30/08/2026
# #সমালোচকদের_অভিনন্দন
যখনই আমার কোনো বড় এচিভমেন্ট আসে, অথবা আমি কোনো বড় অর্জনের দিকে এগিয়ে যাই ঠিক তখনই হিংসার অ্যালার্জিতে অস্বস্তিতে ভোগে আমার ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বীর অর্থে পরিচালিত সেই হলুদ সাংবাদিকতার চক্র।
যারা আমার কাছে নগদ তিন লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেছিল যার ভিডিও প্রমাণ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে, তাদের মধ্যে আবারও সেই অ্যালার্জি নতুন করে জেগে উঠেছে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের লাইফটাইম মেম্বারশিপ অর্জনের পর।
আমার এচিভমেন্ট নিয়ে উল্টাপাল্টা কিছু না লিখলে যেন তাদের ঘুমই আসে না! তিন লক্ষ টাকা না পাওয়ার সেই কষ্টটা বোধহয় এখনো কাটেনি। তাদের অবস্থা দেখলেই মমতাজের গানটা মনে পড়ে যায়,
#ফাইটা_যায়_বুকটা_ফাইটা_যায়! 😄
আর একটা বিষয় পরিষ্কার করে বলতে চাই
এই পোস্টের সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি ছবি একটি নির্দিষ্ট সময়, ব্যক্তি ও অনুষ্ঠানের বাস্তব উপস্থিতির প্রমাণ বহন করে। ছবিগুলোকে নিজেদের মতো করে ব্যাখ্যা করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা না করে, ছবির প্রেক্ষাপট ও বাস্তবতা যাচাই করুন।
দেখবেন, এসব তথাকথিত সাংবাদিকতার আড়ালে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ নতুন কিছু নয়। সাংবাদিক অঙ্গনেও তাদের নিয়ে নানা আলোচনা রয়েছে।
এই ধরনের চক্র থেকে সবাই সতর্ক থাকবেন।
# # #আরও একটি বিষয় না বললেই নয়
আমি চট্টগ্রামে হাজার হাজার মানুষকে উদ্যোক্তা ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণ দিয়েছি। সেখানে কে কী বিক্রি করে, কী ব্যবসা করে কিংবা কীভাবে পরিচালনা করে সেটি সম্পূর্ণ তাদের নিজস্ব বিষয়।
একজন মানুষ শত শত কাজ করলে তার অজান্তে একটি কাজে ভুল হতেই পারে। কারও কোনো ভুল বা অনিয়ম থাকলে তার বিরুদ্ধে সরাসরি প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
কিন্তু সেটিকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার, ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা চাঁদাবাজির চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
যে কিছুই করে না, তার ভুলও হয় না।
আর যে কাজ করে, তার ভুল হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।
# # #আর ছবির রাজনীতি নিয়ে
আমি সমাজসেবা, মানবাধিকার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন মানুষের আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছি। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে ছবি থাকতেই পারে।
কারও সঙ্গে একটি ছবি থাকা মানেই তার রাজনৈতিক পরিচয় ধারণ করা নয়।
বর্তমানে অনেক মানুষের সঙ্গেই আমার ছবি আছে। তার মানে এই নয় যে, ছবি থাকা ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় আমি ধারণ করেছি কিংবা আমি কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের হয়ে গেছি।
এই সাধারণ কমনসেন্সটুকুও যাদের নেই, তারাই ছবি ও ঘটনাকে নিজেদের মতো করে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে।
আর সত্যি বলতে, এসব বিষয়কে সামনে রেখে যারা নিয়মিত চাপ সৃষ্টি কিংবা অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেছে তাদের উদ্দেশ্য এখন আর কারও অজানা নয়।
তবে তাদের আবারও অভিনন্দন জানাই।
কারণ তাদের সমালোচনা, অপপ্রচার ও বিরোধিতাই আমাকে আরও শক্ত হতে শিখিয়েছে এবং সফলতার পথে আরও এগিয়ে দিয়েছে।
আশা রাখছি, তারা এভাবেই আমাকে আরও বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।
সমালোচনা করুন কিন্তু সত্যের ভিত্তিতে।
প্রশ্ন করুন কিন্তু প্রমাণসহ।
অন্যায় দেখলে প্রশাসনকে জানান চাঁদাবাজি বা অপপ্রচার নয়।
সত্য একদিন না একদিন সামনে আসবেই।