Humayun & Associate's, Ctg

Call Contact the practice

Humayun & Associate's, Ctg Our lawyers work seamlessly across practice areas to assist our clients.

🚨 জমি ও ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশনের নতুন নিয়ম ও উৎস কর (TDS) বিধিমালা ২০২৬! 🚨​গত ০৫ জুলাই, ২০২৬ তারিখে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NB...
07/07/2026

🚨 জমি ও ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশনের নতুন নিয়ম ও উৎস কর (TDS) বিধিমালা ২০২৬! 🚨
​গত ০৫ জুলাই, ২০২৬ তারিখে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) জমি ও ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশনের উৎস করের (TDS) নতুন সংশোধিত বিধিমালা প্রকাশ করেছে, যা ইতিমধ্যে কার্যকর হয়েছে।
​এখন থেকে জমি বা ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি করতে গেলে আগের চেয়ে ভিন্ন হারে উৎস কর (Tax) দিতে হবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী:

02/07/2026

⚖️ দেওয়ানি মামলার প্রকারভেদ, আইনি ভিত্তি, উদাহরণ ও তামাদি

✅ বাটোয়ারা মামলা CPC, 1908; Partition Act, 1893
৩ ভাইয়ের যৌথ জমি ভাগ করা। সাধারণত তামাদি নেই, যৌথ স্বত্ব বহাল থাকলে।

✅ স্বত্ব ঘোষণা মামলা Specific Relief Act, 1877, ধারা 42 জমির প্রকৃত মালিকানা ঘোষণা ৬ বছর (Art.120)

✅ স্বত্ব ঘোষণা ও দখল পুনরুদ্ধার Specific Relief Act + Limitation Act দখলচ্যুত মালিকের জমি ফেরত ১২ বছর (Art.142/144)

✅ ধারা ৯ এর দখল পুনরুদ্ধার Specific Relief Act, ধারা 9 জোরপূর্বক উচ্ছেদ ৬ মাস

✅ বায়না বলবৎ মামলা Specific Relief Act, ধারা 12, 21 বায়নার পর দলিল রেজিস্ট্রি না করা ৩ বছর (Art.113)

✅ দলিল বাতিল Specific Relief Act, ধারা 39 জাল দলিল বাতিল ৩ বছর (Art.91)

✅ দলিল সংশোধন Specific Relief Act, ধারা 31
দাগ নম্বর ভুল লেখা ৩ বছর

✅ অগ্রক্রয় মামলা SAT Act, 1950, ধারা 96 শরিককে না জানিয়ে জমি বিক্রি ২ মাস (বর্তমান আইন অনুযায়ী ক্ষেত্রবিশেষে ভিন্ন হতে পারে)

✅ স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা Specific Relief Act, ধারা 54 জমিতে অবৈধ প্রবেশ বন্ধ ৩ বছর

✅ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা CPC Order ###IX Rule 1-2 মামলা চলাকালে Status Quo মূল মামলার সাথে

✅ উচ্ছেদ মামলা Transfer of Property Act, 1882
ভাড়াটিয়া উচ্ছেদ সাধারণত ১২ বছর

✅ টাকা আদায়ের মামলা Contract Act, 1872
ধার দেওয়া টাকা ফেরত না পাওয়া ৩ বছর

✅ ক্ষতিপূরণ মামলা Law of Torts গাড়ি দুর্ঘটনায় ক্ষতি
১-৩ বছর

✅ হিসাব গ্রহণ মামলা CPC ব্যবসার হিসাব চাওয়া
৩ বছর

✅ সুখাধিকার মামলা Easements Act, 1882
চলাচলের রাস্তা বন্ধ অধিকারভেদে ২-২০ বছর

✅ বন্ধক মোচন Transfer of Property Act, ধারা 60
বন্ধকী জমি ফেরত ৩০ বছর

✅ বন্ধক কার্যকর Transfer of Property Act ঋণ আদায়ে বন্ধক বিক্রি ১২ বছর

✅ চুক্তিভঙ্গ মামলা Contract Act, 1872 নির্মাণ কাজ অসম্পূর্ণ ৩ বছর

✅ উত্তরাধিকার স্বত্ব Succession Laws ওয়ারিশানা অংশ দাবি ৬ বছর (প্রকৃতিভেদে)

