Law School Network

Law School Network আইন সহায়তা কেন্দ্র, চট্টগ্রাম।

গুরু মারা বিদ্যা!!টেকনিক অফ ক্রিমিনাল ট্রায়াল কিংবা সিভিল ট্রায়াল অথবা অন্য যেকোনো ট্রায়াল ওয়ার্কশপ এর যোগ দিলে আপনি...
02/12/2025

গুরু মারা বিদ্যা!!

টেকনিক অফ ক্রিমিনাল ট্রায়াল কিংবা সিভিল ট্রায়াল অথবা অন্য যেকোনো ট্রায়াল ওয়ার্কশপ এর যোগ দিলে আপনি একটা ক্রিমিনাল মামলার অথবা সিভিল মামলার পরিচালনার যাবতীয় দক্ষতা অর্জন করবেন আর এটা যদি আপনি ছাত্র অবস্থায় কিংবা প্রফেশনে যোগ দেয়ার পর পরই শিখেন তাহলে আর আদালতে গিয়ে কোন মুহুরীকে ভাই ডেকে কাকুতি মিনতি করে তার কাছ থেকে কিছু শিখতে হবে না আর যখনই আপনি আপনার অধস্তনও কোন ব্যক্তির কাছ থেকে শিখবেন তখনই আপনার মর্যাদা হানি হবে। তখন আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের এত বড় ডিগ্রি কিংবা বার এড ল ডিগ্রি সব পানিতে পড়বে।

একইভাবে, যদি আপনি শুধুমাত্র সিনিয়র আপনাকে শেখাবে এই ভরসায় থাকেন তাহলে অন্তত ১৫ বছর ব্যয় হবে তারপর মনে হবে যে আপনি কিছু শিখলেন না। কেননা, প্রত্যেক সিনিয়র এর ট্রেড সিক্রেট আছে। তিনি অনেক কষ্ট করে শিখেছেন এত সহজে আপনাকে দিতে চাইবেন না।
মনে রাখবেন কেউ কাকে এই পেশায় শেখাতে চায় না অনেক কষ্টের শেখা এবং শিখতে হয়। কারণ এটা গুরুমুখী বিদ্যা। আর গুরু কখনোই নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী তৈরি করার জন্য উজাড় করে আপনাকে শেখাবেন না অর্থাৎ গুরু মারা বিদ্যা আপনাকে দিবেন না। আইনজীবীগন প্রত্যেকেই প্রত্যেকের সুপ্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। যিনি এত কষ্ট করে ওকালতি পেশায় দক্ষতা অর্জন করেছেন এত সহজে অর্জিত সেই বিদ্যা কেন আপনাকে দেবে? যুক্তি কি? যেখানে আপনি তার প্রতিদ্বন্দ্বী।

বার কাউন্সিল প্রিলি প্রস্তুতিবাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী তালিকাভুক্তির জন্য ২৯ নভেম্বর পূর্বনির্ধারিত এনরোলমেন্ট এমসি...
01/12/2025

বার কাউন্সিল প্রিলি প্রস্তুতি

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী তালিকাভুক্তির জন্য ২৯ নভেম্বর পূর্বনির্ধারিত এনরোলমেন্ট এমসিকিউ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এ পরীক্ষার তারিখ পরবর্তী সময়ে জানানো হবে। বার কাউন্সিলের প্রিলি পরীক্ষা নতুন আইনজীবীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং পেশাগত জীবনের ভিত্তি গড়ার সুবর্ণ সুযোগ। পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন আইনগ্রন্থ প্রণেতা ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মেহেদী হাসান। তাঁর কথাগুলো শুনে লিখেছেন শাহ বিলিয়া জুলফিকার।

বার কাউন্সিল পরীক্ষার সিলেবাস

প্রিলি এবং লিখিত পরীক্ষায় ৭টি আইনের ওপর বার কাউন্সিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। সেগুলো হচ্ছে:

১. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮।

২. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭।

৩. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮।

৪. দণ্ডবিধি, ১৮৬০।

৫. সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২।

৬. তামাদি আইন, ১৯০৮ ও

৭. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল

আদেশ ও বিধিমালা, ১৯৭২।

Bangladesh Judicial Service Commission

প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মানবণ্টন

বার কাউন্সিল প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পূর্ণমান ১০০ এবং পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা। মোট সাতটি বিষয়ে বণ্টিত প্রশ্ন থেকে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ থেকে ২০টি, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭থেকে ১০টি এবং ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ থেকে ২০টি প্রশ্ন থাকে। পাশাপাশি দণ্ডবিধি, ১৮৬০ থেকে ২০টি, সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ থেকে ১৫টি এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ থেকে ১০টি প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া পেশাগত আচরণ, বার কাউন্সিল রুলস এবং লিগ্যাল ডিসিশন থেকে আরও ৫টি প্রশ্ন নির্ধারিত রয়েছে।

প্রিলি পাস করতে লক্ষণীয় বিষয়

বার কাউন্সিল পরীক্ষার তিনটি ধাপের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন ও প্রতিযোগিতামূলক ধাপ হলো প্রিলিমিনারি পরীক্ষা, যা আইন শিক্ষার্থীদের জন্য এক কঠিন পরীক্ষা হিসেবে পরিচিত। এ পরীক্ষার পূর্ণমান ১০০, যেখানে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য প্রয়োজন ৫০ মার্কস, তবে বাস্তবে পাসের হার মাত্র ২০ থেকে ৩০ শতাংশ, যা নির্দেশ করে যে প্রতিযোগিতা অত্যন্ত তীব্র। এত কমসংখ্যক পরীক্ষার্থী পাস করতে পারার পেছনে প্রধান কারণ হলো পরীক্ষার্থীদের ধারাবাহিকভাবে নিয়মিত, সঠিকভাবে এবং একটানা অধ্যয়ন না করা, মূল আইন চর্চা এড়িয়ে শর্টকাটে পাস করার চেষ্টা করা। তাই ধারাবাহিক অধ্যয়ন ছাড়া প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় সফল হওয়া অত্যন্ত কঠিন।

বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য ৬টি আইনের

গুরুত্বপূর্ণ সাজেশন

১। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭

ধারা: ৫০০, ৮০, ১০, ১২, ২১, ২১ ক, ২২, ২৭ক, ২৮, ৩১, ৩৫, ৩৯, ৪২, ৫২, ৫৩, ৫৪, ৫৫, ৫৬, ৫৭

২। ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮

ধারা: ৪, ৬, ৭, ৯-১২০, ১৬-১৭ ক, ২৯ ক, ৩১-৩৩ ক, ৪৬ ক, ৫৪-৫৯, ৬০০, ৬১, ৯৯০-৯৯৭, ১০০, ১০৬-১১০০, ১৪৪-১৪৬, ১৪৮, ১৫৪-১৫৮, ১৬১-১৬৪, ১৬৭, ১৬৭০, ১৭২, ১৭৩, ১৭৩ ক, ১৭৩ খ, ১৯৩৪, ২০০-২০৫ ঘ, ২২১-২৩২, ২৪১-২৫০, ৩৩৯ খ, ৪০১-৪০২ ক, ৪০৩, ৪০৪-৪৩১৯৪৪, ৪৩৫, ৪৩৯, ৪৩৯ ক, ৪৪২ ক, ৪৯১, ৪৯২, ৪৯৬, ৪৯৭, ৪৯৮, ৫০২, ৫২২, ৫২৫ ক, ৫২৬, ৫২৬ খ, ৫২৮, ৫৩৯ খ, ৫৬১ ক

৩। দণ্ডবিধি, ১৮৬০

BJSC

ধারা: ৩৪-৩৮, ৫৩-৫৫ ক, ৬৩৭০, ৭৬-১০৬, ১০৭-১০৯, ১২০ ক-১২০ খ, ১৪১, ১৫২, ১৯১, ২১৬ ক, ২৯৯-৩০৭, ৩১৯-৩৩৮ ক, ৩৩৯, ৩৪৪, ৩৩৯, ৩৫৫, ৩৫৯-৩৬৪ ক, ৩৭৮-৩৮২, ৩৮৩-৩৮৪, ৩৯০, ৩৯৫, ৩৯৬, ৪০৩-৪১২, ৪১৫-৪২০, ৪২৫-৪২৬, ৪৪১-৪৪৭, ৪৬৩-৪৬৯, ৪৯৭, ৪৯৯-৫০০, ৫০০, ৫০৬, ৫১১

