আইন আপডেট

আইন আপডেট বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ পেতে ফলো করুন।

08/06/2026

জেলখানায় কত মাসে বছর?
(প্রিজন্স অ্যাক্ট, ১৮৯৪ এর ধারা: ৫৯ এ বর্ণিত জেলকোড, ১৯২০ এর বিধি অনুযায়ি)
➤ আদালতের রায়ে কাউকে কারাগারে পাঠানো হলে আদালতের আর কোনো দায় থাকেনা এরপর থেকে দায়িত্ব বর্তায় কারা কর্তৃপক্ষের উপর। কারা কর্তৃপক্ষ ও কারাগারের যাবতীয় বিষয় নিয়ন্ত্রিত হয় Prisons Act, 1894 এর ধারা: ৫৯ এ বর্ণিত Jail Code, 1920 মোতাবেক।
জেলকোড, ১৯২০ এর ১১শ অধ্যায়ের ৭৫০-৭৮১ বিধিতে সন্নিবেশিত আছে বন্দিদের রেয়াত (remission) মঞ্জুরের বিধানবলী। রেয়াত মানে হলো অব্যাহতি দেয়া বা ছাড় দেয়া বা রেহাই দেয়া। এই রেয়াত এর মাধ্যমেই মূলত কোনো আসামীর দণ্ডের মেয়াদ কমানোর সুযোগ চলে আসে যা কিনা ঐ বিধিগুলো মোতাবেকই হতে হবে।

✪ রেয়াত (Remission) : রেয়াত দুই প্রকারের হয়: সাধারণ ও বিশেষ রেয়াত।

➤ রেয়াত মঞ্জুর: জেলকোডের ৭৬১ বিধি মোতাবেক 'সাধারণ রেয়াত' মঞ্জুর করতে পারেন সিনিয়র জেল সুপারিন্টেন্ডেন্ট বা জেল সুপার বা তার কতৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো জেল কর্মকর্তা।
অপরদিকে, ৭৬৬ বিধি মোতাবেক সরকার বা আইজি প্রিজন্স অথবা জেল সুপার কার্যকর করতে পারেন 'বিশেষ রেয়াত'।

✪ জেলকোডের বিধি মোতাবেক রেয়াতের পরিমাণ:

➤ কারাবন্দীদের সাধারণ রেয়াৎ প্রাপ্তি:
☞ কারাগারের সব নিয়ম মেনে চলার জন্য প্রতিমাসে ৩ দিন। [বিধি: ৭৫৬ (এ)]

☞ শিল্প ও দৈনন্দিন দেয়া কাজগুলো সঠিকভাবে করাে জন্য প্রতিমাসে ২ দিন। [বিধি: ৭৫৬ (বি)]

☞ কারারক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালনে প্রতিমাসে ৭ দিন ও নৈশপ্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালনে প্রতিমাসে ৬ দিন। [বিধি: ৭৫৭]

☞ শুক্রবার ও অন্যান্য সরকারি ছুটির দিনে বাবুর্চি ও সুইপারের কাজে নিয়োজিত থাকলে অতিরিক্ত হিসেবে প্রতি কোয়ার্টারে ৩ দিন। [বিধি: ৭৫৯]

☞ দণ্ডাদেশ প্রাপ্তির পরবর্তী মাসের ১ তারিখ হতে ১ বছর পার হবার পর; কারা অপরাধের সর্বশেষ শাস্তিভোগের তারিখ হতে ১ বছর অতিক্রম করার পর বন্দি যদি অন্যকোনো কারা অপরাধ না করেন সেক্ষেত্রে বছরে আরও ১৫ দিন সাধারণ রেয়াত পাবেন। [বিধি: ৭৬০]

◑ একজন বন্দী বিধি মোতাবেক কাজকর্ম করলে মাসে ১০-১৫ দিন সাধারণ রেয়াত পেতে পারেন যা সম্ভব নয় তবে প্রত্যেক বন্দিই কিছু রেয়াত পেয়ে থাকেন। ফলে বন্দিদের ক্ষেত্রে প্রতিমাসে দিনের পরিমাণ কমে আসে।

