উকিল মশায়/ukil Moshai

উকিল মশায়/ukil Moshai হাসি-ঠাট্টায় ভরা উকিল জীবনের গল্প! �� #উকিলমশায়

14/02/2026

“ব্যাংক কোম্পানি (সংশোধন) আইন, ২০২৩–পরবর্তী সিআইবি কাঠামো: দায়বদ্ধতা, অযোগ্যতা, পরিচালক ও জামিনদারের অবস্থান এবং প্রতিকারব্যবস্থা”

ভূমিকা: ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো সিআইবি ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ঋণখেলাপি কমানো এবং ব্যাংকিং খাতে আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা। সময়ের সঙ্গে সিআইবি বাংলাদেশের ঋণঝুঁকি ব্যবস্থাপনার কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডারে পরিণত হয়েছে।

ব্যাংক কোম্পানি (সংশোধন) আইন, ২০২৩ সিআইবি কাঠামোকে আরও কঠোর ও স্পষ্ট করেছে। এতে খেলাপির শ্রেণিবিভাগ, ব্যাংকের বাধ্যতামূলক রিপোর্টিং, পরিচালক ও জামিনদারের ব্যক্তিগত দায়, প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক অযোগ্যতা এবং প্রতিকারব্যবস্থা সুসংহতভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

১. সিআইবি’র প্রকৃতি ও কার্যকারিতা: সিআইবি একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেস, যেখানে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের ঋণসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষিত থাকে। কোনো ঋণ অনুমোদনের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সিআইবি রিপোর্ট সংগ্রহ করতে হয়। এতে প্রতিফলিত হয়—
• মোট দায়
• কিস্তি পরিশোধের ইতিহাস
• খেলাপি অবস্থা
• অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ঋণ এক্সপোজার

এই পূর্ব-পর্যালোচনা পদ্ধতি ঋণ বিতরণের ঝুঁকি কমায়, প্রক্রিয়ার সময় সংক্ষিপ্ত করে এবং পরবর্তী খেলাপির হার হ্রাস করে।

২. খেলাপির আইনগত শ্রেণিবিভাগ: সংশোধিত আইনে দুই ধরনের খেলাপি নির্ধারণ করা হয়েছে।

ক. সাধারণ ঋণখেলাপি

ধারা ৫ (গগ) অনুযায়ী, কোনো ঋণ বা আর্থিক সুবিধা ছয় মাস বা তার বেশি সময় বকেয়া থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপি হিসেবে গণ্য হবে। সাধারণত ব্যবসায়িক ক্ষতি, আর্থিক সংকট বা অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতির কারণে এমন খেলাপি ঘটে।

খ. ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি

ধারা ৫ (কককক) অনুযায়ী, নিম্নলিখিত অবস্থায় একজনকে ইচ্ছাকৃত খেলাপি ধরা হবে—
• পরিশোধের সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ পরিশোধ না করা
• নিজের বা প্রতিষ্ঠানের জন্য নেওয়া ঋণ ইচ্ছাকৃতভাবে ফেরত না দেওয়া
• জালিয়াতি, প্রতারণা বা ভুয়া তথ্য দিয়ে ঋণ গ্রহণ করা

ইচ্ছাকৃত খেলাপির ক্ষেত্রে নৈতিক ও আইনগত কঠোরতা বেশি।

৩. ব্যাংকের বাধ্যতামূলক রিপোর্টিং ও জরিমানা: ধারা ২৭খা অনুযায়ী, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে খেলাপির তালিকা বাধ্যতামূলকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রেরণ করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ে তালিকা না পাঠালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকা থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে।

তবে আইন একই সঙ্গে সতর্ক করেছে যে, নাম প্রেরণে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ভুল বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে কারও নাম অন্তর্ভুক্ত করলে তা ব্যবসা ও সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই বাংলাদেশ ব্যাংকেরও দায়িত্ব তথ্য যাচাই করে চূড়ান্ত অন্তর্ভুক্তি করা।

