অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম

অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম অ্যাডভোকেট ও লিগ্যাল কনসালটেন্ট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, চট্টগ্রাম।
মোবাইল নং- 01645 295051

21/01/2026
14/11/2025

অচেনা মানুষের ভিডিও কল না ধরা, অজানা মেসেজ লিংকে ক্লিক না করা এবং অপরিচিত লোককে কলে কোন তথ্য না দেয়াটা বড় ধরণের সাইবার সুরক্ষা।

এক গ্রামে এক যুবক আর তার সুন্দরী স্ত্রী বাস করত। একদিন গ্রামের মোড়লের নজর পড়ে যুবকের স্ত্রীর প্রতি।মোড়ল মনে মনে ফন্দি...
27/10/2025

এক গ্রামে এক যুবক আর তার সুন্দরী স্ত্রী বাস করত। একদিন গ্রামের মোড়লের নজর পড়ে যুবকের স্ত্রীর প্রতি।

মোড়ল মনে মনে ফন্দি আঁটে, কীভাবে যুবকটিকে কিছুদিনের জন্য বাড়ি থেকে দূরে পাঠানো যায়।

কয়েকদিন পর এক আসরে মোড়ল আলোচনা তোলে, "শহরে আমার পরিচিত এক ফ্যাক্টরিতে কিছু লোক নেবে। কে কে যেতে চাও?"

এরপর সে ৪ জন লোক বাছাই করে, যার মধ্যে যুবকটিও ছিল। পরদিন ওই ৪ জন শহরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

সেদিন রাতে মোড়ল চুপিচুপি যুবকের বাড়ির দিকে এগোয়। অন্ধকার বারান্দায় বাঁশের খুঁটিতে ধাক্কা খেয়ে সে শব্দ করে ফেলে। যুবকের স্ত্রীর ঘুম ভেঙে যায়। ভয় পেয়ে সে জিজ্ঞাসা করে, "কে ওখানে?"

মোড়ল নিজের পরিচয় দিলে মেয়েটি অবাক হয়ে বলে, "এত রাতে? সবকিছু ঠিক আছে তো?"

মোড়ল তখন নিজের আসল উদ্দেশ্য প্রকাশ করে, "তোমাকে দেখার পর থেকে মনে শান্তি নেই! তোমাকে আমি চাই।"

মেয়েটি একটুও রাগে না। স্বভাবজাত ধীরস্থির কণ্ঠে বলে, "ভালোবাসা চাইলে ঠিক আছে, তবে আগে আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দিন। যদি সঠিক উত্তর দিতে পারেন, তবে আপনার মনের ইচ্ছা পূরণ হবে।"

মোড়ল খুশি হয়ে বলে, "বলো, বলো!"

মেয়েটি তখন বলে, "মাংসকে নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করতে আমরা লবণ ব্যবহার করি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, লবণই যদি নষ্ট হয়, তাহলে মাংসকে পচন থেকে রক্ষা করব কীভাবে?"

মোড়ল গভীর চিন্তায় ডুবে যায়। একদিন একরাত পেরিয়ে যায়, কিন্তু সে কোনো উত্তর খুঁজে পায় না। পরের দিন আসরে সে সবার উদ্দেশ্যে প্রশ্নটি করে, কিন্তু কারো কাছ থেকেই সন্তোষজনক কোনো উত্তর আসে না। আসরের এক কোণে এক বৃদ্ধ চুপচাপ বসে মাথা নাড়ছিল। মোড়ল তাকে জিজ্ঞেস করে, "কি ব্যাপার, আপনি অকারণে মাথা নাড়ছেন কেন?"