➤ কারাবন্দীদের বিশেষ রেয়াৎ প্রাপ্তি: বিশেষ রেয়াত সম্পর্কে বলা হয়েছে জেলকোডের ৭৬৫ ও ৭৬৬ বিধিতে। উক্ত বিধি দুটি মোতাবেক জেল সুপার বছরে সর্বোচ্চ ৩০ দিন ও আইজি প্রিজন্স অথবা সরকার বছরে সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত বিশেষ রেয়াত প্রদান করতে পারেন। যে যে ক্ষেত্রে বিশেষ রেয়াত প্রদান করা হয়:
☞ কারাগারে শৃঙ্খলা বা নিয়ম ভঙ্গের বিষয় শনাক্ত করা কিংবা প্রতিরোধ করার কাজে সহযোগিতা করা।
☞ হস্তশিল্পে প্রশিক্ষণ প্রদানে কৃতিত্ব।
☞ বিশেষ কৃতিত্বপূর্ণ কোনো কাজ কিংবা আয় বৃদ্ধিকারক উন্নতমানের কোনো কাজ।
☞ আক্রমণ হতে কারা কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের রক্ষা করা।
☞ কারা বিদ্রোহ, বিশৃঙ্খলা, আগুন বা সমপ্রকৃতির জরূরী ক্ষেত্রে কারা কর্মকর্তাকে সহযোগিতা করা।
☞ পোশাক ব্যবহারে মিতব্যয়িতা।
☞ টেকনিক্যাল বা একাডেমিক ট্রেনিং গ্রহণে দক্ষতা প্রদর্শন।
☞ কারাগারের বিধিবিধান পালনে মনোযোগী হওয়া ও একটানা তিন বছর কোনো কারাশাস্তি ভোগ না করা।

✪ রেয়াত প্রাপ্তির শর্তাবলী:
☞ জেলকোডের ৭৬৮ বিধি মোতাবেক এক দণ্ডের তৃতীয়াংশের বেশি রেয়াত প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সরকারের বিশেষ অনুমতি লাগবে।
☞ বিচারাধীন বন্দি কোনো রেয়াতই পাবেন না।
☞ জরিমানা অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড ব্যতীত ৬ মাসের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে সাধারণ রেয়াত প্রযোজ্য নয়।
☞ বিধি ৭৫৪ মোতাবেক কারা শৃঙ্খলা ভঙ্গ কিংবা কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আঘাত করার অপরাধে কারা কর্তৃপক্ষ রেয়াত বাতিল করতেও পারবেন।

✪ একজন কারাবন্দী রেয়াতের ভিত্তিতে দণ্ডাকাল কমিয়ে আনতে পারবেন। সেক্ষেত্রে এমনও হতে পারে বছর ৬ মাসেও হতে পারে কিংবা ৮ মাস বা ১১ মাসেও হতে পারে। একেক বন্দীর ক্ষেত্রে সাধারণ ও বিশেষ রেয়াতের মাধ্যমে বন্দিরা দণ্ডকাল কমিয়ে আনতে পারবেন।

Adv kawsar Uddin

ভোরে ঘুম থেকে ওঠার বিশেষ গুরুত্বঃভোরে ঘুম থেকে ওঠার উপকারিতা নিয়ে কথা বলতে গেলে প্রথমেই একটা জিনিস বলে নেওয়া দরকার — শ...
07/05/2026

ভোরে ঘুম থেকে ওঠার বিশেষ গুরুত্বঃ
ভোরে ঘুম থেকে ওঠার উপকারিতা নিয়ে কথা বলতে গেলে প্রথমেই একটা জিনিস বলে নেওয়া দরকার — শুধু তাড়াতাড়ি উঠলেই হবে না, রাতে ঠিকমতো ঘুমাতেও হবে। রাত দুইটায় ঘুমিয়ে ভোর পাঁচটায় উঠলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি।
এখন আসুন মূল কথায়।
ভোরে উঠলে শরীরে একটা হরমোন নিঃসরণ হয় — কর্টিসল। এটা শুনলে অনেকে ভয় পান, কারণ কর্টিসলকে "স্ট্রেস হরমোন" বলা হয়। কিন্তু সকাল ছয় থেকে আটটার মধ্যে এই হরমোনের যে স্বাভাবিক peak হয়, সেটা আসলে আমাদের মস্তিষ্ককে জাগিয়ে তোলে, মনোযোগ বাড়ায়, দিনের কাজের জন্য শরীরকে প্রস্তুত করে। দেরিতে উঠলে এই peak-টাই মিস হয়ে যায়। সারাদিন তখন একটা ঝিমঝিম ভাব থাকে।
সকালে মানুষের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি থাকে। কারণ তখনো "Decision Fatigue" শুরু হয়নি। তাই যারা সত্যিকারের গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে চান — সেটা পড়াশোনাই হোক বা ব্যবসার পরিকল্পনাই হোক — সকালটা তাদের জন্য সোনার সময়।
মানসিক স্বাস্থ্যের কথা বললে, গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত ভোরে ওঠেন তাদের মধ্যে বিষণ্নতা ও উদ্বেগ অনেক কম। সকালের আলোর সংস্পর্শে সেরোটোনিন তৈরি হয় — যেটাকে বলা হয় "feel good hormone"। এই সেরোটোনিনই রাতে মেলাটোনিনে রূপান্তরিত হয়ে ঘুম আনে। মানে সকালে রোদ পোহালে রাতে ভালো ঘুম হবে — এটা বিজ্ঞানসম্মত কথা।
শরীরের ওজন নিয়ে যারা চিন্তায় আছেন, তাদের জন্যও ভোরে ওঠার বিশাল ভূমিকা আছে। সকালে ইনসুলিন সেনসিটিভিটি সবচেয়ে বেশি থাকে। সঠিক সময়ে নাস্তা খাওয়া যায়, ক্ষুধার হরমোনগুলো ঠিকঠাক কাজ করে। রাত জাগলে কী হয়? রাতের বেলা খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে, যেটা ওজন বাড়ার অন্যতম বড় কারণ।
আর হৃদরোগের কথা বলতে গেলে — যারা রাত জাগেন, তাদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ ও মেটাবলিক সিনড্রোমের ঝুঁকি বেশি। শরীরের ঘড়ি অর্থাৎ Circadian Rhythm যখন ঠিক থাকে, হৃদয়ও সুস্থ থাকে।
সবশেষে একটা কথা। আমাদের রাসূল (সা.) ফজরের পর ঘুমাতে নিষেধ করেছেন, ভোরের বরকতের কথা বলেছেন। সেটা শুধু আধ্যাত্মিক কথা নয় — আধুনিক বিজ্ঞান আজ প্রমাণ করছে যে ভোরের সময়টা মানুষের শরীর ও মস্তিষ্কের জন্য সত্যিই সবচেয়ে মূল্যবান সময়। দ্বীন ও বিজ্ঞান এখানে একসাথে কথা বলছে।