✅ ঘোষণামূলক ও নিষেধাজ্ঞা Specific Relief Act
স্বত্ব ঘোষণা + প্রবেশ নিষেধ ৬ বছর

✅ ট্রাস্ট মামলা Trusts Act ট্রাস্ট সম্পত্তি অপব্যবহার
প্রকৃতিভেদে

✅ ওয়াকফ মামলা Waqf Ordinance
ওয়াকফ সম্পত্তি রক্ষা -প্রকৃতিভেদে

✅ ভোগদখল সংক্রান্ত মামলা Limitation Act
দীর্ঘদিনের দখল রক্ষা ১২ বছর

✅ পার্টনারশিপ হিসাব Partnership Act
ব্যবসার লাভের হিসাব-৩ বছর

✅ প্রতারণাজনিত দলিল বাতিল Specific Relief Act
জাল পাওয়ার অব অ্যাটর্নি -জালিয়াতি জানার তারিখ থেকে ৩ বছর

📖 কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারা যা প্রায়ই আদালতে ব্যবহৃত হয়

✅ CPC, 1908
ধারা 9 → দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ার
Order 7 Rule 11 → Plaint Reject
Order 39 Rule 1-2 → Temporary Injunction
Order 41 → Appeal

✅ Specific Relief Act, 1877
ধারা 9 → Possession Recovery
ধারা 42 → Declaration
ধারা 39 → Cancellation of Instrument
ধারা 31 → Rectification
ধারা 54 → Permanent Injunction

✅ Transfer of Property Act, 1882
ধারা 54 → Sale
ধারা 58 → Mortgage
ধারা 60 → Redemption
ধারা 105 → Lease

✅ State Acquisition and Tenancy Act, 1950
ধারা 96 → Pre-emption

🎯 বার কাউন্সিল ও জুডিশিয়ারি পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ
১. Specific Relief Act, ধারা 9 মামলা = ৬ মাসের মধ্যে। ২. বায়না বলবৎ মামলা = ৩ বছর।
৩. দলিল বাতিল মামলা = ৩ বছর।
৪. দখল পুনরুদ্ধার = ১২ বছর।
৫. বন্ধক মোচন = ৩০ বছর।
৬. Pre-emption = SAT Act, ধারা 96।
৭. স্বত্ব ঘোষণা = ধারা 42, Specific Relief Act।
৮. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা = ধারা 54, Specific Relief Act।

সংগৃহীত

১) ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক ২) এভারকেয়ার হাসপাতাল৩) চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন হাসপাতাল৪) এপিক হেলথ কেয়ারএই ৪ টি হাসপাতালে চট্টগ...
09/06/2026

১) ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক
২) এভারকেয়ার হাসপাতাল
৩) চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন হাসপাতাল
৪) এপিক হেলথ কেয়ার
এই ৪ টি হাসপাতালে চট্টগ্রামের আইনজীবীদের ডিসকাউন্ট এর ব্যবস্থা আছে।

24/05/2026

আইন শিক্ষার্থী ও নবীন আইনজীবীদের জন্য মাস্টরিড বইয়ের আংশিক (১০টির) তালিকা।

১/ আমেরিকান আইনজীবী " #কেইথ_ইভান্স"এর 'কমন সেন্স-রুলস অব এডভোকেসি"।
(শর্ট রিভিউ- আদালতে টেকনিক্যাল সাবমিশনের জন্য ইন্টারন্যাশনালি ম‍্যাজিকেল টাইপের একটা বই)

