০১৬ইং।

26/07/2016

বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের উপদেষ্টা ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম কমান্ডের, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক অাশিকুর রহমান সবুজ(সাবেক ছাত্র নেতা) ভাইকে নিয়ে বাজে কথার তীব্র নিন্দা জানাই। এগুলো কোন ভাল মানুষের কাজ নয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোঃ সফিকুর রহমানের সুযোগ্য সন্তান সবুজ ভাইকে সবাই ভাল করে চিনে। উনাদের মত উদারমনা মানুষদের কাছে পেয়ে সত্যি আমরা গর্বিত। খুবই সৎ , অমায়িক আর ভাল মানুষ উনারা। জয় বাংলা,জয় বঙ্গব্ন্ধু, জয় হউক অাশিকুর রহমান সবুজ ভাইয়ে।

বঙ্গব্ন্ধু অাইন ছাত্র পরিষদ, কুমিল্লা জেলা শাখার একটি টিম, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে চিকিৎসারত বীরমুক্তিযুদ্ধাদের ক...
22/07/2016

বঙ্গব্ন্ধু অাইন ছাত্র পরিষদ, কুমিল্লা জেলা শাখার একটি টিম, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে চিকিৎসারত বীরমুক্তিযুদ্ধাদের কে দেখতে যান।উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম কমান্ড, কেন্দীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক অাব্দুল হালিম খন্দকার, চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক অাশিকুর রহমান সবুজ(সাবেক ছাত্র নেতা), কুমিল্লা(উ:) এর অাহব্বায়ক রবিউল ইসলাম(টুলু), সভাপতি মো: সুমন,সিনিয়র সহ-সভাপতি রাসেল অাহাম্মদ ভূইয়া, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক নূরে অালম,যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান,সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শহিদুল্লা মামুন,সহ অারো অনেকে।

Address

Paduar Bazar Bishawroad
Cumilla
3500

Telephone

01949821985

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদ, কুমিল্লা জেলা। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share