৪. অন্তর্ভুক্তির ব্যাপ্তি: খেলাপি প্রতিষ্ঠানের—
• সকল পরিচালক
• ন্যূনতম ২০ শতাংশ শেয়ারধারী
• ঋণের জামিনদার

সবার নাম সিআইবি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।

জামিনদারের অবস্থান

ঋণ খেলাপি হলে জামিনদার আইনত খেলাপি হিসেবে বিবেচিত হন। তবে তিনি নিম্নোক্ত সুরক্ষা ভোগ করেন—
• অন্তর্ভুক্তির আগে ব্যক্তিগত শুনানির অধিকার
• ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের অধিকার
• আদালতে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ
• ঋণ পুনঃতফসিল বা পুনর্গঠনের মাধ্যমে অব্যাহতির সুযোগ

৫. সিআইবি তালিকাভুক্তির ফলাফল:

ক. নির্বাচনী অযোগ্যতা

প্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী ঋণখেলাপি ব্যক্তি সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হতে পারবেন না। স্থানীয় সরকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মেয়র, কাউন্সিলর বা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হিসেবেও অযোগ্য হবেন। দায়িত্বে থাকলে পদ শূন্য ঘোষণা হতে পারে।

খ. বাণিজ্য সংগঠন

এফবিসিসিআই সহ বিভিন্ন ট্রেড বডির নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ।

গ. ব্যাংকের পরিচালক পদ

ধারা ২৭খা (৮) অনুযায়ী, কোনো পরিচালক খেলাপি তালিকাভুক্ত হলে বাংলাদেশ ব্যাংক তার পদ শূন্য ঘোষণা করবে।

ধারা ২৭খা (৭) অনুযায়ী, তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার পরও পাঁচ বছর পর্যন্ত তিনি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হতে পারবেন না।

ঘ. নতুন ঋণ সুবিধা

খেলাপিকে সাধারণত নতুন ঋণ সুবিধা দেওয়া যাবে না। তবে ২০২৩ সংশোধনের ফলে একই গ্রুপের অন্য অখেলাপি প্রতিষ্ঠান ঋণ পেতে পারে।

ঙ. ভ্রমণ ও বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা

ধারা ২৭খা (৬) অনুযায়ী—
• বিদেশ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা
• ট্রেড লাইসেন্স সীমাবদ্ধতা
• শেয়ার ক্রয় নিষেধাজ্ঞা
• নতুন কোম্পানি নিবন্ধনে বাধা

এসব আরোপ করা যেতে পারে। নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই; তালিকাভুক্ত থাকা পর্যন্ত বহাল থাকতে পারে।

৬. প্রতিকার ও প্রক্রিয়াগত সুরক্ষা:

১. শুনানির অধিকার

তালিকাভুক্তির আগে ব্যক্তিগত শুনানি বাধ্যতামূলক।

২. প্রশাসনিক আপিল
• ৭ দিনের মধ্যে নোটিশ
• ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে আপিল
• বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত প্রশাসনিকভাবে চূড়ান্ত

৩. বিচারিক প্রতিকার

ভুল অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে আদালতে প্রতিকার চাওয়া যাবে।

৭. ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠন: পুনঃতফসিলের মাধ্যমে ঋণের মেয়াদ বৃদ্ধি ও কিস্তি সমন্বয় করা যায়। এতে ছয় মাসের বকেয়া অবস্থা সৃষ্টি হওয়ার আগেই সমাধান সম্ভব।

পুনর্গঠনের মাধ্যমে ঋণের কাঠামো পরিবর্তন করা যায়, যেমন ওভারড্রাফটকে টার্ম লোনে রূপান্তর। বাংলাদেশ ব্যাংকের মাস্টার সার্কুলার অনুযায়ী নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে খেলাপি তালিকা এড়ানো বা অব্যাহতি পাওয়া সম্ভব।