২ ) জাস্টিস হামিদুল হকের- Trail of Civil Suits and Criminal Cases ( #বিচার_প্রক্রিয়া)
( হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ যেভাবে কেটেকুটে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদেরকে শিখানো হয় এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করা হয় এই বইটা আইনজীবী ও আইন শিক্ষার্থীদের প্র‍্যাকটিক‍্যাল ক‍্যারিয়ারের জন্য ঠিক সেই রকম একটা বই)

৩)জীবরুল হাসানের- #ক্রিমিনাল_কেস_রেফারেন্স।
( আইন অঙ্গনের শীর্ষস্থানীয় ক্রিমিনাল ট্রায়াল আইনজীবী-আমিনুল গণী টিটো স‍্যার বলেছিলেন মাথার মধ্যে যত বেশি কেস রেফারেন্স এবং ডিসিশন থাকবে সাবমিশন এবং শুনানি ততো বেশি স্মার্টলি, কনভিনেন্সিং ওয়েতে এবং কনফিডেন্টলি দেয়া যাবে, আর টপিক ভিত্তিক সেই কেস রেফারেন্সের জন্য এটি অন্যতম সেরা একটি বই।

৪) স্যার আর্থার কোনান ডয়েল এর " #শার্লক_হোমস রচনা সমগ্র।
( একটা মক্কেল অথবা মানুষ আপনার সামনে আসলো তার শারীরিক গঠন; প্রকৃতি; আচরণ, কথাবার্তা ইত্যাদি বিচার-বিশ্লেষণ এবং scrutinize করে ঐ লোকটা সম্পর্কে আপনি একটা স্বচ্ছ কাঁচের মতো ধারণা নিতে পারবেন যদি শার্লক হোমসের বিজ্ঞানভিত্তিক সূত্রগুলো প্রয়োগ করা শিখতে পারেন)

৫) বাংলা একাডেমির, োষ।
( অনেক এডভোকেট আছে যারা অনেক বছর ওকালতি করেন কিন্তু আইন অঙ্গনের অনেক র্টাম গুলো ঠিকমতো জানার সুযোগ পায় না, আইনের যত প্রয়োজনীয় টার্ম আছে তার অধিকাংশ এই বইতে রয়েছে)

০৬) #বিচারক_জীবনের_স্মৃতিচারণ, ( গাজী শামছুর রহমান )
গাজী শামছুর রহমানকে আমার আইন অঙ্গনের জীবনানন্দ দাসের সাথে তুলনা করতে ইচ্ছে করে, উনার বইতে দক্ষ লিখনী এবং বিচারক ও আইনজীবীদের প্র্যাকটিসের বাস্তব জীবন সম্পর্কে একটা স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যায়।

০৭) ানারে-মণিশংকর মুখোপাধ্যায় (শংকর)
বইটা যখন অনার্স ফার্স্ট ইয়ারে পড়েছিলাম তখন কল্পনার রাজ্যের আকাশে আইন অঙ্গন নিয়ে অনেক ঘুড়ি উড়াইতাম। আর সেটা এখন প্র‍্যাকটিস জীবনে বাস্তব ক্ষেত্রে হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। ওভারঅল এক কথায় বলতে গেলে আইন অঙ্গনের কল্পনার রাজ্যের জন্য মাস্টার পিস একটা বই

০৮) #ড্রাফটিং_এন্ড_কনভেয়ন্সিং এর জন্য , বিচারক #সাউদ_হাসানের বইটা।
( যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, সাউথ হাসান সাহেব বিভিন্ন জজ কোর্টের সেরা সেরা আইনজীবীদের ড্রাফটিং গুলো উনি সংগ্রহ করে বাদী-বিবাদীর নাম পরিবর্তন করে দিয়ে এই বইটি তৈরি করেছেন।
যেটা একদম হাতে কলমে বাস্তব ড্রাফটিংগুলো এই বইতে সহজ আকারে তুলে ধরা হয়েছে)