৪। সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২

ধারা: ৩-১১০, ২২০, ১৭-৩১, ৩২, ৪০, ৪১, ৪৫, ৫২-৫৫, ৫৫-৫৮, ৫৯, ৬০, ৬১-৬৫, ৬৭৩, ৭৪-৭৬, ৭৯-৯০০, ১০১-১১২, ১১৫, ১১৮-১২৬, ১৩৩, ১৩৪, ১৩৭-১৪৩০, ১৬৫, ১৬৭

৫। তামাদি আইন, ১৯০৮

ধারা: ৩৬, ৪, ৫, ৬, ৭০৬, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২২, ২৩, ২৪, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯

৬। দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮

ধারা: ২, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৫০, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২২, ২৩, ২৪, ২৬, ৩১, ৩২, ৪২, ৪৮, ৫৫, ৭৪, ৭৫, ৮৯ ক-৮৯ গ, ৯৬, ৯৭, ১০৪, ১০৭, ১১৩০, ১১৪০, ১১৫, ১৪৪, ১৫১, ১৫২, ১৫৩

আদেশ: ১, ২, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১২, ১৪, ১৭, ২০, ২১, ২২, ২৩, ২৬, ৩৮, ৩৯, ৪১

মূল আইনের পাশাপাশি যা পড়তে হবে

মূল আইন পড়লেই প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় সফল হওয়া সম্ভব নয়। অনেক পরীক্ষার্থী মূল আইন পড়লেও বিগত সালের প্রশ্ন প্যাটার্ন বোঝার অভাবে বা মূল আইনের জটিল উপস্থাপনার কারণে আইনটি সঠিকভাবে বুঝতে পারেন না। তাই মূল আইনের পাশাপাশি একটি গাইডবই রাখা অত্যন্ত জরুরি। যেখানে আইনগুলোকে সহজ, সাবলীল এবং প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে। গাইডবইয়ে বিগত বছরের বার কাউন্সিল এবং জুডিশিয়ারির প্রশ্নও দেওয়া থাকে।

এটি পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে সহায়ক
#সংগৃহীত

মুসলিম আইনের ফারায়েজ, যারা কেবল সদ্য ফারায়েজ শিখতেছেন, তাদের এই ৭ পেইজেই অনেক হেল্প করবে।  ভুল ত্রুটি হইলে ধরিয়ে দিবেন৷ ...
19/11/2025

মুসলিম আইনের ফারায়েজ, যারা কেবল সদ্য ফারায়েজ শিখতেছেন, তাদের এই ৭ পেইজেই অনেক হেল্প করবে। ভুল ত্রুটি হইলে ধরিয়ে দিবেন৷ কজ আমি রিভিশান দিই নাই। ফায়ারেজ এক্সপার্টরা ভুল ধরিয়ে দিবেন। ধন্যবাদ।।

12/11/2025


জেনে নিন সম্পূর্ণ সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ একনজরে....
The Evidence Act,1872
সাক্ষ্য আইন,১৮৭২ যে আইনে প্রায় সবগুলো ধারা বা সংশ্লিষ্ট বিষয়বস্তু জেনে নেওয়া ও অনুশীলন করা প্রয়োজন কিন্তু কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়বস্তু রয়েছে যেগুলো কোনভাবেই বাদ দেওয়া উচিত নয় এবং সেসব ধারা ও বিষয়বস্তুর উপর বিস্তারিত খুব ভালোভাবে পড়াশুনার মাধ্যমে এবং অবশ্যই বুঝে পড়ার মাধ্যমে প্রস্তুতি সম্পন্ন করা অনেক বেশি প্রয়োজনীয় বা বাধ্যতামূলক বললেই চলে।

১) সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ সালের ১ নং আইন।
২) সাক্ষ্য আইন পাশ হয় ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ।
৩) সাক্ষ্য আইন কার্যকর হয় ১৮৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর থেকে।
৪) সাক্ষ্য আইন পদ্ধতিগত আইন।
৫) সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করেন স্যার জেমস স্টিফেন।
৬) সাক্ষ্য আইনের মোট ধারা ১৬৭টি।
৭) মোট অংশ ৩টি
৮) মোট অধ্যায় ১১টি।
৯) সাক্ষ্য আইনের ৩ধারা অনুসারে সাক্ষ্য বলতে বুঝানো হয়েছে, বিচার কার্যের জন্য কোন বিষয় সম্পর্কে, সাক্ষির যে বিবৃতি প্রদান করার জন্য বা যে সকল দলিল আদালতে উপস্থাপন করার জন্য, আদালত অনুমতি প্রদান করে তাকেই বুঝানো হয়েছে। সাক্ষ্য প্রধানত দু প্রকার, যথাঃ
ক) মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence)
খ) দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary Evidence)

ধারাঃ ১- সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।
ধারাঃ ৩-ব্যাখ্যা অনুচ্ছেদ (Interpretation Clause )- ঘটনা, প্রাসঙ্গিক বিষয়, বিচার্য বিশয়/ঘটনা, দলিল,
সাক্ষ্য, প্রমানিত, মিথ্যা প্রমানিত, প্রমানিত নয়।

ধারাঃ ৪- অনুমান (Presumtion)
 ক) অনুমান করতে পারে (May Presume)
 খ) অনুমান করবে ( Shall Presume)
 গ) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof)

ধারাঃ ৫- যে সকল বিষয়ে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়-
 ক) বিচার্য বিষয়
 খ) প্রাসঙ্গিক বিষয়
ধারাঃ ৬- যে সকল ঘটনা একই কাজের অংশ সেগুলো প্রাসঙ্গিক (Res Gestae)
ধারাঃ ৭- ঘটনার উপলক্ষ, কারণ যা ঘটনার তথ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৮- উদ্দেশ্য/ আচরণ/বিদ্বেষ/প্রস্তুতি (Motive/Malice/Preparation) প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৯- প্রাসঙ্গিক তথ্য ব্যাখ্যা করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১০- ষড়যন্ত্রকারীর কথা ও কাজ প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১১ – অন্য কোনভাবে প্রাসঙ্গিক নয় সেগুলো যখন প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১২- যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারন করতে সহায়তা করে তা প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১৩- যে সকল ঘটনা অধিকার ও প্রথার সাথে সম্পর্কিত, তা প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১৪- যে সকল বিষয় দ্বারা মানসিক ও শারিরিক অবস্থা ও অনুভূতি প্রকাশ পায় সে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১৬- কার্য পরম্পরার অস্তিত্ব যখন প্রাসঙ্গিক

ধারাঃ ১৭- স্বীকৃতির সংজ্ঞা/Admission
১) মৌখিক বিবৃতি
২) লিখিত বিবৃতি
#দোষ স্বীকারোক্তি/Confession
১) বিচারিক দোষস্বীকারোক্তি (Judicial Confession)
২) বিচারবহির্ভূত দোষস্বীকারোক্তি (Extra-Judicial Confession)

সাক্ষ্য আইনের ১৮ থেকে ২০ ধারার মধ্যে কারা স্বীকৃতি প্রদান করতে পারবে সে বিষয়ে উল্লেখ আছেঃ
ধারাঃ ১৮-
ক) কার্যবাহের কোন পক্ষ বা তার এজেন্ট কতৃক
খ) প্রতিনিধিত্ব ভুমিকায় মোকদ্দমাকারি কতৃক
গ) বিষয়বস্তুতে স্বার্থানিত পক্ষ কতৃক
ঘ) যার নিকট থেকে স্বার্থের প্রাপ্তি ঘটেছে এমন ব্যক্তি কতৃক
ধারাঃ ১৯- যে ব্যক্তিগনের অধিষ্ঠান মোকদ্দমার কোন পক্ষের বিরুদ্ধে প্রমানিত হওয়া প্রয়োজন তাদের স্বীকৃতি।
ধারাঃ ২০- মোকদ্দমার পক্ষ কতৃক উল্লেখিত ব্যক্তিগন কতৃক স্বীকৃতি।