বৃদ্ধ উত্তর দেয়, "কারণ, এটা কেবল একটা প্রশ্ন নয়, এটা একটি নীরব বার্তা! পুরো ঘটনাটা আমি জানি, মেয়েটি আমাকে সবকিছু খুলে বলেছে। সে চাইলে তোমাকে অপমান করতে পারত। কিন্তু তা না করে তোমার বিবেক জাগিয়ে দিল।"

তারপর বৃদ্ধ ব্যাখ্যা করে, "লবণ মাংসকে পচে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। কিন্তু লবণ যদি নিজেই নষ্ট হয়ে যায়, তবে মাংসকে রক্ষা করবে কে? অর্থাৎ, সাধারণ মানুষ ভুল করলে নেতা তাদের সঠিক পথ দেখায়, কিন্তু নেতা যদি নিজেই বিপথগামী হয়, তখন জনগণকে কে রক্ষা করবে?"

মোড়ল লজ্জায় মাথা নিচু করে।

পিতা-মাতা যদি বিপথে যায়, কে সন্তানকে পথ দেখাবে? যদি শিক্ষক পথ হারায়, কে জ্ঞানের আলো ছড়াবে? যদি বিচারক, নেতা, সেনাবাহিনী, পুলিশ পথভ্রষ্ট হয়, কে জাতিকে রক্ষা করবে?

সংগৃহীত

গুলিস্থান ফ্লাইওভারের নিচে পুরাতন জুতার মার্কেট বসে। প্রথম যখন দেখেছিলাম তখন অবাক না হয়ে পারি নি। বিস্ময়কর বিষয় সেখানে...
05/06/2025

গুলিস্থান ফ্লাইওভারের নিচে পুরাতন জুতার মার্কেট বসে। প্রথম যখন দেখেছিলাম তখন অবাক না হয়ে পারি নি। বিস্ময়কর বিষয় সেখানে মেয়ে বা বাচ্চাদেরদের পুরাতন জুতা নাই/বিক্রয়ও হয় না।

এক দোকানীর সাথে এই ব্যাপারে কথা বললাম, দোকানী বললো " মামা মেয়েদের বা বাচ্চাদের পুরাতন জুতা বিক্রি করলে কে কিনবে.?
আপনিকি কিনবেন কখনো? কোন স্বামী বা বাবা নিজে পুরাতন জুতা কিনে পরলেও নিজের স্ত্রী-সন্তানের জন্য কোন দিন পুরাতন জুতা কিনবে না, কেনা পছন্দ করবে না। অনেক স্বামী ও বাবাকে নিজের জন্য পুরাতন জামা-কাপড় কিনতে দেখেছি কিন্তু স্ত্রী-সন্তানদের জন্য পুরাতন জামা-কাপড় ও জুতা কিনতে দেখিনি কখনো।

ভেবে দেখলাম কথা সত্য, স্ত্রী ও সন্তানরা হয়তো এভাবে কোনোদিন ভাববেও না!!
পুরুষ পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে রাতদিন খেটে যায়, সেই পুরুষই দিনশেষে কি পায়?

( সংগৃহীত )

06/05/2025
ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন ১টি গাধাকে ১জন সৈনিক পিঠে তুলে নিয়েছে! মূলত: এই ছবিটির মধ্যে কোন ভালোবাসা লুকিয়ে নেই!যদি গাধাটি ভু...
09/04/2025

ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন ১টি গাধাকে ১জন সৈনিক পিঠে তুলে নিয়েছে!

মূলত: এই ছবিটির মধ্যে কোন ভালোবাসা লুকিয়ে নেই!

যদি গাধাটি ভুল পথে হেঁটে যেত, তবে এটি ওখানে পেতে রাখা লুকানো মাইনগুলো Biস্ফোরণে সবাইকে বিপদে ফেলে দিত!
তাই বলা হচ্ছে নিজের চারপাশের গাধাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করুন, যেন আপনি নিজেকে এবং আপনার প্রিয়জনকে মুক্তি দিতে পারেন।

©

চিনির পরিবর্তে আমরা কী খাচ্ছি জানেন? মেগনেসিয়াম সালফেট এটি খেলে "এমন কোনো রোগ নাই যা আমাদের হবে না" শুনুন তাহলে বিষ+বিষ ...
30/03/2025

