আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা

আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা জায়গা জমি সহ যেকোনো ব্যক্তিগত সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত আমাদের সামনে দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা হবে।

ন্যায়বিচারের পথে আপনাকে দিচ্ছি সঠিক দিকনির্দেশনা।
পারিবারিক, সম্পত্তি, মামলার প্রক্রিয়া বা ডিজিটাল নিরাপত্তা—
যেকোনো আইনি সমস্যায় গোপনীয়ভাবে পান বিশ্বস্ত পরামর্শ।

📩 ইনবক্স করুন — আইন সবার অধিকার।

01/08/2026

প্রশ্ন: কোনো মৃত ব্যক্তির কেবল কন্যাসন্তান (১ জন বা একাধিক) থাকলে, তারা কি বাবার সমস্ত সম্পত্তি পাবে? না পেলে বাকি সম্পত্তি কারা পাবে?

​উত্তর: না, কেবল কন্যাসন্তান থাকলে তারা বাবার সমস্ত সম্পত্তি পায় না।

​মৃত ব্যক্তির ১ জন মেয়ে থাকলে সে মোট সম্পত্তির ১/২ (অর্ধেক) অংশ পাবে।

​যদি ২ জন বা তার বেশি মেয়ে থাকে, তবে তারা সবাই মিলে মোট সম্পত্তির ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) অংশ সমানভাবে ভাগ করে পাবে।

​মেয়েদের অংশ দেওয়ার পর যে সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকবে, তা মৃত ব্যক্তির অন্যান্য আসাবা বা অবশিষ্টাংশভোগী (যেমন: মৃত ব্যক্তির পিতা, দাদা, আপন ভাই, বা ভাইয়ের ছেলেরা) ফারায়েজের নিয়ম অনুযায়ী পাবে।

​আইনি রেফারেন্স:

​Principles of Mahomedan Law (ধারা ৬৬ & Chapter XII): হানাফী ফারায়েজ আইন অনুযায়ী, কন্যাসন্তানরা হলো 'Sharer' বা নির্ধারিত অংশের অংশীদার। তারা তাদের নির্ধারিত অংশ (১/২ বা ২/৩) পাওয়ার পর বাকি সম্পত্তি 'Residuary' বা অবশিষ্টাংশভোগীদের কাছে চলে যায়।

25/07/2026

I got over 50 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

20/07/2026

প্রশ্ন: কোনো ব্যক্তি যদি তার পিতা বা পৈতৃক সম্পত্তির কোনো অংশীদারকে হত্যা করে, তবে কি সে ফারায়েজ অনুযায়ী সম্পত্তি পাবে?
​উত্তর:
না, কোনো ব্যক্তি যদি এমন কোনো ব্যক্তিকে হত্যা করে যার সম্পত্তি সে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়ার কথা, তবে হত্যাকারী ব্যক্তি ওই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত হবে। একে আইনি ভাষায় "উত্তরাধিকার সূত্রে অযোগ্যতা" বলা হয়। আইন অনুযায়ী, অপরাধ করে কেউ লাভবান হতে পারে না।

​আইনি রেফারেন্স:
​Principles of Mahomedan Law (ধারা ৫৮): হানাফী আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃত বা দুর্ঘটনাবশত (Direct or Indirectly) এমন কোনো ব্যক্তিকে হত্যা করে যার সে উত্তরাধিকারী, তবে সে ওই সম্পত্তি পাওয়ার যোগ্যতা হারাবে।

​দেশের প্রচলিত ফৌজদারি আইন এবং দেওয়ানি নীতি অনুযায়ীও, কোনো খুনি তার শিকার হওয়া ব্যক্তির সম্পত্তির আইনগত ওয়ারিশ হতে পারে না।

19/07/2026

স্ত্রীর দেনমোহর (Dower) বাকি থাকা অবস্থায় স্বামী মারা গেলে, সেই দেনমোহরের টাকা কি ফারায়েজ আইন অনুযায়ী কাটা হবে?