নতুন সময়সূচী
08/04/2026

নতুন সময়সূচী

আজকে সোনার দাম০১/০৪/২০২৬ ইংরেজি
01/04/2026

আজকে সোনার দাম
০১/০৪/২০২৬ ইংরেজি

30/03/2026

হাম হলে কীভাবে সামলাবেন :-( সেভ করুন,শেয়ার করুন)
Measles (হাম) হলে “একটা ওষুধ খাইয়ে ঠিক করে ফেলবো”—এমন না।
এখানে সবচেয়ে বড় চিকিৎসা হলো সঠিক যত্ন

১/জ্বর কমানোর জন্য
প্যারাসিটামল দিন,প্রতি ৮ কেজির বাচ্চার জন্য ১ চামচ করে...
সাধারণভাবে ৬ ঘণ্টা পরপর দেওয়া হয়
নিজের মতো করে ডোজ ঠিক করবেন না,নিকটস্থ এমবিবিএস ডাক্তার দেখিয়ে নিবেন..

২/শরীরে পানি কমতে দিবেন না
হাম হলে বাচ্চা দুর্বল হয়ে পড়ে, খেতে চায় না।

বারবার অল্প অল্প করে পানি দিন
দুধ, স্যুপ, ওরস্যালাইন দিতে পারেন

৩/ ভিটামিন A কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
হাম হলে শরীরে ভিটামিন A কমে যায়
আর তখন চোখে সমস্যা শুরু হতে পারে
রাতে দেখতে সমস্যা (night blindness)
চোখ শুকিয়ে যাওয়া
কর্নিয়াতে ঘা
এমনকি স্থায়ী অন্ধত্ব

তাই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন A দেওয়া খুবই জরুরি

৪/ কী খাওয়াবেন?
শিশুর শরীর দ্রুত ভালো হতে পুষ্টি দরকার।
ডিম
দুধ
মাছ
ডাল
“পুষ্টিকর খাবার যত বেশি, তত দ্রুত রিকভারি”

৫/ চোখের যত্ন
চোখ নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন
সমস্যা হলে ডাক্তারের কাছে দেখান
প্রয়োজনে eye ointment বা artificial tears লাগতে হবে

৬/ কাশি হলে
হালকা গরম পানি
লেবু পানি
গলা আরাম পায়

জটিলতা হলে কী করবেন?
হাম হলে অনেক সময় অন্য ইনফেকশন যোগ হয়
যেমন নিউমোনিয়া
তখন অ্যান্টিবায়োটিক লাগতে পারে
বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে (যেমন দুর্বল ইমিউনিটি)
antiviral (Ribavirin) দরকার হতে পারে

*** প্রতিরোধই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা
সময়মতো টিকা দিন (MR / MMR)
এতে এই রোগ অনেকটাই এড়ানো যায়

$$$ অন্যদের থেকে আলাদা রাখুন
র‍্যাশ ওঠার পর অন্তত ৪ দিন আলাদা রাখুন
কারণ
এই সময় সবচেয়ে বেশি ছড়ায়
এমনকি র‍্যাশ ওঠার আগের ৪ দিন থেকেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে

হাম “সাধারণ জ্বর” না
ঠিকমতো যত্ন না নিলে বড় সমস্যা হতে পারে।
কিন্তু ভালো খবর হলো—
সচেতন থাকলে
ঠিকভাবে যত্ন নিলে
বেশিরভাগ শিশুই সুস্থ হয়ে যায়।