ধারাঃ ২৩- দেওয়ানী মামলায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ২৪- প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা আদায়কৃত দোষস্বীকারোক্তি ফৌজদারি মামলায় অপ্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ২৫- পুলিশের নিকট দোষস্বীকারোক্তি
ধারাঃ ২৬- পুলিশ হেফাজতে থাকাকালিন প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি
ধারাঃ ২৭- আসামির নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য যতটুকু প্রমাণ করা যেতে পারে।
ধারাঃ ২৮- প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতি অপসারণ করার পর প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ২৯- অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক হলে শুধুমাত্র গোপনীয়তার প্রতিশ্রুতির ফলে অপ্রাসঙ্গিক হবেনা।
ধারাঃ ৩০- একজন অপরাধীর দোষস্বীকারোক্তি যখন অন্য সহ আসামির/অপরাধির বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৩১- প্রমানে বাধা(Estoppel)

এমন ব্যাক্তি যাদেরকে সাক্ষী হিসেবে তলব করা যায়না
 মৃত ব্যক্তি
 খুঁজে পাওয়া যায়না এমন ব্যক্তি
 সাক্ষ্য দেওয়ার অযোগ্য ব্যক্তি
 যে ব্যক্তিকে হাজির করা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ্য
(বিঃদ্রঃ মৃত ব্যক্তির সাক্ষ্য মৃত্যুকালীন ঘোষণার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক)

ধারাঃ ৩২- প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে মৃত ব্যক্তি/নিখোঁজ ব্যক্তির সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৩২(১) মৃত্যুকালিন ঘোষণা (Dying Declaration)
ধারাঃ ৩৩- কোন মামলায় প্রদত্ত সাক্ষ্যের সত্যতা পরবর্তী মোকদ্দমায় যখন প্রাসঙ্গিক (শর্ত সাপেক্ষে)

ধারাঃ ৩৬- মানচিত্র, রেখাচিত্র ও নকশায় বিবৃতির প্রাসঙ্গিকতা।
ধারাঃ ৩৭- কোন কোন আইনের বা প্রজ্ঞাপনের অন্তর্ভুক্ত সার্বজনিক প্রকৃতির তথ্য সম্পর্কিত বিবৃতির প্রাসঙ্গিকতা।

ধারাঃ ৪০- ২য় মোকদ্দমায় বিচার নিষিদ্ধ করার জন্য পূর্ববর্তি মামলার রায় প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৪১- প্রবেট বিষয়ক ইত্যাদি ক্ষেত্রে রায়ের প্রাসঙ্গিকতা।

তৃতীয় পক্ষের অভিমত যখন প্রাসঙ্গিকঃ
ধারাঃ ৪৫- বিশেষজ্ঞের মতামত
ধারাঃ ৪৬- বিশেষজ্ঞগণের অভিমতের সাথে তথ্য যখন সম্পর্কযুক্ত হয় তা প্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৪৭- হস্তলিপির সাথে পরিচিত ব্যক্তির অভিমত
ধারাঃ ৪৮- অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে অভিমত
ধারাঃ ৪৯- প্রচলিত রীতিনীতি সম্পর্কে অভিমত
ধারাঃ ৫০- আত্মীয়তা সম্পর্কে অভিমত

চরিত্র কখন প্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৫২- দেয়ানি মামলায় চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৫৩- ফৌজদারি মামলায় চরিত্র প্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৫৪- ফৌজদারি মামলায় অসচরিত্র প্রাসঙ্গিক/ অপ্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৫৫- দেওয়ানী মামলায় বাদির চরিত্রে প্রাসঙ্গিকতা

যে সকল ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেইঃ
ধারাঃ ৫৬- বিচারকের দৃষ্টিগোচরের ঘটনা
ধারাঃ ৫৭- যে সকল বিষয় আদালতকে বিচারিকভাবে লক্ষ্য করতেই হবে।
ধারাঃ ৫৮- স্বীকৃত ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন নেই।

