Roy Law Chamber Bogra

Roy Law Chamber Bogra Civil and Criminal law Practitioner Since 1996 Judge Court Dhaka and Bogra. Civil
1. Declaration of Title

b. Recovery of Possession

c. Injunction

d. f. Dowry

A New Generation of Advocates Program at Freedom House" Judge Court Bogura, Bogura Zilla Advocates Bar Samity, Gauhor Ali Bhaban ( Ground Floor) Mobile:01712218242 Divorce & Family Law, Employment Discrimination & Employment Law
Contract Disputes,Land disputes.Commercial Litigation.Company Law,Hindu Law and Muhammadan Law . Land Litigation:



Any legal proceeding or dispute arising out of land

or in-respect of land, more specifically the nature of suit or case includes but not limited by the followings;

a. Cancellation of Deeds/Instruments

e. Eviction

f. Specific Performance of Contract

g. Records and Mutation

h. Land survey tribunal issues

i. Partition

j. Money

k. Small Causes

l. Proceedings on the issue of transferring land by way of sale, gift (Heba), mortgage, lease, trust, will, probate, settlement, license, Contract for Sale (Baina), etc


2. Banking Matter



The proceedings relating to original Bank transactions which includes but not limited by the followings;

a. CIB Reports by Bangladesh Bank

b. Letter of Credit (L.C) matters

c. Calculation of Interests or other terms involve with Bank Account

d. Any other proceedings concerning Bank transaction


3. Artha Rin



Artha Rin matters mean the cases or suits initiated under the Artha Rin Ain. Lawyers Bangladesh has been assisting its clients in all kinds of artha rin matters. The nature of Artha Rin cases are including but not limited to the followings;

a. Repayment of Loan

b. Selling of property (Collateral Security)

c. Mortgage (Equitable Mortgage)

d. Installment process of loan

e. Arrest and Civil Imprisonment under artha rin ain. Issues of pledge goods

g. Auction sale of Property


4. Educational Institutional Matter
5. Corporation issues
6. Compensation & Financial Matter
7. Insurance Matter

Criminal
------------
Criminal Matters we do

1. Murder & Culpable Homicide
2. Arms & Explosive
3. Nari-O-Shishu
4.Theft
5. Robbery and Dacoity
6.Fraud
7. Misappropriation of money
8.Criminal Breach of Trust
9. Forgery
10. Adulteration
11.Negotiable Instruments (Check Dishonour)
12. Narcotics and Drugs
13.Trespass
14.Abduction/ Kidnap
15 .Enforced Disappearance
16.Rape
17. Acid Throwing
18.Dowry Demanding
19. Defamation
20.Assault and Battery
21. Mal Prosecution


Criminal Cases we conduct

A.Complaint Cases (C R Case)

B. Police Station Cases (G R Case)

C. Criminal Appeals

D. Criminal Revisions

E. Quashment (561A)

F. Miscellaneous Cases




Criminal Courts we appear

1.Judicial Magistrate Court

2. Court of Sessions Judge

3. Special Tribunal

4. Nari-O-S hishu Nirjatan Daman Tribunal

5. Druto Bichar Adalat

6. High Court Division

7. Appellate Division of the Supreme Court


Our Services

1. Bail and Anticipatory Bail Petition

2. Trial of Cases

3. Appeal stage

4. Revision Stage

5. Miscellaneous


Family Matter
-----------------

1. Divorce

2. Maintenance & Dower

3. Miscellaneous

4. Guardianship

5. Restitution of Conjugal Right

6. Domestic Violence

7.

08/08/2026

বিষয়: Civil Practice & Procedure

বক্তা : মো. নুরুল আমীন, সিনিয়র অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

08/08/2026

চেক ডিজঅনার মামলা নিয়ে হাইকোটের বড় রায়! এখন থেকে শুধু চেক থাকলেই সাজা হবে না, যদি সেখানে কোনো আর্থিক লেনদেনের বৈধ প্রমাণ বা 'Consideration না থাকে। ১৯ মে ২০২৫-এ হাইকোর্ট বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর একক ব একক বেঞ্চ মো. সাইফুল ইসলাম বনাম মো. আব্দুল মান্নান মামলায় এই ঐতিহাসিক পর্যবেক্ষণক দিয়েছেন। বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন!