ডা.আব্দুর রহমান

29/03/2026

চায়নাতে এসে বেসম্ভব দুটা অভিজ্ঞতা হয়েছে। প্রথমটা হচ্ছে ডাক্তার দেখানো এবং টেস্ট করা। দ্বিতীয়টা হচ্ছে মোবাইল হারিয়ে ফেলা।

দুইটাই অনন্ত জলিলের মতো অসম্ভব অভিজ্ঞতা। এখানে ভাষার সমস্যা এতোটাই প্রকট যে এরা ইয়েস, নো, ভেরিগুড ও বুঝে না। এমন কি সংখ্যাও না। টেক্সী ক্যাবে উঠে আপনাকে আপনার মোবাইল নাম্বারের শেষ চারটি নাম্বার বলতে হয়। আপনি নাম্বার বললেও তারা বুঝবে না।

ট্রান্সলেটর ইউজ করে যে বলবেন সেটাও কঠিন। কেননা এখানকার অধিকাংশ জায়গা ভীষণ ব্যস্ত।
এরা আপনাকে খুব একটা সময় দিবে না। এদের দিকে তাকালেই আপনি অপরাধবোধে ভুগবেন কেনো আপনি চাইনিজ জানেন না।

আমার বউ ডাক্তার দেখাবে। আমি বললাম ঠিক আছে চলো যাই। দেখি কি অবস্থা। না হলে দেশে গেলে বলবে তোমার জন্য হলো না।

যত দোষ নন্দ ঘোষ।

এখানে দুই ধরণের হাসপাতাল আছে সরকারি এবং প্রাইভেট। সরকারি হাসপাতাল সস্তা, প্রাইভেট ব্যয়বহুল।

আমরা গেলাম সাংহাই এর রেনজি হাসপাতাল। চ্যাট জিপিটি বললো এখানে যাও। এটা বিখ্যাত হাসপাতাল। চায়নার সর্বোচ্চ মানের হাসপাতাল। এই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয় 1844 সালে। এবং এটা সরকারি হাসপাতাল। হ্যাংপু নদীর তীরে পুডং নামক জায়গায় এদের বড় ক্যাম্পাস।

চ্যাটজিপিটির কথায় গেলাম এই হাসপাতালে।

সকাল এগারোটায় আমরা হাসপাতাল পৌঁছলাম। বুঝলাম এ এক অসম্ভব ব্যাপার। হাজার হাজার মানুষ।
কোথাও ইংলিশে কিছু লেখা নেই। অজস্র কাউন্টার। তার সামনে বিশাল লাইন।

চারপাশ এতোটাই ব্যস্ত। আপনার মনে হবে চৌধুরী বাড়িতে উৎসব চলছে। আর আপনি জসিম গিয়েছেন শাবানাকে নিয়ে চৌধুরী বাড়িতে। আপনারা দুজনই সেলাই মেশিন চালান। ছেলের বিয়ের জন্য চৌধুরীর মেয়ের জন্য প্রস্তাব নিয়ে গিয়েছেন।

চারপাশে মানুষের ছুটাছুটি। আপনি কাউকে চিনেন না। কেউ আপনার দিকে তাকাচ্ছেও না। আর এদের ভাষা চাইনিজ।

বুঝেন অবস্থা।

চ্যাট জিপিটিকে জিজ্ঞেস করলাম।

এখন আমার কাজ কি?

সে বললো রেজিস্ট্রেশন করো। তারপর ডাক্তারের এপোয়েন্টমেন্ট নাও। ডাক্তার দেখাও। ডাক্তার টেস্ট দিলে টেস্ট করো।

ইচ্ছে হচ্ছিলো ওকেই গালি দেই। তুই কর এতোসব কাজ।

বউ বললো চলো ফেরত যাই। এই চৌধুরী বাড়ি আমাদের জন্য না।

কিন্তু আমিতো অনন্ত জলিলের অনুসারী।

অসম্ভবকে সম্ভব করাই যে কাজ।

ট্রান্সলেটরে লিখলাম

আমরা হাসপাতালে রেজিস্ট্রেশন করতে চাই।
সেটা চাইনিজ ট্রান্সলেট করে একটা ডেস্কের একটা চাইনিজ মেয়েকে দেখলাম।

সে আমার দিকে চোখ ছোট ছোট করে বললো
তুমি তিন তলায় যাও।

এই একটা মেয়েই পুরো হাসপাতালে সম্ভবত ইয়েস, নো ইংলিশ জানে।

হঠাত তার কি জানি মনে হলো। বললো তুমি আমার সঙ্গে আসো। আমরা দুজন তখন ট্রান্সলেটরে ব্যবহার করে কথা বলছি। সে নিজে আমাকে তিন তলায় নিয়ে গিয়ে একটা বুথে নিয়ে গেলো। সেই বুথ, তার আশেপাশের বুথে তখন বিশাল লাইন। ঘড়িতে প্রায় বারোটা বাজে।