চিনির পরিবর্তে আমরা কী খাচ্ছি জানেন? মেগনেসিয়াম সালফেট এটি খেলে "এমন কোনো রোগ নাই যা আমাদের হবে না" শুনুন তাহলে বিষ+বিষ এর ভয়াবহ কাহিনী যা আমদের খাওয়ানো হচ্ছে। নিষিদ্ধ ঘন চিনি (সোডিয়াম সাইক্লামেট) হাজার হাজার টন আমদানি হয়ে দেশে ঢুকছে কিভাবে? অনেক দিনের চেষ্টায় ক্লু পেয়ে গেলাম বণিক বার্তা পত্রিকার এক সংবাদে।

সাইট্রিক এসিড নামে আমদানি হচ্ছে এই বিষ। দেয়া হচ্ছে, মিষ্টি, বেকারি আইটেম, আইসক্রিম, বেভারেজ, জুস, চকোলেট, কন্ডেন্সড মিল্ক প্রভৃতি মিষ্টি জাতীয় খাদ্য দ্রব্যে। চিনির চেয়ে প্রায় 50গুণ বেশি মিষ্টি এই ঘন চিনি পৃথিবীর অনেক দেশেই নিষিদ্ধ। ক্যান্সার, কিডনি বিকল, হজম শক্তি হ্রাস সহ নানাবিধ জটিল রোগের সৃষ্টি করতে পারে এই চিনি।সাইট্রিক এসিড এর মত দেখতে হুবহু এক রকম বলে অসাধু ব্যবসায়ীরা অতি সহজেই সাইট্রিক এসিড নামে ও কোডে ঘন চিনি আমদানি করছে।

ঢাকার মিটফোর্ড থেকে বের করলাম আরও এক নামে ঘন চিনি আমদানি হচ্ছে। সোডিয়াম সাইট্রেট দেখতেও ঘন চিনির মত দেখতে। সাইট্রিক এসিড এবং সোডিয়াম সাইট্রেট নামে আসছে নিষিদ্ধ বিষ ঘন চিনি। বণিক বার্তার সাংবাদিক ভাই খবর দিলেন মিটফোর্ডে দুই রকম ঘন চিনি বিক্রি হয়। একটা পিউর অন্যটা ভেজাল মিশ্রিত। পিউর ঘন চিনি কেজি ২২০ টাকা হলে ভেজাল ঘন চিনি ১৪০ টাকা কেজি। মাথাটা ঘুরে গেল!! বিষের সাথে বিষ! সেখানে সংবাদ নিলাম কম দাম বিধায় এই ভেজাল ঘন চিনির বিক্রি সর্বাধিক।

সবাই গাড়ি ভর্তি করে এই ভেজাল ঘন চিনি নিয়ে যায় বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যে দেয়ার জন্য। ভেজাল মিশাতে হলে তো ঘন চিনির মতই অন্য কোন একটি দ্রব্য মেশাতে হবে, যার দাম হবে খুব কম এবং মিষ্টি অথবা টেস্টলেস হতে হবে। কি হতে পারে তা?? দুই দিন ঘুমাতে পারিনি। সমানে পারমুটেশন কম্বিনেশন করতে লাগলাম। কি সেই আইটেম? কেউ বলে না। গুগলে ঘন চিনির ছবি বের করে তার সাথে মিল রেখে খুঁজতে লাগলাম আইটেম। হটাত মাথার মধ্যে বিদ্যুৎ চমকে উঠল। প্রথমে বিশ্বাস হচ্ছিল না, কি করে সম্ভব!! আমার এক ভাই সার (ফার্টিলাইজার) বিক্রি করে।