08/08/2026
★দেবোত্তর সম্পত্তি কি? এই সম্পত্তি হস্তান্তর  করা যাবে কি না? (ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন)🇧🇩 দেবোত্তর সম্পত্তি সর্ম্পকে বিস্তার...
31/07/2026

★দেবোত্তর সম্পত্তি কি? এই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যাবে কি না? (ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন)

🇧🇩 দেবোত্তর সম্পত্তি সর্ম্পকে বিস্তারিত শাস্ত্রীয় আইন,আইনি ব্যাখা ও উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তসহ আলোচনা করা হলো----------------

🔷 দেবোত্তর সম্পত্তি কি -------------

✅ ধর্মীয় উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত সম্পত্তিকে দেবোত্তর সম্পত্তি বলা হয়। শব্দগতভাবে দেবোত্তর অর্থ দেবতার স্বত্তাধীন। দেবোত্তর একটি অর্পন বা চিরস্থায়ী দান।

👉 দেবোত্তর সম্পত্তি হিন্দু ধর্মীয় আইন ও স্ট্রাস্ট আইনের বিধান দ্বারা পরিচালিত। স্যার দিনশ ফারদুনজি মোল্লা-র বিখ্যাত গ্রন্থ 'Mulla's Principles of Hindu Law'-এর Chapter XXI (Religious and Charitable Endowments)-এ দেবোত্তর সম্পত্তির যাবতীয় তত্ত্ব, প্রকারভেদ, দেবতার আইনি সত্তা এবং সেবাইতের আইনি ক্ষমতা বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে। (যেমন- Section 413, 414)

👉 হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ স্ট্রাস্ট আইন, ২০১৮’-এর খসড়া বিল ও মূল গেজেট পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এই আইনের ধারা ৮ এবং ধারা ৩(২)-এ দেবোত্তর সম্পত্তি ও এর আইনি দায়িত্বের বিষয়টি বিস্তারিত বিন্যাস করা হয়েছে।

📘 প্রচলিত অন্যান্য সাধারণ ও বিধিবদ্ধ আইন-----

👉দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৯২ ধারার অধীন কোনো পাবলিক দেবোত্তর সম্পত্তির ট্রাস্ট বা সেবাইত যদি দায়িত্ব অবহেলা বা সম্পত্তি আত্মসাৎ করেন, তাহলে দেওয়ানি আদালতে প্রতিকার চাইতে হয়।

👉অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন, ২০০১ এর ১৫ ধারায় সরাসরি ‘দেবোত্তর সম্পত্তি’ ও ‘সেবাইত’ শব্দ দুটি উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের অধীনে থাকা কোনো প্রত্যর্পণযোগ্য দেবোত্তর সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার জন্য সেবাইতদের এই আইনের অধীনেই আবেদন করতে হয়।

👉ধর্মীয় অনুদান সংক্রান্ত আইন (The Charitable Endowments Act, 1890): এই আইনের মাধ্যমে ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য উৎসর্গকৃত সম্পত্তির আইনি তদারকি করা যায়।

👉The Hindu Disposition of Property Act, 1916: কোনো ব্যক্তি উইলের মাধ্যমে দেবতার নামে সম্পত্তি দান করতে চাইলে এই আইনের সাহায্য নেওয়া হয়।

✔️সহজ কথায়, দেবোত্তর সম্পত্তির মূল আইনি সংজ্ঞা ও সেবাইতের অধিকার আসে শাস্ত্রীয় হিন্দু আইন থেকে । আর মামলা করার পদ্ধতি ও জমি সুরক্ষার আইনি ক্ষমতা আসে দেওয়ানি কার্যবিধি এবং অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন।