সেখানকার বুথের মেয়েকে কি কি জানি বললো।

আমাদের পাসপোর্ট নিলো। কোন ডাক্তার দেখাবো জিজ্ঞেস করলো। কি বিষয়ের ডাক্তার জিজ্ঞেস করলো।

আমাদের চাইনিজ ফোন নম্বর নেই। তারপর নিজের নাম্বার দিয়ে টাকা নিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে দিলো।
চায়নাতে ক্যাশ টাকার কাজ নেই বললেই চলে। সবই ডিজিটাল ওয়ালেট।

এরপর সেই মেয়ে আমাদের ডাক্তারের চেম্বারের সামনে নিয়ে আসলো। অসংখ্য ডাক্তার। অজস্র রোগী। ভেতরে এসিস্ট্যান্ট কে বললো। তারপর আমাদের বললো তোমরা ডাক্তার দেখাও আমি চললাম।

আমরা তখন তাকে বলছি

যেও না সাথী চলেছো একেলা কোথায়।

না সে চলেই গেলো।

এখানে কাগজের লেখা, বিলবোর্ড এর লেখা, স্লিপ, প্রেসকৃপশন সব চাইনিজ ভাষায়। এবং কেউ ইংলিশ জানে না।

ডাক্তারের চেম্বারের বাইরে বসে আছি। আর ডাক আসে না। এসিস্ট্যান্ট কে গিয়ে বলি ঐ ব্যাটা ইংলিশ বুঝে না। ইয়েস, নো ও বুঝে না। ট্রান্সলেট করে তাকে জিজ্ঞেস করলাম

কখন?

সে বলে ওয়েট করো। ডিসপ্লে ফলো করো। সেখানেও চাইনিজে লেখা। বুঝলাম সেখানে সিরিয়াল চলে 27, আমাদের 39, 40

বহু সময় ধরে বসে আছি। 27 আর 28 হয় না। ভাবলাম ডাক্তার কি ভেতরে অপারেশন করে নাকি। এক ঘন্টা ধরে 27 কে কি দেখে?

পরে আবার তাকে ট্রান্সলেট করে জিজ্ঞেস করলাম তোমার ডিসপ্লে তো 27 থেকে 28 হচ্ছে না।

সে হেসে বললো আর দুইজন পরেই তুমি। এখন 37 চলছে।

আমার বউ এদিকে তার সব কমপ্লেইন ঠিক করেছে। ডাক্তারকে সে মনের মাধুরী মিশিয়ে বলবে তার কি কি সমস্যা।
আমি বললাম দেখো ডাক্তার ইংলিশ বুঝে কিনা?

আমি লিখে নিলাম সমস্যার কথা মোবাইলে ট্রান্সলেট করে নিলাম।
ডাক্তারের রুমে ঢুকে বুঝলাম এই লোক ও ইংলিশ পারে না। বুঝে কিন্তু বলতে পারে না।

মোবাইলের লেখা দেখালাম। বললাম আমরা এখানে টেস্ট করতে চাই। এবং আজকেই করতে চাই।

সে বললো আজকে তো পারবে না। তুমি কাল সকালে করো, রক্ত এবং আল্ট্রাসোনোগ্রাম।

আমি বললাম কালতো আমাদের গুয়াংজু যাওয়ার ফ্লাইট।

সে বললো আমি ইনপুট দিয়েছি। তুমি চেষ্টা করে দেখো পারো কিনা। আমরা আবার একটা বুথে গেলাম। টাকা দিলাম। চাইনিজ স্লিপ নিয়ে ঘুরছি কই টেস্ট করাবো।
টেস্ট করানোর মূল উদ্দেশ্য চাইনিজরা প্রযুক্তিতে উন্নত। তাদের নিজেদের দেশের মেশিনে টেস্ট করবো।

এ এক বিশাল ইতিহাস। তবে আমরা করাতে পেরেছি।
এ জন্য আমার মনে হয় আমার নোবেল পাওয়া উচিত।
চায়নার সরকারি হাসপাতালে আটশো টাকায় ডাক্তার দেখানো এবং তিন হাজার টাকায় টেস্ট করিয়ে ফেলেছি।

আর গতকাল তো মোবাইল হারিয়ে ফেলেছি।
মোবাইলে উইপে, আলীপে, ট্রান্সলেটর, হোয়াটস এপ, রাইড এপস সব। চায়নাতে মোবাইল হারিয়ে ফেলা যেখানে আপনার সব এপস, সব ডিজিটাল পেমেন্ট
আর মজনু হয়ে দিকভ্রান্ত হয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো একই কথা। কেননা আপনি যে হোটেলে যাবেন, কোথাও কিছু কিনে খাবেন, কোন রাইড নিবেন। কিভাবে নিবেন? কোন উপায় নেই। কাউকে বুঝাতেও পারবেন না আপনি আসলে কি করতে চাচ্ছেন। সে এক মহাকাব্য। এদের সব ডিজিটাল।
শুধু কি তাই? আপনি দেশে জানাতেও পারবেন না।কেননা এখানে হোয়াটস এপ, গুগল, জি মেইল, ইয়াহু মেইল, ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার কিছু কাজ করে না।
সেই মোবাইলে রোমিং নেওয়া ছিলো। একমাত্র সেই মোবাইলের মাধ্যমেই যোগাযোগ সম্ভব।