​উত্তর: হ্যাঁ, স্ত্রীর দেনমোহর ইসলামের দৃষ্টিতে একটি "ঋণ" (Debt)। স্বামী জীবিত অবস্থায় স্ত্রীর দেনমোহর পরিশোধ না করে মারা গেলে, সেটি একটি সাধারণ ঋণের মতোই বিবেচিত হবে।

​মৃত স্বামীর রেখে যাওয়া মোট সম্পত্তি থেকে প্রথমে স্ত্রীর দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করতে হবে। দেনমোহর পরিশোধ করার পর যে সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকবে, সেখান থেকে স্ত্রী আবার স্বামীর ফারায়েজ অনুযায়ী তার নিজস্ব অংশ (সন্তান থাকলে ১/৮ অংশ, সন্তান না থাকলে ১/৪ অংশ) লাভ করবেন। অর্থাৎ, দেনমোহর পাওয়ার কারণে স্ত্রীর ফারায়েজের অংশ কমবে না।

​আইনি রেফারেন্স:
​Principles of Mahomedan Law (ধারা ৪১ ও ধারা ২৯৫): মুসলিম আইন অনুযায়ী, স্ত্রীর দেনমোহর হলো স্বামীর একটি অগ্রগণ্য ঋণ (Unsecured Debt)। স্বামী মারা গেলে স্ত্রী তার দেনমোহর আদায়ের জন্য স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তির ওপর অধিকার দাবি করতে পারেন এবং এই ঋণ পরিশোধ করা ফারায়েজ বণ্টনের পূর্বশর্ত।
#মুসলিমফারায়েজ #আইনআদালত

📌ফাঁকা স্ট্যাম্প বা সাদা কাগজে কখনো স্বাক্ষর করবেন না।অনেকেই পরিচিত ব্যক্তি, আত্মীয় বা ব্যবসায়িক সম্পর্কের কারণে বিশ্ব...
11/07/2026

📌ফাঁকা স্ট্যাম্প বা সাদা কাগজে কখনো স্বাক্ষর করবেন না।

অনেকেই পরিচিত ব্যক্তি, আত্মীয় বা ব্যবসায়িক সম্পর্কের কারণে বিশ্বাস করে ফাঁকা স্ট্যাম্প বা সাদা কাগজে স্বাক্ষর করে দেন। পরে সেই কাগজে ভিন্ন শর্ত লিখে জালিয়াতি বা আইনি জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

✅ স্বাক্ষরের আগে যা করবেন:

- পুরো লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
- ফাঁকা অংশ থাকলে তা কেটে দিন।
- প্রয়োজনে তারিখ ও উদ্দেশ্য উল্লেখ করুন।
- একটি কপি নিজের কাছে সংরক্ষণ করুন।

⚖️ সচেতন থাকুন, আইনি ঝুঁকি এড়িয়ে চলুন।
#আইনিঅধিকার

10/07/2026

মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফন ও ঋণের টাকা কি ফারায়েজ বণ্টনের আগে শোধ করতে হবে? নাকি আগে সম্পত্তি বণ্টন হবে?
​উত্তর:
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি ওয়ারিশদের মধ্যে বণ্টন করার আগে অবশ্যই তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি থেকে নির্দিষ্ট কিছু আইনি ও ধর্মীয় দায়-দায়িত্ব ক্রমানুসারে পূরণ করতে হবে। এগুলো সম্পন্ন করার পর যে সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকবে, কেবল সেটিই ফারায়েজ অনুযায়ী বণ্টন করা যাবে।

​সম্পত্তি বণ্টনের সঠিক ক্রমানুসারে ৪টি ধাপ:
১. মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফন ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার যৌক্তিক খরচ মেটানো।
২. মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর সময় কোনো ধার-দেনা বা ঋণ থাকলে তা পরিশোধ করা (এর মধ্যে স্ত্রীর বকেয়া দেনমোহরও অন্তর্ভুক্ত)।
৩. মৃত ব্যক্তি যদি জীবিতাবস্থায় কোনো বৈধ 'অসিয়ত' (উইল) করে গিয়ে থাকেন, তবে তা পূরণ করা (যা মোট সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি হতে পারবে না)।
৪. উপরের সব কাজ শেষ করার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি ফারায়েজ অনুযায়ী বণ্টন করা।

​আইনি রেফারেন্স:
​স্যার দিনশাহ ফারদুনজি মোল্লা-র রচিত "Principles of Mahomedan Law" (ধারা ৩৯) অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির উপর প্রথম দাবি হলো তার দাফন-কাফন, আইনি খরচ, সাধারণ ঋণ এবং অসিয়ত পূরণ করা। এগুলো বাদ দেওয়ার পরই কেবল উত্তরাধিকারীদের মাঝে সম্পত্তি বণ্টনের আইনি অধিকার তৈরি হয়।
#মুসলিমফারায়েজ #আইনিঅধিকার #আইনআদালত

09/07/2026

মৃত ব্যক্তির সৎ মা কিংবা সৎ ভাই-বোন কি তার সম্পত্তির অংশ পাবে?
​উত্তর:
​সৎ মা: সৎ মা কখনোই কোনো সৎ সন্তানের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী বা ওয়ারিশ হন না। মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে কেবল তার আপন মা (গর্ভধারিণী মা) নির্দিষ্ট অংশ (১/৬ বা ১/৩) পাবেন।