🟣দেবোত্তর সম্পত্তি হস্তান্তরের সীমারেখা কতটুকো 👇

⚖️দেবোত্তর সম্পত্তি হিন্দু আইনের এক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দিক, যা ধর্মীয় কার্যকলাপের জন্য নিবেদিত সম্পত্তি বোঝায়। শাস্ত্রীয় বিধানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে দেবোত্তর সম্পত্তি হস্তান্তর অযোগ্য। দেবতার সম্পত্তি হিসেবে এটি ধর্মীয় কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য নিবেদিত থাকে এবং সেবাকার্য পরিচালনার বাইরে এ সম্পত্তি অন্য কোনও উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যায় না।

🔰গোবিন্দ বনাম রামচন্দ্র দাস [(১৯২৫) ৫২ কলকাতা ৭১৮] মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত দেয় যে দেবোত্তর সম্পত্তি বন্টন বা হস্তান্তর করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।

🔰শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ জিউ এবং অন্যান্য বনাম অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এবং অন্যান্য [47 DLR (1995) 433] এই মামলায় মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ স্পষ্ট করেছেন যে, দেবোত্তর সম্পত্তি সরকারের 'অর্পিত সম্পত্তি' হিসেবে তালিকাভুক্ত বা বাজেয়াপ্ত হতে পারে না।

🔰শ্রী শ্রী জগত জননী দয়াময়ী আনন্দময়ী কালী মাতা ঠাকুরানী বনাম মোঃ আব্দুল মান্নান [55 DLR (2003) 302] এই মামলায় সিদ্ধান্ত হয় যে, সেবাইত দেবোত্তর সম্পত্তির মালিক নন, তিনি কেবল একজন জিম্মাদার । চরম আইনি প্রয়োজনীয়তা এবং আদালতের পূর্বানুমতি ছাড়া সেবাইত কর্তৃক দেবোত্তর সম্পত্তি বিক্রয়, বন্ধক বা হস্তান্তর সম্পূর্ণ অবৈধ, বেআইনি এবং শুরু থেকেই বাতিল।

⛔হস্তান্তরের ব্যতিক্রম:-------------

তবে, কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সেবায়েত (দেবোত্তর সম্পত্তির রক্ষক) আইনগত প্রয়োজনে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন।

✔️ধর্মীয় কার্যক্রম অব্যাহত রাখা: যদি সম্পত্তি বিক্রি না করা হলে দেবতার পূজা-অর্চনা বা অন্যান্য ধর্মীয় কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
✔️ সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন: দেবোত্তর সম্পত্তি উন্নত করার জন্য অর্থ সংগ্রহের প্রয়োজনে এর একটি অংশ হস্তান্তর করা যেতে পারে।
✔️অপরিহার্য অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলা: যেমন একজন নাবালকের অভিভাবক বৈধ প্রয়োজন মেটাতে সম্পত্তি বিক্রি করেন, তেমনি সেবায়েতও দেবোত্তর সম্পত্তি বিক্রি করতে পারেন।

🔰হনুমান প্রসাদ পান্ডে বনাম মুসাম্মাত বাসবাই [6 MIA 393] (ঐতিহাসিক প্রিভি কাউন্সিল মামলা):
এই ঐতিহাসিক মামলার নীতি দেবোত্তর সম্পত্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সম্পত্তি হস্তান্তর করতে হলে ক্রেতাকে প্রমাণ করতে হবে যে, সেখানে বাস্তব 'আইনি প্রয়োজনীয়তা' ছিল (যেমন: মন্দির রক্ষা )। ক্রেতা যদি সৎ বিশ্বাসে অনুসন্ধান না করে সম্পত্তি কেনেন, তবে সেই হস্তান্তর টিকবে না।

🔰শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ জিউ বনাম রাষ্ট্র [40 DLR (AD) (1988) 143] মহামান্য আপিল বিভাগ এই মামলায় সিদ্ধান্ত দেন যে, কোনো সম্পত্তিতে কেবল 'দেবোত্তর' শব্দটি লেখা থাকলেই তা পরম দেবোত্তর হয়ে যায় না। আদালতকে দেখতে হবে উৎসর্গটি প্রকৃত নাকি কাল্পনিক। যদি সম্পত্তির আয় ব্যক্তিগত বা পারিবারিক উদ্দেশ্যে ব্যয় হয়, তবে তা আংশিক বা নামমাত্র দেবোত্তর হিসেবে গণ্য হবে, যা হস্তান্তরযোগ্য।