সে এক বিচিত্র, বিশাল অভিজ্ঞতা। পুলিশ স্টেশনে গেলাম।

ট্যাক্সী ক্যাবের ভেতরে মোবাইল ফেলে এসেছি। ক্যাব নাম্বার ও জানিনা। কেননা যেই মোবাইল দিয়ে ট্যাক্সী ডেকেছি সেই মোবাইল হারানো গিয়েছে। সেখানেই সব এপস। পুলিশরাও ইংলিশ বুঝে না। তাদের কাছে ট্রান্সলেটর ও নাই।

অবশেষে মোবাইল পেয়েছি তবে পুলিশের মাধ্যমে না।
পুলিশ কিঞ্চিৎ সাহায্য করেছে। ওদের পুলিশ স্টেশন ও অদ্ভুত।

সেই বিচিত্র অভিজ্ঞতা আবার বলবো। সাত ঘন্টা পর মোবাইল পাওয়া গিয়েছে। বেশ টানটান উত্তেজনা।
এই সাত ঘন্টা আপনি পৃথিবী থেকে এবং আপনার প্রিয়জনদের থেকে বিচ্ছিন্ন।
আপনি চাইলেই কাউকে জানাতে পারবেন না।

মাথা ঠান্ডা রেখে সিচুয়েশন হ্যান্ডেল করা এবং তার থেকে আউটপুট বের করা আসলেই অনন্ত জলিলদের কাজ।

দুইটা নোবেল পাওয়া উচিত আমার।

28/03/2026
অভিভাবক হিসেবে জীবিত থাকা অবস্থায় কিছু কাজ করে যাবেন।১। বাড়ি এই যুগে কখনো বিশাল করে বানাবেন না। বাড়ির থেকে ফ্ল্যাটকে প্র...
26/03/2026

অভিভাবক হিসেবে জীবিত থাকা অবস্থায় কিছু কাজ করে যাবেন।

১। বাড়ি এই যুগে কখনো বিশাল করে বানাবেন না। বাড়ির থেকে ফ্ল্যাটকে প্রাধান্য দিবেন। বিশাল বড় বাড়ি বানাবেন সেই বাড়িতে সবাই একসাথে থাকবে এই চিন্তাধারা থেকে বের হন। কারণ, সন্তানরা বড় হলে সেই বিশাল বড় বাড়ি একটা সময় ভূতের বাড়ি মনে হবে। কেউ চলে যাবে পড়াশোনার খাতিরে দূর দেশে, কেউ চান্স পাবে পাবলিকে, মেয়ের বিয়ে হয়ে যাবে। সবাই একসাথে থাকার জন্য বাড়ি বানালে দেখবেন সন্তানদের মাঝে বড় ডিস্পিউট হবে।

২। পরিবারের কে কি পাবে চুপচাপ তার খসরা বানিয়ে রেখে যাবেন। নইলে আপনি মারা গেলে দেখবেন দাফন থামিয়ে দিয়ে সবাই ভাগাভাগিতে বসবে। সম্পদ বাড়ার সাথে সাথেই খসরা বদলাবেন। সব সময় ভাববেন আজ ই শেষ দিন। এইটা ভেবে খসরা বানিয়ে যাবেন।

৩। ধরেন আপনার চার সন্তান। সম্ভব হলে পাচটা ফ্ল্যাট কিনুন বা বাড়ি বানালেও চারটা ফ্ল্যাট পাশাপাশি কিনুন কিংবা উপরে নিচের ফ্লোরে কিনুন চারটা। সন্তানদের সাথে একত্রে থাকার মেন্টালিটি বাদ দিয়ে দিন। এক ঘরে না থেকে একি ভবনে থাকবেন এইটা করুন। ছেলে বিয়ে দিয়েছেন যার বিয়ে হলো ভদ্রলোকের মত তাকে একটা ফ্ল্যাটে শিফট করে দিবেন। এইভাবে চারজনকে ৪ টা ফ্ল্যাটে শিফট করেন। ভদ্রলোকের মত নিজে ওয়াইফের সাথে পাঁচ নম্বর ফ্ল্যাটে থাকুন। সন্তানদের নিজে থেকে আলাদা করবেন। তাদের যেন বলতে না হয়। এর ফলে কলহ কম হবে। বিবাদ কম হবে। সবার বিয়ে হয়ে গেলেও সুসম্পর্ক থাকবে।