৮. তালিকা থেকে অব্যাহতি: অব্যাহতির উপায়—
• পূর্ণ পরিশোধ
• অনুমোদিত পুনঃতফসিল
• সফল আপিল
• আদালতের আদেশ

তবে ব্যাংক পরিচালক হওয়ার পাঁচ বছরের অযোগ্যতা অব্যাহত থাকতে পারে।

উপসংহার

ব্যাংক কোম্পানি (সংশোধন) আইন, ২০২৩–পরবর্তী সিআইবি কাঠামো একদিকে আর্থিক শৃঙ্খলা কঠোর করেছে, অন্যদিকে প্রক্রিয়াগত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছে।

ব্যাংকের জন্য রিপোর্টিং বাধ্যতামূলক ও জরিমানাযোগ্য করা হয়েছে। পরিচালক ও জামিনদারদের ব্যক্তিগত দায় নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শুনানি, আপিল ও আদালতের প্রতিকারব্যবস্থা সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

অতএব, সিআইবি তালিকাভুক্তি শুধু একটি প্রশাসনিক রেকর্ড নয়; এটি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতির ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। তাই তথ্য প্রেরণে সতর্কতা এবং অধিকার প্রয়োগে সচেতনতা—দুইই সমান গুরুত্বপূর্ণ।

25/01/2026

#গনভোট কি #

বাবা ছেলেকে পাশে বসিয়ে বলল,

শোন বাবা, গণভোট মানে কী জানিস?
গণভোট মানে দেশের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্তটা সরকার একা নেবে না। জনগণই সরাসরি হ্যাঁ বা না বলে সিদ্ধান্ত নেবে। মানে দেশ চালানোর আসল চাবিটা থাকবে মানুষের হাতে।

এমনই এক গণভোটে মানুষ যদি হ্যাঁ বলে, তাহলে দেশটা বদলাতে শুরু করবে।

কারণ হল:

১. একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুইবার, মোট ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার সংস্কৃতি শেষ হবে।

২. নির্বাচন হবে তত্ত্বাবধায়ক বা নির্দলীয় সরকারের অধীনে, দিনের আলোয় অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটে।

৩. প্রধানমন্ত্রীর একক ক্ষমতা থাকবে না। আইনের কাছে জবাবদিহি বাধ্যতামূলক হবে।

৪. চাকরিতে ডিও লেটার, তদবির ও দলীয় কোটা বাতিল হবে। মেধা ও যোগ্যতাই একমাত্র মানদণ্ড।

৫. পুলিশ ও প্রশাসন রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণমুক্ত থাকবে। নিয়োগ ও বদলি হবে স্বাধীন কমিশনের মাধ্যমে।

৬. বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন হবে। ফোনে রায় বদলের সুযোগ থাকবে না, আইন সবার জন্য সমান হবে।

৭. সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে প্রতিটি ভোটের মূল্য নিশ্চিত হবে।

৮. সংসদে উচ্চকক্ষ থাকবে, যেখানে বিশেষজ্ঞ ও জ্ঞানীরা রাষ্ট্র পরিচালনায় পরামর্শ দেবেন।

৯. বড় জাতীয় সিদ্ধান্তে জনগণের মতামত বাধ্যতামূলক হবে, প্রয়োজনে গণভোটের মাধ্যমে।

১০. দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা থাকবে। EC, ACC ও PSC স্বাধীনভাবে কাজ করবে।

১১. সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কার হবে। এমপিরা স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারবেন।

১২. ধর্ম নিয়ে অপপ্রচার বন্ধ হবে। সংবিধানে ন্যায়বিচার, ইনসাফ ও মানুষের হক নিশ্চিত করা হবে, যা ইসলামের মূল শিক্ষার সঙ্গেই সামঞ্জস্যপূর্ণ।

11/01/2026

"Law favors the vigilant, not those who sleep on their rights."