🟣 ⛔দেবোত্তর সম্পত্তি ধর্মীয় উদ্দেশ্যে নিবেদিত হওয়ার কারণে এটি ব্যক্তিগত বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য হস্তান্তর করা যায় না। সেবায়েতের দায়িত্ব হলো এই সম্পত্তি যথাযথভাবে ব্যবহার করা এবং ধর্মীয় উদ্দেশ্য সাধন নিশ্চিত করা।

⚠️ গুরুত্বপূর্ন⚠️

দেবোত্তর সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়ে আইন অত্যন্ত স্পষ্ট ও সীমাবদ্ধ। আইনগত প্রয়োজন ছাড়া এ ধরনের সম্পত্তি হস্তান্তর করা সম্ভব নয়। সেবায়েতদের জন্য এটি একটি গুরু দায়িত্ব যা তাদের সৎভাবে পালন করতে হয়, যাতে ধর্মীয় কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

(বিঃ দ্রঃ কপি করা যাবে না। অন্যেদের জানাতে শেয়ার করুন। আরো বিস্তারিত জানতে বিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া শ্রেয়)
এড.জয়ন্ত কুমার রায় দীপক
জজ কোর্ট বগুড়া ও ঢাকা।
হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার
01712-218242

14/07/2026

ব্ল‍্যাঙ্ক চেক বা সিকিউরিটি চেক দিয়ে বিপদে পড়েছেন? ইচ্ছামতো মোটা অঙ্কের টাকা বসিয়ে মিথ্যা মামলা ঠুকে দিয়েছে? ভয় পাবেন না! আইন কাউকে অন্ধভাবে শাস্তি দেয় না। আদালতে আসামিপক্ষে লড়াই করার এবং নির্দোষ প্রমাণ হওয়ার ৫টি মোক্ষম আইনি অস্ত্র ও উচ্চশিক আদালতের যুগান্তকারী কিছু নজির (যেমন: ৫৬ ডিএলআর, ৭১ ডিএলআর এডি) জেনে নিন এই শট শর্টস-এ। চেকে আপনার স্বাক্ষর থাকলেও যদি ৭২৯ ভেতরের লেখা ও কালি ভিন্ন হয়, তবে ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে কীভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন, তা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
পুরো তথ্য ও আইনি পরামর্শের জন্য মূল ভিডিওটি
দেখুন!

আইনের দূর্গে হামলা নয়: আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেফতারকে 'অবৈধ' ঘোষণা করে পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের যুগান্তকারী রায়:Imran A...
03/07/2026

আইনের দূর্গে হামলা নয়: আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেফতারকে 'অবৈধ' ঘোষণা করে পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের যুগান্তকারী রায়:

Imran Ahmed Khan Niazi vs. The State (Criminal Petition No. 519 of 2023) মামলার বিস্তারিত বিশ্লেষণ

২০২৩ সালের ১১ মে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট একটি ঐতিহাসিক রায় প্রদান করে যা শুধু পাকিস্তানের নয়, বরং আন্তর্জাতিক আইনি মহলেও আলোড়ন সৃষ্টি করে। প্রধান বিচারপতি উমর আতা বান্দিয়ালের নেতৃত্বাধীন এবং বিচারপতি মুহাম্মদ আলী মাজহার ও বিচারপতি আতহার মিনাল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের বেঞ্চ স্পষ্ট ঘোষণা দেয় যে, আদালত প্রাঙ্গণ থেকে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা সংবিধানের মৌলিক অধিকার ও বিচার বিভাগের মর্যাদা উভয়ের লঙ্ঘন। বিচারপতি আতহার মিনাল্লাহ রায়ের মূল অংশের সাথে একমত হয়েও নিজস্ব অতিরিক্ত আইনি যুক্তি রেকর্ড করেন। এই রায় আইনের শাসন ও নাগরিকের ন্যায়বিচার লাভের অধিকারকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করে।