৪। ব্যাংকে যেসব অ্যাসেট আছে সেগুলিও কে কত পাবে এইসবের খসরা বানিয়ে রাখুন।

৫। মনে রাখবেন কেয়ারলেস হলে পরের প্রজন্মদের মাঝে সম্পর্ক নস্ট হবে। তারা ওসবের জন্য শত্রুতে রুপান্তর হবে যা আপনার কস্ট করে বানাবো। তাদের কস্ট করে নয়। তাদের জিরো ইনভেস্টের প্রোপার্টির জন্য শুরু হবে কুরুক্ষেত্র। আমার সন্তানরা এমন হবে না। এইসব মান্ধাতা আমলের চিন্তা থেকে বের হন।

৬। যে সন্তান আলাদা হতে চাইবে এক মিনিটও দেড়ি করবেন না। সাথে সাথে আলাদা করে দিবেন। কাউকে আকড়িয়ে ধরতে চাইবেন না। এইটা ভাববেন না যে সম্পদ নস্ট করবে। যা খুশি তাই করুক। ভদ্রলোকের মত আলাদা করে দিবেন।

৭। অভিভাবক হিসেবে ইমোশনাল হওয়া যাবে না। খুব প্র‍্যাক্টিক্যাল থাকবেন। স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরবেন, ফিরবেন, ভাল পোশাক পরবেন, লাক্সারিতে কাটাবেন। সন্তানদের শুধু উচ্চশিক্ষিত বানাবেন। আয়ু যদি ভাগ্যক্রমে অনেক বেশি হয়ে যায়। শেষ বয়সে সন্তানদের ভরসায় থাকার রিস্ক নিবেন না। ভদ্রলোকের মত নিজের জন্য আর ওয়াইফের প্রচুর ক্যাশ রেখে দিবেন ব্যাংকে। যা সন্তানরা জানবেই না। সন্তানের ভরসায় থাকবেন এই চিন্তা মাথা থেকে ফেলে দিন।

৮। যারা চান না সন্তানরা সম্পদ বিক্রি করে নস্ট করুক তাহলে সম্পদ গুলি একটা ট্রাস্টের আন্ডারে নিয়ে আসবেন। আপনার সন্তানরা ভোগ করতে পারবে কিন্তু বিক্রি করতে পারবে না। নাতি থেকে শুরু করে পরের প্রজন্ম শুধু ভোগ ই করতে পারবে। কেউ বিক্রি করতে পারবে না।

৯। সন্তানদের আঠারো বছর হয়ে গেলে ধীরে ধীরে মুক্ত করে দিন। তাদের অতিসুখে রাখা বন্ধ করে দিন। টিউসন ফি দিবেন আর বলবেন বাকি খরচ আয় করে জোগাড় করো। হার্টলেস ভাবুক যাই ভাবুক করেন। সন্তানদের বিয়ে কেন নিজের খরচে দিবেন? তারা নিজের খরচে বিয়ে করবে। ১৮ হলেই টিউসন ফি বাদে পকেট মানি ধীরে ধীরে বন্ধ করে দিন। এর ফলে কম বয়স থেকেই টাকা কামাই করা শিখবে। এইটা করলেই বুঝে যাবে জীবনের আঠারো বছর বাপ মা কি কি করেছে। নইলে বুঝবে না। যারা কম বয়স থেকে কামাইয়ে নামে দেখবেন বাপ মায়ের প্রতি প্রচুর ভক্তি থাকে। বাস্তবতা বুঝে যায়। ১৮ বছর হয়ে গেলে সন্তানদের জীবনে যা যা ঘটবে এর দ্বায়ভার তাদের। ১৮ হয়ে গেলে অতিরিক্ত বারডেন নেওয়া যাবে না তাদের নিয়ে। যার জীবন তার দ্বায়। ৮ নাম্বার পয়েন্ট খুব কাজে আসে। অমানুষ হলেও সম্পদ নস্ট করতে পারবে না ট্রাস্টের আন্ডারে সব সম্পদ রেখে গেলে। সন্তান জুয়ারি হোক, নেশাবাজ হোক, যা খুশি তাই হোক আপনার সম্পদ নস্ট হবে না। নিজের মেন্টাল হেলথ আগে। টিপিক্যাল অতি আবেগী মা বাবা হওয়া বাদ দেন। আল্লাহ একটা জিনিস বলেছেন উনি ছাড়া কারোর মুখাপেক্ষী না হতে। এইটা সব সময় প্রতিদিন মনে করবেন।