০৯) ক্লায়েন্ট এন্ড পিপলস কে কনভেন্সিং করার জন্য - #ডেল_কার্নেগীর_রচনাসমগ্র।
(তর্ক করে হয়তো একটা বিতর্ক প্রতিযোগিতায় জিতা যায় কিন্তু কাউকে সম্মান করে এবং ভালোবেসে বিশ্ব জয় করা যায়। শত কোটি মানুষের মাঝে আপনি অন্যের হৃদয়ে স্থান করে নিতে হলে আপনাকে ব্যতিক্রমিক আচরণের অধিকারী অবশ্যই হতে হবে আর যত ম্যাজিক্যাল টেকনিকগুলো এই বইতেই জালের মতো পাতানো রয়েছে।

১০) A Broken Dream ( #ব্রোকেন_ড্রীম) সাবেক প্রধান বিচারপতি S.K Sinha ( সুরেন্দ্র কুমার সিনহা)
( আইনজীবী এবং বিচারক জীবনে উত্থান-পতন চড়াই- উত্‍রাই, ঘাত-প্রতিঘাত অনেক কিছু আসবে বাট টিকে থাকতে হবে, সুরেন্দ্র কুমার সিনহা যখন সিলেট কোর্টে প্র্যাকটিসের জন্য সিনিয়রের কাছে গিয়েছিলেন প্রথম দুই/এক মাস সিনিয়র তাকে বারান্দার রুমে বসিয়ে রাখতেন, পাত্তাই দিতেন না, একদিন বৃষ্টির সময় তার সিনিয়রের মূল এসোসিয়েট যখন আসে নাই তখন এসকে সিনাহকে ভিতরে ডেকে নিয়ে কোন একটা দায়িত্ব দিয়েছিল তারপর এসকে সিনহার যোগ্যতা আস্তে আস্তে সিনিয়র এর কাছে প্রকাশ পেতে থাকে, কালের বিবর্তনের সময়ের পরিবর্তনে আইন অঙ্গনে সর্বোচ্চ ব্যক্তি হয়েছিলেন)

24/05/2026

#আজকেই_ফাঁসি_চান_তো_শুনুন_তবে

১। ঘটনা
২। সুরতহাল প্রতিবেদন
৩। মামলা দায়ের
৪। আসামী গ্রেপ্তার
৫। আসামীর দোষস্বীকার (১৬৪)
৬। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন
৭। ডিএনএ প্রতিবেদন
৮। ঘটনাস্থল পরিদর্শন
৯। আলামত
১০। জব্দ-তালিকা
১১। খসড়া মানচিত্র
১২। খসড়া মানচিত্রের সূচি
১৩। খসড়া মানচিত্রের সূচির ব্যাখ্যা
১৪। ১৬১ ধারার জবানবন্দি
১৫। ১৭০ ধারার মুচলেকা
১৬। পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন
==
১৭। আমলে গ্রহণ
১৮। চার্জ গঠন
১৯। সাক্ষীর জবানবন্দি
২০। সাক্ষীর জেরা
২১। যুক্তিতর্ক
২২। সাজার রায়
==
২৩। হাইকোর্টে আপীল
২৪। হাইকোর্টে শুনানি
২৫। হাইকোর্টের রায়ে সাজা বহাল
==
২৬। আপীল বিভাগে আপীল
২৭। আপীল বিভাগে শুনানি
২৮। আপীল বিভাগের রায়ে সাজা বহাল
==
২৯। আপীল বিভাগে রিভিউ
৩০। আপীল বিভাগে রিভিউ'র শুনানি
৩১। আপীল বিভাগে রিভিউ'র রায়ে সাজা বহাল
==
৩২। রাষ্ট্রপতির নিকট সাজা মওকুফের প্রার্থনা
৩৩। রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মওকুফের প্রার্থনা নামঞ্জুর
==
৩৪। এরপর, হ্যাঁ এরপরই কেবল রায় কার্যকর।