"আইন সতর্ক ব্যক্তির পক্ষে, যারা নিজের অধিকারে নিদ্রিত তাদের নয়।"

উকিল মশায়/ukil Moshai
05/01/2026

উকিল মশায়/ukil Moshai

04/01/2026

০৪.০১.২০২৬

সাম্প্রতিক সময়ে ভেনিজুয়েলা আবারও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে। রাজনৈতিক উত্তেজনা, অর্থনৈতিক বিপর্যয় এবং এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত ও আক্রমণ সংক্রান্ত খবর, সব মিলিয়ে দেশটি এক গভীর অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি হঠাৎ তৈরি হয়নি; এটি বহু বছরের ভুল নীতি, রাজনৈতিক সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক চাপের ফল।

ভেনিজুয়েলার সবচেয়ে বড় সমস্যা তার অর্থনীতি। একসময় তেলসমৃদ্ধ এই দেশটি আজ চরম মুদ্রাস্ফীতিতে বিপর্যস্ত। টাকার মান এতটাই কমে গেছে যে মানুষের মাসিক আয় দিয়ে কয়েক দিনের বাজার করাও কঠিন। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতা।

সরকার ও বিরোধী পক্ষের দীর্ঘ দ্বন্দ্ব, নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক এবং ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়ার অভিযোগ দেশটির গণতান্ত্রিক কাঠামোকে দুর্বল করেছে। জনগণের বড় অংশ রাষ্ট্রের ওপর আস্থা হারিয়েছে।

আরেকটি বড় কারণ হলো আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও বৈদেশিক চাপ। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের নিষেধাজ্ঞার কারণে তেল রপ্তানি, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও বৈদেশিক লেনদেন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হাসপাতালগুলোতে ওষুধ নেই, বেকারত্ব বেড়েছে, দারিদ্র্য চরমে পৌঁছেছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ দেশ ছেড়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।

ভেনিজুয়েলার পরিস্থিতির সঙ্গে বাংলাদেশের কিছু সাদৃশ্য অস্বীকার করার উপায় নেই। নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার চাপ। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও নির্বাচন ঘিরে অনাস্থা। তরুণদের মধ্যে ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং বিদেশমুখী প্রবণতা। এই মিলগুলো অনেকের মধ্যেই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগায়।

ভেনিজুয়েলার অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। সেখানে যা ঘটেছে, তা একদিনে হয়নি। ধীরে ধীরে অর্থনীতি দুর্বল হয়েছে, রাজনৈতিক আস্থা ভেঙেছে, এরপর আন্তর্জাতিক সংঘাত পরিস্থিতিকে চূড়ান্ত রূপ দিয়েছে।

বাংলাদেশ এখনো সেই জায়গায় যায়নি। কিন্তু সমস্যাগুলোকে অবহেলা করলে ঝুঁকি বাড়ে।

03/01/2026

সরকারি চাকরিতে শুরু থেকে অবসর পর্যন্ত—কোন পরিস্থিতিতে কোন ছুটি প্রযোজ্য, কতদিন পর্যন্ত নেওয়া যাবে—বিস্তারিত দেখুন👇

(১) গড় বেতনে অর্জিত ছুটি
• ব্যক্তিগত/পারিবারিক কারণে: সর্বোচ্চ ৪ মাস
• স্বাস্থ্যগত কারণে: সর্বোচ্চ ৬ মাস

(২) অর্ধ-গড় বেতনে অর্জিত ছুটি
• ব্যক্তিগত/পারিবারিক কারণে: সর্বোচ্চ ১ বছর
• স্বাস্থ্যগত কারণে: সর্বোচ্চ ২ বছর

(৩) অসাধারণ ছুটি (Extraordinary Leave)
• সাধারণ ক্ষেত্রে: ৩ মাস
• দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতায়: ৬ মাস
• যক্ষ্মা রোগে: ১ বছর