25/03/2026

🇮🇳 চোখ বন্ধ করে কিভাবে চেন্নাই ভেলোর CMC তে ডক্টর দেখাবেন

CHRISTIAN MEDICAL COLLEGE (CMC VELLORE) সম্পূর্ণ গাইড 🇧🇩

🚖 স্টেশনে নামার পর

ভেলোর স্টেশনে নামলে ১৫০–২০০ টাকায় অটো ভাড়া দিয়ে চলে যান গান্ধী রোডে।

এখানেই বেশিরভাগ লজ ও রেসিডেন্সি পাওয়া যায়।

ভালো লজ ৩০০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যায়।

ঘর ছোট, ব্যাগ রাখার জায়গা কম — তাই একটা দড়ি নিয়ে যান জামা-কাপড় ঝোলানোর জন্য।

🏠 কোথায় থাকবেন

• মধ্যবিত্তদের জন্য অনেক ভালো LODGE আছে।

• একটু আরামদায়কভাবে থাকতে চাইলে K.V.S. Chetty Street–এ ভালো RESIDENCY পাবেন।

• প্রতিটি লজেই Common Kitchen আছে — রান্না করা যায়।

• গ্যাস ভাড়া: ১৩০–১৫০ টাকা/কেজি।

• বাসন সেট (হাড়ি, কড়াই, থালা ইত্যাদি): ১২–২০ টাকা প্রতিদিন।

• নিজস্ব চাদর, বালিশের কভার নিয়ে গেলে ভালো হয়।

🍲 খাবার ও বাজার

• রান্না করতে না পারলে CMC OPD Block–এর উল্টো দিকের হোটেলগুলোতে খেতে পারেন।

🍛 জনপ্রিয় হোটেল:

• ব্যার্নাজী হোটেল

• অন্নপূর্ণা হোটেল

• নাগা হোটেল (Punjabi Dhaba গলির ভিতরে)

• গান্ধী রোডের কাছেই আছে সবজি আড়ত, এখানে অন্যান্য জায়গার চেয়ে কম দামে সবজি পাবেন।

🏥 হাসপাতালে প্রবেশ

• Security Guard রা খুব সহযোগিতাপূর্ণ — কোন গেট দিয়ে ঢুকবেন, কোথায় যাবেন সব বলে দেয়।

বাংলাদেশী রোগী হলে ৯০০ বি তে পাসপোর্ট রেজিষ্ট্রেশন করুন।

• প্রথমে যান ISSCC Building–এ।

• ১–৪ নং কাউন্টার থেকে CHRIS CARD করাতে হবে (ID Proof লাগবে)।

• এই কার্ডেই টাকা ভরে রাখবেন — Appointment, Test, ও Medicine কেনা সব কিছু এই কার্ডে হয়।

👨‍⚕️ ডাক্তার দেখা ও টেস্ট বুকিং

• ডাক্তার দেখার পর উনি টেস্ট ও পরবর্তী অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিজেই বুক করে দিতে পারেন, যদি কার্ডে যথেষ্ট টাকা থাকে।

• সকালে ৭–৮টার অ্যাপয়েন্টমেন্ট থাকলে ভোর ৬টার মধ্যে পৌঁছে যান — অনেক লাইন পড়ে।

• ভাগ্য ভালো হলে একই দিনে টেস্ট ও রিপোর্টসহ আবার ডাক্তার দেখানো যায়।

• কার্ডে অব্যবহৃত টাকা ফেরত পাওয়া যায়।

🏨 হাসপাতালে ভর্তি হলে

• রোগীর সঙ্গে রাতে একজন মহিলা থাকা বাধ্যতামূলক (জেনারেল ওয়ার্ডে)।

• পুরুষরা রাত ৮টা পর্যন্ত থাকতে পারেন।

• নিজের জন্য চাদর, কম্বল, এয়ার পিলো নিয়ে যান — হাসপাতাল থেকে দেওয়া হয় না।

• রোগীর খাবারের জন্য প্রতিদিন ২৫০ টাকা (ঐচ্ছিক)।

• অপারেশনের সময় পরিবারের একজনকে রক্ত দিতে হয় বা কিনতে হয়।

• সব রিপোর্ট, এক্স-রে/MRI প্লেট সংগ্রহ করতে ভুলবেন না।

🚆 ক্যান্সার রোগীর জন্য বিশেষ সুবিধা

• ডাক্তারকে বললে Travel Compensation Form পাবেন।এটা শুধু ইন্ডিয়ান রা পায়।

• এই ফর্ম জমা দিয়ে ট্রেনে রুগী ও অ্যাটেনডেন্টের টিকিটে বিশেষ ছাড় পাওয়া যায়।

🌿 টিপস:

চেষ্টা করবেন আগে থেকেই ডাক্তার বুক করে যেতে — সময় বাঁচবে ও ভিড় এড়ানো যাবে।

CMC তে সবাই খুব সহযোগিতাপূর্ণ, একটু ধৈর্য ও পরিকল্পনা রাখলেই সব সহজ হয়ে যায়।

✍️ লেখা: অভিজ্ঞতার আলোকে সাজানো CMC ভেলোর পূর্ণ গাইড

#চেন্নাইভেলোর
CP

Address

Court Hill, Adalot Bhabon
Chittagong
4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইন আপডেট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category