সংগৃহীত

10/03/2026

গেছিলাম কাপড় কিনতে... পছন্দ করে দাম দেওয়ার সময় দেখি দামের সাথে ১৫% ভ্যাট যোগ করেছে।
সাথে সাথে ধরলাম, এই ভ্যাট কিসের?
- এটা সরকারকে দিতে হয়।
- ঠিক আছে। আপনাদের ভ্যাট নাম্বার কত?
একটা নাম্বার দেখাল লোকটা।
এবার আমি বললাম, মুসক ১১ ফর্ম অর্থাৎ ভ্যাট চালান দেন।
সেলসম্যান অবাক।
আবার বললাম, কি হল? আমি সরকারকে ভ্যাট দিচ্ছি, আর সরকার আমাকে এর রিসিপ্ট দিবে না? যান, নীল রঙয়ের ভ্যাট চালানটি নিয়ে আসুন।
এরপর সে তাদের বসকে ডাকল। তিনি এসে,
- কি সমস্যা ভাই?
- সমস্যা তো আপনার। মুসক বিধিমালা ২০১২ অনুযায়ী আমি আপনার মাধ্যমে সরকারকে ভ্যাট দিলাম, আর আপনি আমাকে চালানের কাগজ তো দিলেন না।
- এটা তো নাই আমাদের কাছে।
- নাই মানে? তাহলে কোন আইনে আপনি আমার কাছে ভ্যাট আদায় করলেন? আপনার বিরুদ্ধে তো ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
লোকটি চুপ। পরে ১৫% ভ্যাট ছাড়াই কাপড় দিল।
শুধু এটি নয় হাজার হাজার শপ, রেস্টুরেন্ট, হোটেল ইত্যাদি এভাবে ভ্যাটের নামে অর্থ আত্মসাৎ করছে। আর সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকা নিজেদের পকেটে ঢুকাচ্ছে।
নিয়ম হল, যখনি কেউ আপনার বিলে ভ্যাট হিসেবে টাকা কেটে নিবে, সাথে সাথে সে আপনাকে একটি চালানের সরকারি কাগজ (নীল রঙয়ের) দিয়ে দিব। আপনি যে সরকারকে ভ্যাট দিলেন, আর সরকার যে বুঝিয়ে পেল সেটার প্রমাণ এটি। ভ্যাট নিবন্ধিত প্রত্যেক দোকান বা রেস্টুরেন্টে এই সরকারি কাগজ থাকে।
অনেক সময় শুধু প্রিন্ট করা বিল আমাদের দেয় যেখানে ভ্যাটের টাকার পরিমাণও উল্লেখ থাকে... কিন্তু এটি ভ্যাটের সরকারি কাগজ নয়। নীল রঙয়ের চালান কাগজটিই হল ভ্যাটের কাগজ।
কেউ যদি প্রিন্টেড বিলে ভ্যাট নিয়ে আলাদাভাবে এই চালান কাগজ না দেয়, তাহলে বুঝবেন সেই টাকা সেই প্রতিষ্ঠান নিজের পকেটে ঢুকালো, অথচ আপনি সরকারকে ঠিকই ভ্যাট দিলেন। খাবার রেস্টুরেন্টগুলোতে এই দুই নম্বরি কাজগুলো বেশি করে।
আবার অনেক প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন নাম্বারই নেই, তারাও অযথা ভ্যাটের নামে টাকা আদায় করে।
কেউ চালান কাগজ দিতে অস্বীকার করলে, তাকে আইনের কথা উল্লেখ করে আর ভ্যাট দিবেন না। বেশি তেড়িবেড়ি করলে এনবিআরে সরাসরি ফোন (16555) দিয়ে অভিযোগ করবেন।
আমরা কষ্টের ইনকামের টাকা থেকে প্রতিনিয়ত সরকারকে ভ্যাট দিচ্ছি কিন্তু সে টাকা সরকার পর্যন্ত যাচ্ছেই না, কারণ বেশিরভাগ লোকই এটা জানে না...আর এই সুযোগে এসব দুষ্ট লোকগুলো সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকা মেরে দিচ্ছে চোখের সামনে।
সংগৃহীত
[[শেয়ার করুন, নিজে তো জানলেন, বন্ধুদেরও জানিয়ে দিন।। ]]