(৪) অসুস্থতাজনিত ছুটি
• মেডিক্যাল বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী
• তবে সর্বোচ্চ: ২ বছর

(৫) অধ্যয়ন ছুটি (Study Leave)
• যুক্তিযুক্ত কারণে: ১ বছর
• সমগ্র চাকরি জীবনে: ২ বছর
• সর্বোচ্চ অনুপস্থিত কাল: ৫ বছর

(৬) সংঙ্গনিরোধ ছুটি
• মেডিক্যাল সার্টিফিকেটে: ২১ দিন
• বিশেষ অবস্থায়: ৩০ দিন

(৭) প্রসূতি ছুটি
• আবেদনের ভিত্তিতে: ৬ মাস

(৮) চিকিৎসালয় ছুটি
• সাধারণ ক্ষেত্রে: ৩ মাস
• সর্বমোট (Accumulated): ২৮ মাস

(৯) প্রাপ্যতাবিহীন ছুটি
• মেডিক্যাল সার্টিফিকেট ছাড়া: ৩ মাস
• মেডিক্যাল সার্টিফিকেটসহ (সমগ্র চাকরি জীবনে): ১২ মাস

(১০) অবসর প্রস্তুতি ছুটি
• পূর্ণ গড় বেতনে: ১২ মাস

(১১) নৈমিত্তিক ছুটি (Casual Leave)
• কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে: ৩ দিন
• একসাথে সর্বোচ্চ: ১০ দিন
• পার্বত্য অঞ্চলে: ২০ দিন
• বাৎসরিক: ২০ দিন

(১২) শ্রান্তি বিনোদন ছুটি
• প্রতি ৩ বছরে: ১৫ দিন

👉 বাস্তব কথা হলো, ছুটি শুধু সুবিধা না—এটা আইনগত অধিকার।

এই পোস্টটা দরকারি হলে—
✔️ সেভ করুন
✔️ শেয়ার করুন
✔️ সরকারি চাকরিজীবী কাউকে ট্যাগ করুন





















#সরকারিচাকরি
#সরকারিচাকরিজীবী
#চাকরিরনিয়ম
#ছুটিরনিয়ম
#আইনজানুন

📢 দলিল রেজিস্ট্রেশন এখন আরও সহজ!রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮–এ সাম্প্রতিক সংশোধনের ফলে ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির দলিল রে...
03/01/2026

📢 দলিল রেজিস্ট্রেশন এখন আরও সহজ!

রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮–এ সাম্প্রতিক সংশোধনের ফলে ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির দলিল রেজিস্ট্রেশনে বড় স্বস্তি এসেছে।

🔹 এখন নামজারি খতিয়ান ছাড়াই ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির
✔ বিক্রয়
✔ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি
✔ হেবা / দান
✔ হেবার ঘোষণা ও দানের ঘোষণা
দলিল সরাসরি রেজিস্ট্রি করা যাবে।

🔹 বায়না দলিল দাখিলের সময়
৩০ দিন ➝ ৬০ দিন

🔹 বিদেশে করা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি
৪ মাস ➝ ৬ মাস সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ

🔹 দান, হেবার ঘোষণা ও দানপত্র এখন আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিস্ট্রেশনযোগ্য













#আইনআপডেট
#জমিজমা

31/12/2025

প্রশ্ন: করিম তার ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বী ফরিদ কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি চেক পায়। চেকটিতে কোন টাকার পরিমাণ লিখা নেই। করিম প্রবঞ্চনামূলকভাবে চেকটিতে ১০ লক্ষ্য টাকা লিখে উহা পূরণ করে নেয়।

মূল অপরাধ কি জালিয়াতি, নাকি প্রতারণা???