তাকে বললাম, “চিনির মত দানাদার সার কি আছে রে?” ইউরিয়া? না ইউরিয়া গোলাকার এবং খুব খারাপ স্বাদ। আর কি আছে? আচ্ছা ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার? ভাই আমার লাফ দিয়ে উঠল!! হ্যাঁ ভাই, ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার দেখতে চিনির মত দানাদার, দাম কম ১৫/২০ টাকা কেজি এবং স্বাদহীন।এবার আমি লাফ দিয়ে উঠে গুগলে ছবি দেখলাম। ঘন চিনি এবং ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার দেখতে একই রকম। বিশ্বাস হচ্ছিল না,

যে আমাদের সার খাওয়াচ্ছে আর একটি বিষের সাথে। সেই সাংবাদিক ভাইয়ের দ্বারা মিটফোর্ড থেকে ভেজাল এক কেজি সার কিনে আমি সরকারীভাবে চিঠি দিয়ে ১০০ গ্রাম নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠালাম সরকারী ল্যাব (সারের জন্য) খামার বাড়ির মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউটে। ঘুম হারাম হয়ে গেল আমার টেনশনে। রিপোর্ট পেলাম সেই ঘন চিনির নমুনায় ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার পাওয়া গেছে। যা সন্দেহ করেছি তাই।

সেই সার মিশ্রিত ঘন চিনির প্যাকেট বা নমুনা না দেখেই এত হাজার লাখ আইটেমের মধ্যে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার কিভাবে নির্বাচিত করলাম, তা সত্যিই হবাক হবার বিষয়!! কয়েকজন বিজ্ঞানী রসায়নবীদকে জিজ্ঞাস করলাম, সার খেলে কি হয়? তাঁরা হতবাক হয়ে গেলেন। কেন সার খাবেন কেন? আমি বললাম, যদি খাই। ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সার সাথে ঘন চিনি!!

হেসে তাঁরা উত্তর দিলেন, "ভাই আপনার শখ লাগলে আপনি খান। তবে দুনিয়ার কোন অসুখ থেকে বাদ যাবেন না এবং প্রথম শেষ হবে বাচ্চারা"। নানা ধরণের মিষ্টি জাতীয় খাদ্যে দীর্ঘদিন ধরে এক বিষ ঘন চিনির সাথে আর এক বিষ রাসায়নিক সার ম্যাগনেসিয়াম সালফেট খেয়ে আমাদের পরিণতি কি হচ্ছে??

পৃথিবীর কোথাও আছে মানুষকে সার খাওয়ানোর উদাহরণ?? কোথায় আছি আমরা? কোথায় আমাদের গন্তব্য? কে আমাদের বাঁচাবে, বাঁচাবে আমাদের সন্তানদের?
(সংগৃহীত)

শিশুকে ছোট থেকে শাসন করা এবং সুশিক্ষা দেওয়া দুইটা দুই রকমের জিনিস।অতিরিক্ত শাসন করতে নিষেধ করা হয় তবে সুশিক্ষা দিতে তো ম...
29/03/2025

শিশুকে ছোট থেকে শাসন করা এবং সুশিক্ষা দেওয়া দুইটা দুই রকমের জিনিস।অতিরিক্ত শাসন করতে নিষেধ করা হয় তবে সুশিক্ষা দিতে তো মানা নেয়।

যে মা-বাবা নিজে গোছানো তিনি অবশ্যই সন্তানদেরও গুছানো কাজ শিখান।

অনেকে বলে,সারাদিন বাচ্চা আকাবুকি করবে, খেলনা ছড়াবে, সব মেঝেতে পড়ে থাকবে। তাকে যেন ডাক দেয়া না হয়।

কেন?