18/02/2026

#চেকের #মামলা #কাঁধে #নিয়ে #বিদেশ #পালানোর #দিন #শেষ
# # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # #
চেকের মামলা চলাকালীন আসামি বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারির আইনি ভিত্তি রয়েছে। বাংলাদেশের উচ্চ আদালত বিভিন্ন সময়ে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন যে, যদি আদালত মনে করেন কোনো আসামি বিচার এড়াতে বা মামলা বাধাগ্রস্ত করতে দেশত্যাগ করতে পারেন, তবে আদালত তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন। ২০২১ সালে হাইকোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণে জানান যে, ঋণখেলাপি বা চেকের মামলার আসামিরা যাতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে বিচার প্রক্রিয়াকে অকার্যকর করতে না পারে, সেজন্য আদালত প্রয়োজনে তাদের পাসপোর্ট জব্দ বা বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন। কাজেই চেকের মামলা একটি বিশেষ আইন হলেও বিচার সুনিশ্চিত করতে, বাদীর পাওনা আদায়ের পথ সুগম করতে বিচারিক আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১এ ধারা মতে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করে আসামীর বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন।

এছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ও ৪৯৯ ধারামতে আসামি যখন জামিন পান, তখন তিনি আদালতের অনুমতি ছাড়া এলাকা বা দেশ ত্যাগ করবেন নাএমন একটি সুপ্ত শর্ত থাকে। ফলে আসামির জামিনের শর্ত হিসেবে তার পাসপোর্ট জমা রাখা অথবা তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া বিষয়ে বাদী পক্ষ আবেদন করতে পারেন। যাতে আসামী জামিনের অপব্যবহার করে পালিয়ে যেতে না পারেন।

এ বিষয়ে আপিল বিভাগের একটি দারুন সিদ্ধান্ত রয়েছে। "দুদক বনাম আতাউর রহমান এবং অন্যান্য", যা ৭৩ ডিএলআর ৩৬৬ পৃষ্ঠায় আদালতের পর্যবেক্ষণে বলেন যে, যদি কোনো ব্যক্তি বা আসামির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলমান থাকে এবং আদালতের কাছে যদি প্রতীয়মান হয় যে আসামি "বিচারের হাত থেকে বাঁচতে বা বিচার প্রক্রিয়া এড়াতে" বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন, তবে সংশ্লিষ্ট আদালত সেই আসামির বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারবেন।

এছাড়া আসামি যদি জামিন নিয়ে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তবে আদালত তার জামিন বাতিল করতে পারেন অথবা তাকে দেশত্যাগে বাধা দেওয়ার জন্য তার পাসপোর্ট জমা রাখার নির্দেশ দিতে পারেন। ৪৩ ডিএলআর (এইচসিডি) ৪৪৬।

সংবিধান নাগরিকের চলাফেরার স্বাধীনতা দিলেও, যদি কোনো আইনি প্রক্রিয়া বা ফৌজদারি মামলা চলমান থাকে, তবে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আইনানুগভাবে সেই স্বাধীনতায় যৌক্তিক বিধিনিষেধ আরোপ করা সম্ভব। অর্থাৎ, মামলার স্বার্থে আদালত বিদেশ গমনে বাধা দিতে পারেন। সংবিধানের ৩৬ অনুচ্ছেদ (চলাফেরার স্বাধীনতা) বনাম ন্যায়বিচার (৭০ ডিএলআর (এইচসিডি) ৪৮)

আদালত তার প্রক্রিয়া অপব্যবহার রোধ করতে যেকোনো প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন। যদি আসামি বিদেশে চলে গেলে ট্রায়াল অকার্যকর হয়ে যায়, তবে ৫৬১এ ধারার আওতায় আদালত তাকে দেশত্যাগে বাঁধা দিতে পারেন। ৫১ ডিএলআর (এডি) ২৪২।