উকিল মশায়/ukil Moshai

22/12/2025

জমির দলিলে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ শব্দ :
=======================

>মৌলিক পরিচিতি
1. মৌজা – গ্রাম
2. জে.এল নং – মৌজার নম্বর
3. ফর্দ – দলিলের পাতা
4. খং – খতিয়ান
5. সাবেক – আগের
6. হাল – বর্তমান
7. দাগ নম্বর – জমির নম্বর
8. সনাক্তকারী – বিক্রেতাকে চিনে এমন ব্যক্তি
9. চৌহদ্দি – জমির সীমানা
10. তফসিল – দলিলের শেষে সম্পত্তির তালিকা
11. পর্চা – প্রাথমিক খতিয়ানের কপি
12. খারিজ – পৃথকভাবে খাজনা দেওয়ার অনুমতি

>ব্যক্তি ও সম্পর্ক নির্দেশক শব্দ
13. বং – বাহক (নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লিখে)
14. নিং – নিরক্ষর
15. গং – আরও অংশীদার আছে
16. পিং – পিতা
17. জং – স্বামী

>লেনদেন সম্পর্কিত শব্দ
18. বায়া – বিক্রেতা
19. এওয়াজ – সমান বিনিময়
20. বদল সূত্র – জমি বিনিময়
21. দান সূত্র – দলিল করে দান
22. হেবা বিল এওয়াজ – বিনিময়ে ভূমি দান
23. গির্বি – বন্ধক
24. জায়সুদী – স্থানান্তর অযোগ্য বন্ধক
25. রোক – নগদ অর্থ

>জমির প্রকৃতি ও ধরন
26. বাস্তু – বসতভিটা
27. নাল – চাষযোগ্য ভূমি
28. চালা – উঁচু আবাদি জমি
29. চর – নদীর পলি ভূমি
30. কান্দা – উঁচু ভূমি
31. কোলা ভূমি – বাড়ির পাশের নাল জমি
32. আসলি – মূল জমি

>মাপঝোক ও জরিপ
33. জরিপ – জমির পরিমাণ নির্ধারণ
34. দণ্ড/নল – জমি মাপার দণ্ড
35. সিট – নকশার অংশ
36. নক্সা – জমির মানচিত্র
37. নক্সা ভাওড়ন – পুরনো সীমা পুনর্নির্ধারণ

>দলিল, রেকর্ড ও স্বত্ব
38. খতিয়ান – জমির অধিকার রেকর্ড
39. নামজারী – খতিয়ানে মালিকানা নাম ওঠানো
40. আমলনামা – নিলামে দখল দলিল
41. কবুলিয়ত – স্বীকারোক্তিমূলক দলিল
42. এজমালী – যৌথ জমি
43. অধীনস্থ স্বত্ত্ব – উচ্চ স্বত্বের নিচের অধিকার

>খাজনা ও করসংক্রান্ত শব্দ
44. দাখিলা – খাজনার রশিদ
45. তামাদি – খাজনা প্রদানের সময় পেরিয়ে যাওয়া
46. জমা – খাজনা নির্ধারণ একক
47. তহশিল – খাজনা আদায়ের এলাকা
48. তলববাকী – বকেয়া খাজনা

>আইনি ও প্রশাসনিক শব্দ
49. তামিল – আদেশ অনুসারে সংশোধন
50. ইজারা – নির্দিষ্ট সময় ও খাজনায় জমি দেওয়া
51. ইন্তেহার – ঘোষণা
52. ইয়াদদন্ত – স্মারকলিপি
53. এস্টেট – স্থায়ী বন্দোবস্তীয় জমিদারী
54. ওয়াকফ – ধর্মীয় কাজে দানকৃত জমি

>বিশেষ শব্দ
55. তঞ্চকতা – প্রতারণা
56. ইয়াদিকৃত – করুণাময়ের নামে শুরু
57. সমূদয় – সবকিছু
58. একুনে – মোটফল
59. হিস্যা – অংশ
60. মবলক/মং – মোট পরিমাণ

উকিল মশায়/ukil Moshai
#আইন #দলিল

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when উকিল মশায়/ukil Moshai posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share