খেলনা যখন খেলা শেষ হয়ে যাবে একটা কর্নারে ঝুরি থাকলে সে ওখানে রেখে দিবে। মা শিখিয়ে দিবেন। বাচ্চা শিখতে না চাইলে মা বাচ্চার সামনে দেখিয়ে দেখিয়ে গুছাবেন।যেন বাচ্চা সেটা দেখে তার ভিতরেও সেটা আসে।

আঁকা বুকির জন্য সব দেয়ালেই কেনো?
তাকে একটা স্লেট দেয়া যেতে পারে। খাতা ,কাগজ অথবা বোর্ড দেওয়া যেতে পারে।বা যখন দেয়ালে আকবে তখন মা মুছবেন বাচ্চাকে সহ সাথে নিয়ে। এতে তার মধ্যে খানিক হলেও সহমর্মিতা আসবে।

শিশুরা কিছু বুঝে না।এই কথাটা
টোটালি ফালতু একটা কথা, ১ বছর পার হয়ে গেলেই সবকিছু অল্প অল্প বুঝতে শুরু করে হয়তো প্রকাশ করতে পারে না।

অনেকে বলে ছোট মানুষ ছেড়ে দাও,বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে।বিশ্বাস করুন এটা প্রায় সময়ই মিলেনা।যে বাচ্চারা ছোটবেলা থেকে রাগ,জেদ,স্বার্থ হাসিল,সবকিছু নিজের করে পাওয়ার প্রব'নতা নিয়ে বড় হয়,তারা দেখবেন বড় হতে হতে বিষয়টা আরও বড় পর্যায়ে চলে যায়।তারা বড় হয়ে স্বার্থপর,জেদি হয়ে উঠে।হয়তো কিছু বাচ্চা বড় হতে হতে চেঞ্জ ও হতে পারে।তবে তার গ্যারান্টি দেওয়া যায়না।

বাচ্চা ছোট বেলায় ভুল করলে তাকে সঠিক শিখাবেন না কেন? এখন ও তো সবকিছু ঠিক করে আস্তে আস্তে শিখানো যায়।
কিন্তু না...

কিছু মা আছেন যারা বাচ্চাকে ভুল করতে দেখলেও,অন্য বাচ্চাকে মা'রতে দেখলেও, বেড়াতে গেলে তাদের ঘরের জিনিসপত্র ন'ষ্ট করতে দেখলেও দেখেই থাকে।একটা সিঙেল ডাক পর্যন্ত দেয়না।

Well trained একদিনে হয় না।
কিন্তু অতিরিক্ত দূরন্ত বাচ্চা কেউ পছন্দ করে না।

অমনি পর্দা ধরে ঝুলবে,
দেয়ালে একে দিলো,
বিছানায় খেতে বসে ঝোল পানি সবকিছু ফেলে দিলো।
মেঝেতে ফেলে একাকার।

না ভাই, এটা অনেকের পক্ষে সম্ভব না এত আপ্যায়নের পর আবার মেহমান বিদায় দিয়ে এগুলা পরিস্কার করার।

একটা বাচ্চার সাইকেল নিয়ে অন্য বাচ্চা যা তা অবস্থা, মা গুলা চুপ। চরম বিরক্ত লাগে।
বাচ্চা নাকি কথা শোনে না।
তা না শুনলে বাপু বাসায় বেড়াতে আসতে হয় কেনো?বেশি দুষ্টু ,কথা শুনেনা তো বাসায় ই থেকে যেতেন।

কোথায় যাবেন তাহলে? যারা বাচ্চাদের বেয়ারামি পছন্দ করে,
বাসার দেয়ালে উল্টা পাল্টা ছবি আকলেও কিছু বলে না সেখানে যাবেন।

বাচ্চা কথা শুনে না, এটা একান্ত ট্রেইনিং এর একটা পার্ট।
আজকে শুনবে না, কালকে শুনবে না, কিন্তু শুনবে একসময়।
কারো বাসায় গেলে তবদা মেরে থাকবেন না।

বাচ্চারা অন্যদের ড্রয়ার কেনো ঘাটবে?
সাথে সাথে বাঁধা দিন।

প্রতি টা মানুষের কাছে বাসাটা একটা প্রাইভেসি থাকে।
সেখানে কেউ গিয়ে এলোমেলো করুক
কারোর ই কাম্য না।