মামলার পটভূমি ও গ্রেফতারি পরোয়ানা:
পাকিস্তানের জাতীয় দুর্নীতি দমন সংস্থা ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরো (NAB) তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের চেয়ারম্যান ইমরান আহমেদ খান নিয়াজীর বিরুদ্ধে আল-কাদির ট্রাস্ট মামলায় তদন্ত শুরু করে। ২০২৩ সালের ১ মে NAB-এর চেয়ারম্যান ইমরান খানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে ইমরান খান আইনি সুরক্ষা পেতে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের শরণাপন্ন হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

৯ মে: আদালত প্রাঙ্গণে নাটকীয় গ্রেফতার:
২০২৩ সালের ৯ মে ছিল ইসলামাবাদ হাইকোর্টের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়। ইমরান খান সেদিন দুটি উদ্দেশ্যে হাইকোর্টে উপস্থিত হন। প্রথমত, তিনি অন্য একটি মামলায় আগাম জামিনের শুনানির জন্য ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে এবং দ্বিতীয়ত, আল-কাদির ট্রাস্ট মামলায় নতুন আগাম জামিন আবেদন দাখিলের জন্য আদালতে আসেন।

তিনি হাইকোর্টের ইনস্টিটিউশন ব্রাঞ্চে আবেদন জমা দেন এবং একটি ডায়েরি নম্বর প্রাপ্ত হন। এরপর নিয়ম অনুযায়ী তাঁর বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঠিক সেই সময় ঘটে বিপর্যয়। প্রায় ৮০ থেকে ১০০ জন পাকিস্তান রেঞ্জার্সের সদস্য হাইকোর্টের বায়োমেট্রিক রুমের দরজা ও জানালার কাচ ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে এবং ইমরান খানকে জোরপূর্বক গ্রেফতার করে। রায়ের ২ নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে যে, এই সময় বহু আইনজীবী, আদালতের কর্মী এবং পুলিশ সদস্যরা লাঞ্ছিত ও আহত হন। এটি কোনো সাধারণ গ্রেফতার ছিল না; এটি ছিল আইনের দুর্গে সশস্ত্র হামলা।

ইসলামাবাদ হাইকোর্টের প্রাথমিক রায়:
ঘটনার পরপরই ইসলামাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে আদালত বসান। তিনি আইজি পুলিশ ও NAB কর্মকর্তাদের তলব করেন এবং তাদের কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা চান। শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায় দেয় যে, গ্রেফতারি পরোয়ানাটি বৈধ ছিল, তাই গ্রেফতার নিজে আইনগতভাবে অবৈধ নয় (not per se illegal)। তবে গ্রেফতারের ধরণ ও পদ্ধতি আদালতের মর্যাদা লঙ্ঘন করেছে। এই রায়ে হাইকোর্ট আইজি পুলিশ ও স্বরাষ্ট্র সচিবের বিরুদ্ধে অবমাননার নোটিশ জারি করলেও ইমরান খানের গ্রেফতারকে বহাল রাখে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই ইমরান খান সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন।

সুপ্রিম কোর্টের শুনানি: আইনের প্রশ্ন, রাজনীতি নয়:
২০২৩ সালের ১১ মে সুপ্রিম কোর্টে মামলাটির শুনানি হয়। প্রধান বিচারপতি বান্দিয়াল প্রথমেই স্পষ্ট করে দেন যে, এই আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানার বৈধতা বা NAB-এর তদন্তের গুণাগুণ নিয়ে আলোচনা করবে না। এখানে শুধু একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে—আদালত প্রাঙ্গণ থেকে যেভাবে এই গ্রেফতারি কার্যকর করা হয়েছে, তা আইনসম্মত কি না? এটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত। কারণ সুপ্রিম কোর্ট এখানে রাজনীতি বা মামলার মূল অভিযোগে না গিয়ে সংবিধানের মৌলিক অধিকার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে প্রাধান্য দিল।