​সৎ ভাই-বোন: ইসলামের ফারায়েজ আইনে সৎ ভাই-বোন দুই প্রকার:
১. বৈমাত্রেয় ভাই-বোন (একই বাবা কিন্তু ভিন্ন মা): আপন ভাই-বোন না থাকলে বা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বৈমাত্রেয় ভাই-বোনরা নির্দিষ্ট শর্তে সম্পত্তি পেয়ে থাকে।

২. বৈপিত্রীয় ভাই-বোন (একই মা কিন্তু ভিন্ন বাবা): আপন ভাই-বোন থাকলেও বৈপিত্রীয় ভাই-বোনরা শরিয়াহর নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী (সাধারণত ১/৬ বা ১/৩ অংশ) সম্পত্তি পেয়ে থাকে, যদি মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পিতা/দাদা জীবিত না থাকেন।

​আইনি রেফারেন্স:
​মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (Mulla's Mahomedan Law - Chapter XII): এখানে ‘Sharers’ (অংশীদার) এবং ‘Residuaries’ (অবশিষ্টাংশভোগী) তালিকায় সৎ মায়ের কোনো স্থান নেই। তবে বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রীয় ভাই-বোনদের অধিকার ও শর্তাবলি বিস্তারিতভাবে উল্লেখ রয়েছে।
#মুসলিমফারায়েজ #আইনিঅধিকার

জমি কেনার আগে শুধু খতিয়ান নয়, দাগ ও মৌজা মিলিয়েও দেখুন।অনেকেই শুধু খতিয়ান দেখে জমি কিনে ফেলেন। কিন্তু খতিয়ানের তথ্য...
09/07/2026

জমি কেনার আগে শুধু খতিয়ান নয়, দাগ ও মৌজা মিলিয়েও দেখুন।

অনেকেই শুধু খতিয়ান দেখে জমি কিনে ফেলেন। কিন্তু খতিয়ানের তথ্যের সঙ্গে দাগ নম্বর, মৌজার নাম এবং বাস্তব জমির অবস্থান মিলিয়ে না দেখলে পরে জমি নিয়ে বিরোধ বা প্রতারণার শিকার হতে পারেন।

✅ জমি কেনার আগে অবশ্যই যাচাই করুন—

দলিলের দাগ নম্বর ও খতিয়ানের দাগ নম্বর একই কি না।

মৌজার নাম সঠিক আছে কি না।

বাস্তবে জমির অবস্থান ও সীমানা দলিলের সঙ্গে মিলছে কি না।

প্রয়োজনে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

মনে রাখবেন:
সামান্য অসতর্কতা ভবিষ্যতে বড় আইনি জটিলতার কারণ হতে পারে।

— মোঃ জহির উদ্দিন
আইনজীবী
সিনিয়র সিভিল জজ আদালত, সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম
#আইনআদালত #সচেতনতা

📌 কেবল মৌখিক চুক্তির উপর নির্ভর করবেন না—সম্ভব হলে লিখিত চুক্তি করুন।অনেক বিরোধের মূল কারণ হলো মৌখিক লেনদেন বা প্রতিশ্রু...
08/07/2026

📌 কেবল মৌখিক চুক্তির উপর নির্ভর করবেন না—সম্ভব হলে লিখিত চুক্তি করুন।

অনেক বিরোধের মূল কারণ হলো মৌখিক লেনদেন বা প্রতিশ্রুতি। পরে শর্ত নিয়ে মতবিরোধ হলে আদালতে তা প্রমাণ করা কঠিন হয়ে যায়।

✅ তাই গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন, ব্যবসায়িক চুক্তি, জমি-বাড়ি সংক্রান্ত সমঝোতা বা অর্থ ধার দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই লিখিত চুক্তি করুন।

লিখিত চুক্তিতে অন্তত উল্লেখ করুন—

- পক্ষগুলোর পূর্ণ পরিচয়
- চুক্তির বিষয়বস্তু
- অর্থের পরিমাণ ও পরিশোধের শর্ত
- তারিখ
- উভয় পক্ষের স্বাক্ষর
- প্রয়োজনে সাক্ষীর স্বাক্ষর

সচেতন থাকুন, আইন মেনে চলুন, নিজের অধিকার সুরক্ষিত রাখুন।
#আইনিঅধিকার

Address

Chittagong District Bar Association
Chittagong
4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share