যিনি চেকের মামলাটি দায়ের করেছেন, তিনিই প্রধান ব্যক্তি যিনি আসামীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে বিচারিক আদালতে তার মনোনীত আইনজীবীর মাধ্যমে এই আবেদন করতে পারেন। মামলার শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) বাদীর আবেদনের সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরতে পারেন।

যদি মূল বাদী কোনো কারণে আদালতে উপস্থিত থাকতে না পারেন বা দেশের বাইরে থাকেন, তবে তার মনোনীত আইনি প্রতিনিধি বা আমমোক্তার বাদীর পক্ষে এই আবেদন দাখিল করতে পারেন।

তবে ফৌজদারি মামলায় বাদী তার নিযুক্ত আইনজীবীর মাধ্যমে যেকোনো আবেদন দাখিল করতে পারেন। এই ধরনের আবেদন বাদীর স্বাক্ষরযুক্ত হলে এবং আইনজীবী তা পেশ করলে আদালত তা গ্রহণ করে থাকেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির আওতায় মামলার যেকোনো পর্যায়ে বাদী বা বিবাদী তাদের নিযুক্ত আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন পেশ করতে পারেন। যদি আদালত বিশেষ কোনো কারণে (যেমন সাক্ষ্য গ্রহণ) সমন জারি না করেন, তবে বাদীর শারীরিক উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়। (৫৫ ডিএলআর ৩৪৪)

আসামির আইনজীবী যদি প্রমাণ করতে পারেন যে আসামি পালিয়ে যাচ্ছেন, তবে বাদীর অনুপস্থিতিতেও আদেশ দেওয়া সম্ভব। (৭৩ ডিএলআর (এডি) ৩৬৬)

তবে আবেদনের সাথে আসামীর বিদেশ যাওয়ার টিকিট কাটা, ভিসা করা বা সম্পত্তি বিক্রি করার তথ্য, চ্যাট, ইমেইল কিংবা আরও সম্ভাবনাময় কোন তথ্য থাকলে সেগুলো দিতে হবে। সেইসাথে আবেদনে নির্দিষ্টভাবে বলতে হবে যে, আসামির পাসপোর্ট জব্দ করা হোক এবং ইমিগ্রেশন পুলিশকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ পাঠানো হোক।

এছাড়া বাংলাদেশ পাসপোর্ট আদেশ, ১৯৭৩ এর ধারা ৭(১)(ব) অনুযায়ী যদি কোনো আদালত কারো বিদেশ গমন নিষিদ্ধ করেন, তাহলে পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষ পাসপোর্ট জব্দ বা বাতিল করতে পারে।

বাদীপক্ষের আবেদনের মূল যুক্তিগুলো হতে পারে:
১। আসামি ইতিপূর্বে জামিন নিয়েছেন এবং বর্তমানে জামিনের অপব্যবহার করে স্থায়ীভাবে দেশত্যাগের পরিকল্পনা করছেন।
২। আসামি বিদেশে চলে গেলে মামলার বিচার প্রক্রিয়া ও রায় বাস্তবায়ন অসম্ভব হয়ে পড়বে, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
৩। তাই ন্যায়বিচারের স্বার্থে আসামির পাসপোর্ট জব্দ এবং বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা একান্ত প্রয়োজন।
৪। আইন, পারিপার্শ্বিকতা, উচ্চ আদালতের নজিরের ভিত্তিতে আসামির বিদেশ গমনে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা বা পাসপোর্ট জমা রাখার আদেশ দিতে পারেন।
( সংগৃহীত পোষ্ট)

Address

Room No # 3025 (3rd Floor), Ainjibi Annex Bhaban-2, Court Hill
Chittagong

Telephone

+8801711112011

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Humayun & Associate's, Ctg posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Humayun & Associate's, Ctg:

Shortcuts

Share