নিজের বাচ্চা দুষ্টুমি করে না?
হ্যা করে কিন্তু ভুল দেখলে মানা করা হয়।

মনে কষ্ট না নিয়ে বাচ্চাকে ট্রেইন করুন। ছোট থেকেই গ্রো আপ করান।
অনেকেই বলবেন, উনার বাসায় যাবো না বাচ্চা দেখতে পারে না।
শুনুন, আপনি না আসলে তাদের কিছু আসবে যাবে না। দিন যেমনে চলছে চলবে।

সারমর্ম - সন্তান কে ঘর থেকেই শিখাতে হবে। বড় হয়ে শিখবে এসব ওর সামনে বলা যাবে না। এটা বললে বাচ্চা প্রশ্রয় পেয়ে যাবে।বাইরে কারো বাসায় গেলে চোখে চোখে রাখুন। তাদের শখের জিনিস যেন ন'ষ্ট না করে।

বেবি-টাইমস-স্ট্যাশন

14/03/2025
দায়িত্বের বোঝা কাঁধে নিয়ে আমৃত্যু ছুটে চলার নাম পুরুষ
05/03/2025

দায়িত্বের বোঝা কাঁধে নিয়ে আমৃত্যু ছুটে চলার নাম পুরুষ

বেঁচে থাকাটাই আসলে আশ্চর্য ! সকালে ঘুম থেকে উঠে কোলগেট পেস্ট নিলাম-তার মধ্যে ক্যান্সারের উপাদান!তারপর নাস্তায় পরোটা খাই...
04/03/2025

বেঁচে থাকাটাই আসলে আশ্চর্য !

সকালে ঘুম থেকে উঠে কোলগেট পেস্ট নিলাম-তার মধ্যে ক্যান্সারের উপাদান!

তারপর নাস্তায় পরোটা খাইলাম- তার মধ্যে অ্যামোনিয়ার তৈরি সল্টু মিশানো!

তারপর কলা খাইলাম - কার্বাইড দিয়ে পাকানো!

তারপর কফি নিলাম - এতে তেঁতুলের বিচির গুড়া মিশানো!

তারপর বাজারে গেলাম টাটকা শাক সবজি কিনলাম-
কপার সালফেট ছিটায়ে সতেজ করা, হাইব্রিড সার দিয়ে ফলানো!

মসলা আর হলুদের গুড়া নিলাম - লেড এবং ক্রোমাইট ক্যামিকেল মিশানো!

গরমের দিন বাসায় এসে তরমুজ খাইলাম - পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট দিয়ে লাল করা!

আম এবং লিচু বাচ্চাকে দিলাম খেতে - কার্বাইড দিয়ে পাকানো এবং ফরমালিন দিয়ে সংরক্ষিত!

দুপুরে ভাত খাবো - ইউরিয়া দিয়ে সাদা করা!

মুরগী নিলাম প্লেটে- ক্রমাগত এন্টিবায়োটিক দিয়ে বড় করা!

সয়াবিন তেলে রান্না সব - ভিতরে অর্ধেক পাম অয়েল মেশানো!

খাওয়ার পর মিষ্টি জিলাপি নিলাম - পোড়া মবিল দিয়ে মচমচে করা!

রোজা থাকলে সন্ধ্যায় রুহ আফযা নিলাম - ক্যামিকেল আর রং ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি পরীক্ষায়!

খেজুর খাইলাম - বছরের পর বছর স্টোরেজে ফরমালিন দিয়ে রেখেছিলো!

সরিষার তেল দিয়ে মুড়ি মাখানো খাইলাম- মুড়ি ইউরিয়া দিয়ে ফুলানো আর সাদা করা এবং সরিষার তেলে ঝাঁঝালো ক্যামিকাল মিশানো!

রাতে আবার একই বিষ ডবল খাইলাম!