মৌখিক সাক্ষ্য বিষয়েঃ
ধারাঃ ৫৯- মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা তথ্য প্রমাণ
ধারাঃ ৬০- মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে।

দালিলিক সাক্ষ্য বিষয়েঃ
দালিলিক সাক্ষ্য বলতে যে সকল দলিল আদালতে পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করার অনুমতি প্রদান করা হয় তাকেই বুঝায়। দালিলিক সাক্ষ্য(Documentary Evidence) দু প্রকার, যথাঃ
 প্রাথমিক সাক্ষ্য ( Primary Evidence)
 মাধ্যমিক বা গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence)

ধারাঃ ৬১- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ- দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
ধারাঃ ৬২- প্রাথমিক সাক্ষ্য(Primary Evidence)
ধারাঃ ৬৩- মাধ্যমিক বা গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence)
ধারাঃ ৬৪- প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ
ধারাঃ ৬৫- যে ক্ষেত্রে দলিলের বিষয়বস্তু প্রমানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে।
ধারাঃ ৬৬- দলিল উপস্থাপনের নোটিশ
ধারাঃ ৬৮- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত আবশ্যক তা সম্পাদনের প্রমাণ।
ধারাঃ ৬৯- যে ক্ষেত্রে কোন প্রত্যায়ক সাক্ষ্য খুঁজে পাওয়া যায়না সে ক্ষেত্রে প্রমান।
ধারাঃ ৭০- প্রত্যায়িত দলিলে পক্ষ কতৃক নিষ্পাদনের স্বীকৃতি।
ধারাঃ ৭১-প্রত্যায়ক সাক্ষী নিষ্পাদ্ন অস্বীকার করলে তার প্রমাণ।
ধারাঃ ৭৩- সাক্ষর, লিখন বা সিলমোহর অন্য স্বীকৃত বা প্রমানিত সাক্ষর, লিখন বা সীলমোহরের সাথে মেলানো।

সরকারি/বেসরকারি দলিল প্রসঙ্গেঃ
ধারাঃ ৭৪- সরকারি দলিল
ধারাঃ ৭৫- বেসরকারি দলিল
ধারাঃ ৭৬- সরকারি দলিলের সার্টিফাইড কপি(জাবেদা নকল)
ধারাঃ ৭৭- জাবেদা নকল দ্বারা দলিলের প্রমাণ
ধারাঃ ৭৯- জাবেদা নকলের বিশুদ্ধতা সম্পর্কে অনুমান
ধারাঃ ৮০- সাক্ষ্য হিসেবে দাখিলকৃত দলিল সম্পর্কে অনুমান
ধারাঃ ৮৩- সরকারি কতৃত্বাধিনে প্রনিত নকশা
ধারাঃ ৮৫- আমমোক্তারনামা সম্পর্কে অনুমান
ধারাঃ ৯০- ত্রিশবছরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান

প্রমানের ভার/ দায়িত্ব বিষয়েঃ
ধারাঃ ১০১- প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১০২- প্রমানের দায়িত্ব কার উপর বর্তায়
ধারাঃ ১০৩- কোন নির্দিষ্ট তথ্য প্রমানের দায়িত্ব (Plea of aliv নীতি)
ধারাঃ ১০৪- সাক্ষ্য প্রমাণ করার জন্য যে তথ্য প্রমান করতে হবে তা প্রমাণ করার দায়িত্ব
ধারাঃ ১০৫- সাধারণ ব্যতিক্রম প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১০৬- বিশেষভাবে জানা ঘটনা প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১০৭- ত্রিশ বচর ধরে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত প্রমানের দায়িত্ব

ধারাঃ ১০৮- সাত বছর ধরে নিখোঁজ ব্যক্তিকে জীবিত প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১০৯- কতিপয় ব্যক্তির মধ্যে সম্পর্ক প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১১০- মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১১২- সন্তানের বৈধতা প্রমানের দায়িত্ব/সন্তানের বৈধতার চূড়ান্ত প্রমাণ
ধারাঃ ১১৪- আদালত কতিপ্য ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে

স্বীকৃতির বাধা সম্পর্কেঃ
ধারাঃ ১১৫- স্বীকৃতির বাধা (Estoppel)- কোন ব্যক্তির, কোন জমিতে স্বত্ব বা কোন কিছুতে কোন অধিকার না থাকার পরেও অন্য কোন ব্যক্তিকে উক্ত স্বত্বের বা অধিকারের বিষয়ে বিশ্বাস অর্জন করিয়ে যদি হস্তান্তর করতে চায় এবং হস্তান্তর করার পুর্বে যদি স্বত্ব অর্জন করে তাহলে সম্পত্তি হস্তান্তর করার সময় উক্ত পুর্বকার স্বত্বহীনতার অজুহাত দিয়ে হস্তান্তর অস্বীকার বা স্থগিত করতে পারবেনা, আর এই নীতিকে বলা হয় স্বীকৃতির বাধা বা Estoppel.

>১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টোপেল নীতির প্রয়োগ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
ধারাঃ ১১৬- সাক্ষ্য আইনের ১১৬ধারা অনুযায়ী দুইটি ক্ষেত্রে এস্টপেল নীতির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে......
ক) ভাড়াটিয়া(Tenant) এবং মালিক (Landlord)
খ) দখলি ব্যক্তির অনুমতিক্রমে অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি(Licensee) এবং অনুমতিদাতা (Licensor)
ধারাঃ১১৭- বিল অফ এক্সচেঞ্জের বা বিনিময় বিলের ক্ষেত্রে এস্টপেল।

সাক্ষী প্রসঙ্গেঃ
ধারাঃ ১১৮- কে সাক্ষ্য দিতে পারে
ধারাঃ ১১৯- বোবা সাক্ষী
ধারাঃ ১২০- স্বামি বা স্ত্রি সাক্ষি
ধারাঃ ১২১- জজ বা ম্যজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য
ধারাঃ ১২২- স্বামী বা স্ত্রির মধ্যে পত্রালাপ
ধারাঃ ১২৩- রাষ্ট্রীয় বিষয়ে সাক্ষ্য
ধারাঃ ১২৪- সরকারি বার্তায় আদান প্রদান
ধারাঃ ১২৫- অপরাধের সংঘটন সম্পর্কে তথ্য
ধারাঃ ১২৬- পেশা সম্পর্কিত পত্রালাপ
ধারাঃ ১২৮- সেচ্ছায় সাক্ষ্য প্রদান করতে উধ্যত হলে বিশেষাধিকার অধিত্যক্ত হয়না
ধারাঃ ১২৯- আইন উপদেষ্টা
ধারাঃ ১৩০- পক্ষ নয় এরূপ সাক্ষির স্বত্বদলিল উপস্থাপন
ধারাঃ ১৩২- কোন প্রশ্নের উত্তর কোন সাক্ষিকে কোন অপরাধের সাথে জড়িত করবে এজন্য উক্ত সাক্ষিকে উত্তর দান থেকে অব্যাহতি দেওয়া যাবেনা।
ধারাঃ ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী
ধারাঃ ১৩৪- সাক্ষির সংখ্যা
ধারাঃ ১৩৫-সাক্ষীগনের উপস্থাপন ও পরিক্ষনের অনুক্রম
ধারাঃ ১৩৬- বিচারকগন সাক্ষীর গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারন করবেন
ধারাঃ ১৩৭- জবানবন্দী/জেরা/পুনঃজবানবন্দি
ধারাঃ ১৩৮- সাক্ষ্য গ্রহনের ধারাবাহিকতা
ধারাঃ ১৩৯- যে ব্যক্তিকে কোন দলিল উপস্থাপন করার জন্য তলব করা হয়েছে তার জেরা
ধারাঃ ১৪০- চরিত্র সম্পর্কে
ধারাঃ ১৪১- ইঙ্গিতপুর্ন প্রশ্ন (Leading Question)
ধারাঃ ১৪২- যে ক্ষেত্রে ইঙ্গিতবাহি প্রশ্ন করা যাবেনা
ধারাঃ ১৪৩- যে ক্ষেত্রে ইঙ্গিতবাহি প্রশ্ন করা যাবে।
ধারাঃ ১৪৪- লিখিত বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য
ধারাঃ ১৪৫- পূর্ববর্তী লিখিত বিবৃতি সম্পর্কে জেরা
ধারাঃ ১৪৬- জেরায় যে ধরনের প্রশ্ন আইনসম্মত করা যাবে
ধারাঃ ১৪৭- কখন সাক্ষিকে উত্তর দিতে বাধ্য করা যাবে
ধারাঃ ১৪৮-কখন প্রশ্ন করা এবং কখন সাক্ষিকে উত্তর দিতে বাধ্য করা যাবে তা আদালত কতৃক নির্ধারিত হবে
ধারাঃ ১৪৯- প্রশ্ন যুক্তিসংগত হেতু ব্যতীত করা যাবেনা
ধারাঃ ১৫০-যুক্তিসঙ্গত হেতু ব্যতীত প্রশ্ন করলে আদালতের করনীয় বা প্রকক্রিয়া
ধারাঃ ১৫১- অশালিন ও কুৎসাজনক প্রশ্ন
ধারাঃ ১৫২-অপমান কিংবা উত্যক্তমূলক প্রশ্ন
ধারাঃ ১৫৩-সত্যবাদিতা পরিক্ষা করার জন্য প্রশ্নের উত্তর খণ্ডন করতে সাক্ষ্যের পরিবর্জন
ধারাঃ ১৫৪- নিজের সাক্ষিকে প্রশ্ন করা
ধারাঃ ১৫৫- সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অভিযোগ