সুপ্রিম কোর্টের মূল পর্যবেক্ষণসমূহ:
সুপ্রিম কোর্ট তাঁর রায়ে কয়েকটি যুগান্তকারী পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।

প্রথমত, আদালত বলেন যে, যখন কোনো ব্যক্তি আদালতে আবেদন করেন, ডায়েরি নম্বর গ্রহণ করেন এবং বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেন, তখন তিনি কার্যত আদালতের এখতিয়ারে আত্মসমর্পণ করেছেন। এই অবস্থায় তাঁকে গ্রেফতার করা তাঁর ন্যায়বিচার লাভের অধিকারকে প্রাক-খর্ব করে।

দ্বিতীয়ত, সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট বলেন যে, এই গ্রেফতারের মাধ্যমে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪-এর অধীনে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার, অনুচ্ছেদ ৯-এর অধীনে জীবন ও স্বাধীনতার সুরক্ষা, অনুচ্ছেদ ১০এ-এর অধীনে সুষ্ঠু বিচার ও যথাযথ প্রক্রিয়ার অধিকার এবং অনুচ্ছেদ ১৪-এর অধীনে মানব মর্যাদার অনমনীয়তা লঙ্ঘিত হয়েছে। আদালত বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, ন্যায়বিচার লাভের অধিকার এখন সংবিধানের ১০এ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে আরও সুসংহত হয়েছে এবং এটি অনুচ্ছেদ ৯-এর সম্পূরক ও বিস্তৃত রূপ।

তৃতীয়ত, আদালত কড়া সতর্কবাণী দিয়ে বলেন যে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো আদালত প্রাঙ্গণকে আসামি ধরার শিকারের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারে না। যদি এই গ্রেফতারকে বৈধতা দেওয়া হয়, তবে ভবিষ্যতে নির্বাহী বিভাগ আদালতকে তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের ক্ষেত্র বানাবে, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য চরম বিপজ্জনক।

চূড়ান্ত রায় ও নির্দেশনা:
সুপ্রিম কোর্ট ইসলামাবাদ হাইকোর্টের রায়ের সেই অংশ বাতিল করেন যা গ্রেফতারকে বৈধ ঘোষণা করেছিল। আদালত ঘোষণা করেন যে, ইমরান খানের গ্রেফতার সম্পূর্ণ বেআইনি ও অবৈধ। এর পাশাপাশি আদালত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন।

প্রথমত, ইমরান খানকে পরদিন অর্থাৎ ১২ মে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে হাজির করা হবে এবং হাইকোর্ট তাঁর মূল জামিন আবেদনের নিষ্পত্তি করবে। দ্বিতীয়ত, পুলিশ কাস্টডিতে (পুলিশ লাইন্স গেস্ট হাউজ) থাকাকালীন সুরক্ষার স্বার্থে তিনি নিজের পছন্দ অনুযায়ী ১০ জন অতিথির সাথে দেখা করতে পারবেন, যা পুলিশের নিরাপত্তা তল্লাশি সাপেক্ষে অনুমোদিত হবে। তৃতীয়ত, এই আদেশ NAB-এর মূল তদন্ত প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার বাধা সৃষ্টি করবে না।

সুপ্রিম কোর্টের যুক্তি: নজির ও আইনি ভিত্তি-
সুপ্রিম কোর্ট তাঁর রায়ে পূর্ববর্তী দুইটি গুরুত্বপূর্ণ নজিরের উল্লেখ করেন—Suo motu action (2009 SCMR 780) এবং State Vs. Niaz Mohammad (PLD 1976 Lah 10)।

প্রথম নজিরটিতে সুপ্রিম কোর্ট NAB কর্মকর্তাদের দ্বারা আদালত প্রাঙ্গণ থেকে একজন হিসাবরক্ষককে গ্রেফতারের ঘটনায় অবমাননার কার্যক্রম শুরু করলেও অভিযুক্ত কর্মকর্তারা নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ায় তা ড্রপ করে দেয়। দ্বিতীয় নজিরটিতে লাহোর হাইকোর্ট স্পষ্ট বলেছিল যে, আদালত প্রাঙ্গণ থেকে জামিনপ্রার্থীকে গ্রেফতার করা আদালতের এখতিয়ারে হস্তক্ষেপ এবং বিচার প্রক্রিয়ায় বাধা।

সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণ করেন যে, ঐতিহ্যগতভাবে আদালতগুলো এই ধরনের ঘটনায় শুধু আদালত অবমাননার মাধ্যমে নিজেদের মর্যাদা রক্ষার দিকে মনোযোগ দিত, যা সরাসরি ভুক্তভোগী ব্যক্তির মৌলিক অধিকারের ক্ষতিপূরণ বা প্রতিকার নিশ্চিত করত না। কারণ আদালত অবমাননা হলো সম্পূর্ণ আদালতের নিজস্ব এখতিয়ার। অনেক সময় আদালত অবমাননার রুল জারি হলেও মূল বেআইনি গ্রেফতারি বহাল থেকে যেত। কিন্তু এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট এক নতুন যুগান্তকারী সাংবিধানিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে বলেন যে, আদালতের মর্যাদা রক্ষার চেয়েও নাগরিকের ন্যায়বিচার পাওয়ার মৌলিক অধিকার রক্ষা করা আদালতের বড় সাংবিধানিক দায়িত্ব। তাই আদালত অবমাননার গণ্ডি পেরিয়ে সরাসরি মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের ভিত্তিতে এই গ্রেফতারকে অবৈধ ঘোষণা করা হলো।

রায়ের তাৎপর্য ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব:
এই রায়টি কেবল একটি মামলার নিষ্পত্তি নয়; এটি নির্বাহী বিভাগের স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে বিচার বিভাগের এক বলিষ্ঠ সাংবিধানিক অবস্থান। এর মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট আইনি ইতিহাসে একটি শক্তিশালী নজির স্থাপন করেন যে, ভবিষ্যতে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে কাউকে এভাবে বলপ্রয়োগ করে গ্রেফতার করা অসম্ভব হবে। সাধারণ নাগরিকরাও জানবে যে, আদালতে গেলে তারা নিরাপদ এবং সেখানে তাদের ন্যায়বিচার লাভের অধিকার সুরক্ষিত। এটি উপমহাদেশের অন্যান্য দেশের বিচার ব্যবস্থার জন্যও একটি শক্তিশালী জুডিশিয়াল রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে।

ইমরান খানের গ্রেফতার ও সুপ্রিম কোর্টের রায় আমাদের এক মহাসত্য স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আইনের শাসন যেকোনো রাষ্ট্রের ভিত্তি। পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্ট তাঁর রায়ের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে যে, রাজনৈতিক চাপ বা নির্বাহীর শক্তি যত বড়ই হোক না কেন, সংবিধান ও নাগরিকের মৌলিক অধিকারই সর্বোচ্চ। এটি শুধু কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির জয়ের গল্প নয়; এটি প্রত্যেক সাধারণ নাগরিকের জয়ের গল্প, যারা আশা করে যে, আদালত তাদের শেষ আশ্রয়স্থল। আইনের দুর্গ অটুট থাকবে, কারণ আদালতের পবিত্রতা ও নাগরিকের অধিকার রক্ষা করাই বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ দায়িত্ব।

মূল রায়: Imran Ahmed Khan Niazi v. The State (Criminal Petition No. 519 of 2023), Supreme Court of Pakistan (Appellate Jurisdiction)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন
03/07/2026

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন

17/06/2026

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসে রাজস্ব খাতে স্থায়ীভাবে ৮২টি নতুন লিগ্যাল এইড পদ সৃজন করেছে সরকার। প্রজ্ঞাপন অনুযায়...

Address

Chandmari Ghat Road, Malotinagar , Bogura. Mobile No:+8801712218242
Bogura
5800

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801712218242

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Roy Law Chamber Bogra posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Roy Law Chamber Bogra:

Shortcuts

Share