ঘুমানোর আগেও বাদ যাবেনা। গরম দুধ আর হরলিক্স খাইলাম- গাভীর পিটুইটারি গ্রন্থিতে ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর অতিরিক্ত দুধ দোওয়ানো হয়, এরপর ইউরিয়া মেরে সাদা করা হয়।আর হরলিক্সে পরীক্ষা করে ক্যামিকাল ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি!

এত ভেজাল খেয়ে দু একটা ঔষধ না খেলে তো শরীর টিকবেনা। ৭০ ভাগ ঔষধ কোম্পানি দেশে মান সম্মত ঔষধ তৈরি করেনা।

এইসব খাওয়ার পর ভাবতেছি, কেমনে বেঁচে আছি!..মানুষের ঈমান তো নাই নাই, দুর্নীতির ভিতরেও এরা দুর্নীতি করে। আসলে আমরা কেউই বেঁচে নাই।


ভালো লাগলে শেয়ার করবেন পোস্ট টা।

বাবাকে বুঝতে একটা জীবন লেগে যায়!৪ বছর বয়সে: আমার বাবা সেরা!৬ বছর বয়সে: বাবা সবাইকে চেনে।১০ বছর বয়সে: বাবা ভালো, কিন্তু এ...
03/03/2025

বাবাকে বুঝতে একটা জীবন লেগে যায়!

৪ বছর বয়সে: আমার বাবা সেরা!
৬ বছর বয়সে: বাবা সবাইকে চেনে।
১০ বছর বয়সে: বাবা ভালো, কিন্তু একটু কঠোর।
১২ বছর বয়সে: বাবা ছোটবেলায় অনেক ভালো ছিলেন।
১৪ বছর বয়সে: বাবা কেমন জানি বদলে যাচ্ছেন।
১৬ বছর বয়সে বাবা কিছুই বোঝে না।
১৮ বছর বয়সে: বাবা দিন দিন আরও কঠোর হচ্ছেন।
২০ বছর বয়সে: বাবার ব্যবহার সহ্য করা কঠিন! মা কিভাবে সহ্য করতেন?
২৫ বছর বয়সে: বাবা সবকিছুতেই মতের বিবোধ করেন।
৩০ বছর বয়সে: বাবার সাথে একমত হওয়া খুব কঠিন। দাদাও কি বাবাকে এভাবেই দেখতেন?
৩৫ বছর বয়সে: বাবা আমাকে নিয়মের মধ্যে বড় করেছেন, আমাকেও আমার সন্তানদের তাই শেখাতে হবে।
৪০ বছর বয়সে; বাবা এত কষ্ট করে আমাদের বড় করেছেন,

আমি বুঝতে পারছি!

৪৫ বছর বয়সে: আমার সন্তানদের সামলানো কঠিন, বাবা কত কষ্ট করেছেন আমাদের ঠিক পথে রাখতে!

৫০ বছর বয়সে: বাবা সবকিছু দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করতেন, তিনি ছিলেন দয়ালু ও বিশেষ একজন মানুষ। সত্যিই, আমার বাবা সেরা। এই পুরো চক্রটি শেষ হতে ৫০ বছর লেগেছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা আবার প্রথম জায়গায় ফিরে যাই- 'আমার বাবা সেরা! "যাদের বাবা বেঁচে আছেন, তাদের সম্মান করুন, ভালোবাসুন। আর যাদের বাবা নেই, আল্লাহর কাছে দু'আ করুন যেন তিনি তাদের ক্ষমা করেন ও শান্তি দেন।আমরা চাই, আমাদের সন্তানরা যেন আমাদের আরও ভালোবাসে ও সম্মান করে, যেমনটা আমরা আমাদের বাবাকে করেছি বা করতে পারিনি।

বই: মা-বাবার সঙ্গে সদাচারের গল্প।

Address

Chittagong
Chittagong
4376

Telephone

+8801812722592

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম:

Share