ধারাঃ ১৫৯- স্মৃতি পুরুজ্জিবিত করা
ধারাঃ ১৬১- স্মৃতি পুরুজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে বিরুদ্ধপক্ষের অধিকার
ধারাঃ ১৬২- দলিলের উপস্থাপন/দলিলের অনুবাদ
ধারাঃ ১৬৫- বিচারক কতৃক প্রশ্ন কিংবা কিছু দাখিলের আদেশ

Israt Jareen
Advocate
Judge Court, Cttagong

 # #  #এন.আই. অ্যাক্ট মামলায় রায় পেলেও আসামি পলাতক? জানুন করণীয়:চেক ডিসঅনার মামলায় (ধারা ১৩৮) আদালত রায় দিয়েছে,কিন...
29/10/2025

# # #এন.আই. অ্যাক্ট মামলায় রায় পেলেও আসামি পলাতক? জানুন করণীয়:

চেক ডিসঅনার মামলায় (ধারা ১৩৮) আদালত রায় দিয়েছে,
কিন্তু আসামি ধরা ছোঁয়ার বাইরে —
এমন পরিস্থিতিতে মামলা শেষ নয়,
বরং শুরু রায় কার্যকর করার আসল পর্ব।

১) প্রথমে রায়ের কপি সংগ্রহ করুন।
২) এরপর আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে Ex*****on Case দায়ের করুন।
৩) আদালত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা (Warrant) ও প্রয়োজনে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (Attachment Order) জারি করতে পারেন।
৪) দীর্ঘদিন পলাতক থাকলে আদালত তাকে Proclaimed Offender (ঘোষিত পলাতক) ঘোষণা করতে পারেন।

রায় পাওয়া মানেই ন্যায় বিচার শেষ নয়,
রায় কার্যকর করাই আসল ন্যায় প্রতিষ্ঠা।

19/10/2025
27/10/2024

বার কাউন্সিল পরিক্ষার বিষয়ে ব্রিফিং চলছে

বার কাউন্সিল পরিক্ষায় যেভাবে এগুনো উচিত ।
27/10/2024

বার কাউন্সিল পরিক্ষায় যেভাবে এগুনো উচিত ।

27/10/2024

বার কাউন্সিল কর্তৃক অ্যাডভোকেট হবার সকল আবেদনপত্র যে কমিটিতে উপস্থাপন করতে হয় তা হলো-

ক) Executive Committee
খ) Admission Committee
গ) Enforcement Committee
ঘ) Enrollment Committe

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Law School Network posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share